বিভাগ: ক্রীড়া

জ্বলে ওঠা বাংলাদেশ

টাইগারদের তেজোদীপ্ত সাফল্য

08(c)আরিফ সোহেঃ ক্রীড়াঙ্গনের অগ্রযাত্রা-অর্জন আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেন অভিন্ন এক সুতোয় গাঁথা। যখনই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে; তখনই ক্রীড়াঙ্গন তার সাফল্যের ডালপালা ছড়িয়ে দিয়েছে। ছড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বময়। পাকিস্তানের পর ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের অবিস্মরণীয় ঘটনা বাংলাদেশকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে একজন দূরদর্শী ক্রীড়াপ্রাণ প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা এবং খুব কাছ থেকে আন্তরিক তদারকির কল্যাণে। তবে বলতে দ্বিধা নেই ক্রিকেট তথা ক্রীড়াঙ্গনের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্ক নতুন কোনো ঘটনা নয়। কারণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনকেও গভীরভাবে ভালোবাসতেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনাও ক্রীড়াঙ্গনের প্রভূত কর্মযজ্ঞে গভীর ভালোবাসায় এঁকে দিচ্ছেন কর্মপরিধির ছক। যেখানে ক্রিকেট ক্রমেই হয়ে উঠছে সরকারের সাফল্য ও মর্যাদা বৃদ্ধির চাবিকাঠি।
কাকতালীয় হলেও সত্যি; আওয়ামী লীগ সরকার আমলেই ধারাবাহিকভাবে ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। আগেরবার ক্ষমতায় থাকাকালে ক্রিকেট এবং ফুটবলের জন্য আলাদা আলাদা স্টেডিয়াম তৈরি করেছিলেন। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তৈরি করা হয় ক্রিকেটের জন্য আলাদা স্টেডিয়াম। পাশাপাশি ফুটবলের জন্য কমলাপুরে ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের মাধমে বাংলাদেশকে আরও বেশি উজ্জ্বল করার জাতির স্বপ্নই বাস্তবায়িত করে চলছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই কারণে আজ বাংলাদেশের ক্রিকেট পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চলেছে। একের পর এক পালক লাগছে বিজয় মঞ্চে। সর্বশেষ সেখানে যোগ হয়েছে ভারত বধের মহাকাব্য।
9(c)ক্রিকেট পরাশক্তিদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তানের পর ভারতও সেই টগবগে বাঙালি টাইগারদের তেজোদীপ্ত রূপ দেখেছে। বাংলাদেশি ক্রিকেটের শক্তি ও সৌন্দর্য ক্রিকেট মোড়লদেরও নাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানকে সর্বতোভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশকে আরও উজ্জীবিত আরও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশকে দেখা গেছে। দুই নম্বর তালিকায় থাকা ভারতের অহঙ্কার ধূলিসাৎ করে দিয়েছে সিরিজ জয় করে। তাতে আরেক দফা ক্রিকেট বিশ্ব বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে পড়েছে। এ যেন গত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের কাছে বাংলাদেশের বিতর্কিত পরাজয়ের এক মধুর প্রতিশোধ।
একমাত্র টেস্টে বৃষ্টির ঝাপটায় বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ ড্র হলেও ওয়ানডে সিরিজে ভিন্ন এক মাশরাফি বাহিনী দেখা গেছে। যেখানে পাত্তাই পায়নি ভারত। প্রথম একদিনের ম্যাচে ভারতকে ৭৯ রানে হারানোর পর বাংলাদেশ দল নিয়ে কারোরই আর উন্নাসিকতার সুযোগ ছিল না। আর্বিভাবের অভিষেক ম্যাচে তরুণ মুস্তাফিজের দুনিয়া কাঁপানো বোলিং নৈপুণ্য অবাক করেছে ক্রিকেট বিশ্বকে। প্রথম ম্যাচের ৫ উইকেট নেওয়া মুস্তাফিজ দ্বিতীয় ম্যাচেও বিস্ময় সৃষ্টি করেছেন ৬ উইকেট নিয়ে। বাংলাদেশ এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতেছে ভারতের বিপক্ষে। এটাই প্রথম। তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ হেরে গেলেও মুস্তাফিজ কিন্তু ঠিকই ২ উইকেট তুলে নিয়েছেন। এটাও একটি ইহিতাস। নতুন মাইলফলক। এর আগে ওয়ানডে ইতিহাসে এমনটি দেখা যায়নি।
