বিভাগ: উত্তরণ ডেস্ক

আগামীতে ৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হবে

4-9-2019 6-48-05 PMউত্তরণ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেশে শান্তি ফিরিয়েছি, সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার লেগেছে। জনগণ উন্নয়ন চায়। শান্তি চায়। সুন্দরভাবে বাঁচতে চায়। আমরা দেশে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি। পরিকল্পিত কাজ করে আওয়ামী লীগ জনগণের আস্থা আর বিশ্বাস অর্জন করেছে। এজন্যই একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয় এসেছে।
গত ৫ এপ্রিল গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সূচনা বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে কোনো মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়নি। যারা অগ্নিসন্ত্রাস ও মানুষ পুড়িয়ে হত্যাসহ নানা অপকর্মে সম্পৃক্ত ছিলÑ তাদের বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছে। এখন শুনছি, বিএনপি থেকে চিৎকার করা হচ্ছে তাদের নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। একটাও মিথ্যা মামলা হয়নি। যারা অগ্নিসন্ত্রাস, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেনেড হামলা, সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে অগণিত নেতাকর্মী হত্যাÑ এসবের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা তো হবেই। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলাও আওয়ামী লীগ সরকার করেনি। এতিমের টাকা খেয়ে পার পেয়ে যেতে পারেন নি, তাদেরই পছন্দের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দেয়া মামলায় তিনি জেলে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার আগে দেশে ছিল অর্থনৈতিক মন্দা। দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল বিএনপি। এদের অপকর্মে দেশটি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছিল। শান্তিতে চলাফেরা করতে পারত না মানুষ। চুরি-ডাকাতি বা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এমনকি মাদকের বিস্তার ছিল দেশে। আয়ের তুলনায় ব্যয় ছিল বেশি মানুষের। যে কারণে দেশের মানুষ তাদের ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তাদের হাতে ক্ষমতা দেয়া হলে, দেশ লুট করে খাবেÑ এটা বুঝতে পেরেছে জনগণ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের পরিচালনায় দেশে শান্তি ফিরেছে। মানুষ নিশ্চিন্তে চলাফেরা করতে পারেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে। ক্রমবর্ধমান উন্নয়নশীল দেশের শীর্ষ পাঁচে থেকে আমরা কথা বলছি। আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়েছে এখন। প্রবৃদ্ধিতে অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছি। আগামীতে ৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হবে আমাদের। সেভাবেই আমরা দেশ পরিচালনা করছি।
আওয়ামী লীগ প্রধান বিএনপি-জামাত জোট সরকারের চরম দুঃশাসনের কথা তুলে ধরে বলেন, বিএনপির আমলে আমাদের নেতা-কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। নির্যাতনে বাড়িঘরে থাকতে পারেন নি নেতাকর্মীরা। এমনকি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। আমাদের নগদ টাকাসহ অনেক সম্পদ লুট করে নিয়ে গিয়েছিল বিএনপি। আমাদের নামে হাজার হাজার মামলা দেয়া হয়েছিল। ২০০১ সালে এমন একটা অবস্থা ছিল আমরা আওয়ামী লীগ অফিসে পর্যন্ত যেতে পারতাম না। আমাদের দলীয় কার্যক্রমের কোনো সুযোগই ছিল না। কিন্তু আমরা বিএনপির নামে কোনো মিথ্যা মামলা দিচ্ছি না। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা আমরা করিনি। এতিমের টাকা মেরে খেয়ে পার পেয়ে যেতে পারেন নি, তাদেরই লোকের দেয়া মামলায় তিনি এখন জেলে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৩-১৪ সালে আন্দোলনের নামে অগ্নিসন্ত্রাস, মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। যেভাবে তারা জনগণকে নির্যাতন করেছে, বিদ্যালয়-সরকারি অফিস, বাস-ট্রাক পুড়িয়ে দিয়েছে। শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। এই হলো বিএনপির অপকর্ম। এসব অপকর্মে যারা জড়িত ছিল, বিশেষ করে অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে তো মামলা হবেই। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে মামলা, সেটা তার পছন্দের লোকদের হাতেই হয়েছে।
একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তারা (বিএনপি) যে ব্যাপক দুর্নীতি করে অগাধ সম্পদের মালিক হয়েছে সেটা এখনও বোঝা যায়। এবারের নির্বাচনের সময়ও তাদের দুর্নীতির চিত্র দেখেছি। বিএনপি নির্বাচন করতে আসেনি। নির্বাচনকে তারা বাণিজ্যক্ষেত্র বানিয়েছিল। একেকটা আসনের পেছনে যে টাকা, তাদের যে নমিনেশন বাণিজ্য। ৩০০ আসনে ৬৯২ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। এক আসনে দুই থেকে চারজনকেও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, সকালে একজন বিকেলে আরেকজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আর যাদের নমিনেশন দিলে জিতত, তাদের না দিয়ে যারা মোটা অংকের টাকা দিয়েছে তাদেরই নমিনেশন দেয়া হয়েছে। টাকা খেয়ে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। এছাড়া নির্বাচনে প্রচারে আগ্রহ ছিল না তাদের। নির্বাচন উপলক্ষে বাণিজ্য করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএনপির। নির্বাচনের আগে বিএনপির এসব কর্মকা- জনগণ মেনে নিতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে তাদের ন্যূনতম আগ্রহ দেখা যায়নি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে, কিন্তু তারা জিততে পারেনি। লন্ডন থেকে ওহি নাজিল হয়। তারা জানে যে, জনগণ তাদের (বিএনপি) ওপর আস্থা রাখতে পারেনি। যে কারণে নির্বাচনের নামে বাণিজ্য করাকেই তারা মুখ্য বলে মনে করেছিল, সেটা তারা করে গেছে। জনগণের সমর্থন নিয়ে আমরা আবার সরকার গঠন করেছি। আয় বৈষম্য কমিয়ে এনে উন্নয়নের ছোঁয়া সর্বস্তরে পৌঁছে দেয়া আমাদের লক্ষ্য ছিল। সেটা আমরা করে যাচ্ছি। তবে একটা কথা বলব, দেশ এখন দ্রুত উন্নতি করছে। আমরা মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে এসেছি। কিন্তু একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশের উন্নয়ন চায়নি। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারা আগেও চক্রান্ত করেছে। এখনও তারা করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই বিভিন্ন জরিপ বলেছিল, আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসছে। আমাদেরও বিশ্বাস ছিল জনগণ আমাদের বারবার চায়। সে বিশ্বাস আমরা বাস্তবে দেখেছি। আর নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। ২০০৮-এর নির্বাচনেও কোনো প্রশ্ন ছিল না। এছাড়া জনগণের সেবা করতেই আমরা নির্বাচন করি। মনোনয়ন বাণ্যিজের কারণেই বিএনপি নির্বাচনে জিততে পারেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লন্ডন থেকে ওহি আসে, আর সে হিসেবে বিএনপি নেতারা প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছেন বিপুল টাকার বিনিময়ে। এভাবে ক্ষমতায় আসা যায় না, চোর হওয়া যায়।
সেলফি না তুলে কয়েক বালতি পানি আনলেই হয় : সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আগুনের সময় উৎসুক জনতার ভিড়ের সমালোচনা করে খামাখা কিছু লোক অহেতুক ভিড় করে। এদের কারণে ফায়ার সার্ভিস ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এরা দাঁড়িয়ে থেকে সেলফি তোলে। এখানে সেলফি তোলার কী আছে বুঝলাম না। সেলফি না তুলে তারা কয়েক বালতি পানি আনলেই পারে। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। বেশ কিছু লোক হতাহত হয়েছেন। যারা মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। কিছুদিন পরপরই আগুন। যদিও ছোটবেলা থেকে আমরা জানি চৈত্র-বৈশাখ মাসে আগুন লাগার প্রবণতা বেশি। তবে একটা কথা বলব, উত্তেজিত লোক ফায়ার সার্ভিসের একটা গাড়িও ভেঙে দিয়েছে। একটি গাড়ি কিনতে ৯-১০ কোটি টাকা খরচ পড়ে। ফায়ার সার্ভিস আসতে দেরি হচ্ছে কেন সেজন্য ফায়ার সার্ভিসের লোকদের মারছে। সেটা না করে এক বালতি পানি এনে নেভানোর চেষ্টা করত তাহলে ভালো কাজ হতো।
শেখ হাসিনা বলেন, ফায়ার সার্ভিসের আহত একটা অল্প বয়সী ছেলে তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হচ্ছে। অকারণে সেখানে ভিড় করে। ফায়ার সার্ভিস যেতে পারে না। ছবি তোলে, সেলফি তোলে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করুক, উদ্ধার কাজ করুক। তা না করে সেলফি তোলে। আমি অবাক হয়ে যাই। এ ধরনের ঘটনায় কীভাবে সহায়তা করা যায়, সেটা না। পরে আমি আইজিপি’কে বললাম, সবাইকে যেন আহ্বান করা হয় তারা রাস্তা থেকে যেন লোকজনকে সরিয়ে দেয়। পরে তারা সেটা করেছে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় মিডিয়ারও ভূমিকা আছে। মিডিয়া যখন সরাসরি সম্প্রচার করে তখন মানুষের আগ্রহ বেড়ে যায়। ভিড় বাড়ে। এ কারণে মিডিয়াকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। আরেকটা সমস্যা হলো পানির সমস্যা। যদিও ওয়াসার পানি আছে, কোনো সমস্যা হলে ওয়াসার পানি পাওয়া যায়। তিনি বলেন, এই যে গুলশান লেক। এটি এখন যেমন আছে, এক সময় দ্বিগুণ ছিল। একেকজন ক্ষমতায় আসে, জিয়া ক্ষমতায় এলো গুলশান লেক অর্ধেক দখল করে প্লট বানিয়ে দিয়েছে। এরশাদ এসেছে প্লট বানিয়েছে। খালেদা জিয়া এসে প্লট বানিয়েছে। এভাবে বানাতে বানাতে লেকের অর্ধেক এখন আছে। আর বনানী লেকটা তো বন্ধই। এছাড়া ঢাকায় অনেক পুকুর ছিল, সেগুলো এখন নেই। এভাবে জলাধারগুলো একে একে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অন্তত যারা বাড়ি করছেন তাদের খেয়াল রাখতে হবে প্রত্যেকটা জায়গায় অন্তত একটা করে জলাধার যেন থাকে।
