বিভাগ: সংস্কৃতি

জ্ঞানালোক পুরস্কার পেলেন অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ

8-6-2018 7-22-34 PMমাসুদ পথিক: সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘জ্ঞানালোক পুরস্কার’ প্রদান করেছে। গত ৩১ জুলাই বিকেল ৫টায় জাতীয় জাদুঘর সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
চিকিৎসাসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পথিকৃতের ভূমিকা রাখার জন্য ২০১৭ সালের ‘জ্ঞানালোক পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। এই পুরস্কার তুলে দিয়েছেন অনুষ্ঠানের প্রধান জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অধ্যাপক এ কে আজাদ খানকে ক্রেস্টসহ ১ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি রাজনীতিবিদ ও কবি নূহ-উল-আলম লেনিন। এছাড়াও প্রধান অতিথি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও অধ্যাপক এ কে আজাদ খানকে বিক্রমপুরের প্রতœত্ত্বাতিক খননের চিত্র উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ডা. এ কে আজাদ খানের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন সহ-সম্পাদক আবু হানিফ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডা. রশিদী মাহবুব। মানপত্র পাঠ করেন নৃত্যশিল্পী লায়লা হাসান।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তার বক্তৃতায় বলেন, অধ্যাপক এ কে আজাদ খান নানা গুণ ও যোগ্যতার জন্য সমাদৃত। তিনি অত্যন্ত বিনয়ী ও সৌজন্যপরায়ণ মানুষ। তার জ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানবতাবোধ ও দায়িত্ববোধ। বাংলাদেশের ডায়াবেটিক চিকিৎসাসেবায় তিনি একজন পথিকৃৎ। ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ মানুষের সেবা করে গেছেন। আর এ কে আজাদ সেই কাজকে আরও বড় করে তুলেছেন।
অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, সম্মাননা পেয়ে গর্বিত মনে করছি। একজন ডাক্তার হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা করাই আমার একমাত্র কাজ। আমি সেটাই করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাকে যতটুকু সম্মানিত করা হয়েছে ততটুকুর যোগ্য আমি নই। তবে আমি যোগ্য হয়ে উঠতে চেষ্টা করে যাব। অনুষ্ঠানের শুরুতে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন মোস্তাফিজুর রহমান তূর্য এবং নজরুল ইসলামের গান পরিবেশন করেন বুলবুল মহলানবীশ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন অধ্যাপক ঝর্ণা রহমান। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রাজনীতিবিদ ও কবি নূহ-উল-আলম লেনিন।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*