তিনি বলেন, দালানগুলো এমনভাবে বানানো হয় যে তার ফায়ার এক্সিট, ইন্টেরিয়ার ডেকোরেশন করতে গিয়ে ফায়ার এক্সিট বন্ধ। সেখান দিয়ে কারও ওঠার উপায় নেই, নামারও উপায় নেই। মার্কেটগুলো ফায়ার এক্সিটে মাল রাখার জন্য বা স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগুন লাগলে ফায়ার ব্রিগেট আগুন নেভাবে। কিন্তু আগুন যাতে না লাগে যারা দালানগুলো বানায়, যারা বসবাস করে, যারা ব্যবহার করে তাদেরও দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্বটাই পালন করা হয় না। আর সবকিছু হলে দোষ হলো সরকারের। আমরা বারবার বলি, যখন ডিজাইন দেয়া হয় তখনও বলি। কিন্তু অনেকেই তা মানে না। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয় বৈষম্য কমিয়ে এনে উন্নয়নের ছোঁয়া যেন প্রতিটি আনাচে-কানাচে পৌঁছে যায়, আমরা সেই কাজগুলো করে যাচ্ছি। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি, এগুলো শেষ হলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। হতদরিদ্র বলে কেউ থাকবে না, তৃণমূলের মানুষদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। এখন কেউ চাইলে কিন্তু অর্থ উপার্জন করতে পারে, চাইলে কাজ করতে পারছে লোকজন।
সভাপতি আরও বলেন, মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। মানুষ যেহেতু বিশ্বাস রেখেছে, সেই বিশ্বাস রাখার জন্য আমরা কাজ করছি। ২০৭১ সালে আমরা হয় তো থাকব না, যারা থাকবে, উন্নত দেশের নাগরিক হিসেবে তারা স্বাধীনতার শতবর্ষ পালন করবে।
আমেরিকার রেড অ্যালার্টের সমালোচনা : আমেরিকার সিকিউরিটি অ্যালার্টের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ দেখলাম আমেরিকা একটা সিকিউরিটি অ্যালার্ট দিয়েছে। কী কারণে তারা অ্যালার্টটা দিল তারা সেটা কিন্তু আমাদের কাছে বলেওনি, ব্যাখ্যাও দেয়নি। যদিও আমি ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি গোয়েন্দাদের যে, কী কারণে অ্যালার্ট দিয়েছে তাদের কাছে কোনো তথ্য আছে কি না। যদি কোনো তথ্য থাকে, কোনো ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে তাদের (আমেরিকা) একটা দায়িত্ব আছে আমাদের অন্তত সেই বিষয়টা জানানো। কিংবা আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে জানানো, যেন আমরা তা মোকাবেলা করার ব্যবস্থা নিতে পারি। তিনি বলেন, হঠাৎ আগুন লেগেছে, আগুন তো সব দেশেই লাগে। ওই আমেরিকাতেও একটা সার কারখানা থেকে শুরু করে হাসপাতাল সবই পুড়ে শেষ। কতজন মারা গেছে সেই খবর কেউ জানেও না। এ-রকম বহু ঘটনা ঘটেছে। লন্ডনে আগুন লেগে ৭০ জন মারা গেল। আরও যে কত লোক মারা গেছে সেটার হিসাবও নেই। সেখানে হিসাবও হয় না। উদ্ধার কাজও আমাদের মতো এতদিন কেউ চালায় না। তাই এই অ্যালার্টটা কেন দিল সেটা আমাদের জানার বিষয়। কী কারণে দিল? যদি আগামীতে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে তবে তাদের দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের জানানো। শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস একটা সমস্যা। এই সন্ত্রাস শুধু আমাদের দেশে না, সারাবিশ্বের সমস্যা। কিন্তু বাংলাদেশ অন্তত সফলতার সঙ্গে এই জঙ্গিবাদ দমন করতে পেরেছে। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সব সময় সজাগ। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তারা সবসময় সতর্ক এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে আমরা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। আর এখন যদি তাদের (আমেরিকা) কাছে কোনো তথ্য থাকে, তবে তাদের কর্তব্য আমাদের জানানো।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় অধিকাংশ সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি। বৈঠকে আলোচনা করে আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ইকরামুল হক টিটুকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করা হয়। দীর্ঘ বৈঠকে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি ছাড়াও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়। আগামী জাতীয় কাউন্সিলের আগেই তৃণমূল থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে আট বিভাগের জন্য ৮টি শক্তিশালী সাংগঠনিক টিমের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*