বলা যায়, উনিশের এক বাঙালি পেসারে নাজেহাল ভারতের শক্তপোক্ত ব্যাটিং লাইনআপ। তার মায়াবি অফ কার্টারেই সর্বস্বান্ত ভারতের ব্যাটিং দম্ভ। মুস্তাফিজের বোলিং ঝড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে উঠেছে নতুন এক সূর্য। উপমহাদেশের বাইরে ভারতীয় ব্যাটিং নিয়ে এতদিন প্রচলিত বিদ্রƒপ আবারও সত্যি প্রমাণিত করেছেন মুস্তাফিজ-তাসকিন-মাশরাফিরা। বাংলাদেশ বাঁ-হাতি পেসার নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর এক প্রতিভা। প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়া মুস্তাফিজুর দু-দুবার হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। এমএস ধোনি থেকে সুরেশ রায়না কাউকে পাল্টা মারের বর্শা ছুড়তে দেননি। তার স্লোয়ার কার্টারগুলো যখন দুঁদে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের টুঁটি ছিড়ে নিয়েছে, নিঃশব্দ মৃত্যুদূতের বাইরে মুস্তাফিজুরকে আর কিছু মনে হয়নি। পরপর দুই ম্যাচে ৫ উইকেট তোলা, ক্রিকেট-বিশ্বে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভিট্টোরির বাইরে কেউ করে দেখাতে পারেননি। মুস্তাফিজুর তাকেও ছাড়িয়ে গেছেন। ৩ ম্যাচের সিরিজে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি অস্ট্রেলিয়ার রায়ান হ্যারিস। ২০১০ সালে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ১৩ উইকেট। মুস্তাফিজ তার বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেছেন।
বাংলাওয়াশের শুরুটা হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে দিয়ে। একে একে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে এবং পাকিস্তান হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। এবার চোখ রাঙানির মুখে পড়েছিল ভারত। আগের ১০ হোয়াইটওয়াশের সাথে আরেকটি পালক লাগার স্বপ্ন-বিভোর বাংলাদেশকে শেষ ম্যাচে হারিয়েছে ভারত।  মাত্র সাত মাসেই বদলে গেছে বাংলাদেশ। বনে গেছে টিম বাংলাদেশ। উন্নতির সিঁড়িটা ছিল বিশ্বকাপ। যেখানে ইংল্যান্ডকে বধ করে বাংলাদেশ উঠেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। এরপর শুধুই সাফল্যের গৌরব-গাথা। ক্রমেই বাংলাদেশ যেন সাফল্যের চূড়াতেই উঠে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে তাদের যোগ্যতা। শুধু দুর্বল দলের বিপক্ষেই নয়, যোগ্যতা আছে শক্তিশালী দলকেও দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়ার। ভারতকে হারানোয়, দুর্বল দলকে সিরিজে হারানোর যে অপবাদ এতদিন বাংলাদেশ ক্রিকেটের গায়ে লেগে ছিল, তা এবার মুছে গেছে। এখন বাংলাদেশের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। এবার বাংলাদেশের ‘মিশন দক্ষিণ আফ্রিকা’ শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশে ৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সেই মিশন। দুটি টোয়েন্টি২০-ও প্রথমটি ৫; পরেরটি ৭ জুলাই। এরপর ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ যথাক্রমে অনুষ্ঠিত হবে ১০, ১২ ও ১৫ জুলাই। ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ মাঠে গড়াবে ২১-২৫ জুলাই। পরেরটি  ৩০ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট।
টেস্টে বাংলাদেশ এখনও পরিণত দল হয়ে উঠতে না পারলেও টোয়েন্টি২০ এবং ওয়ানডেতে বাংলাদেশ এখন ভয়ঙ্কর এক সমীহ জাগানিয়া দল। ২০১৪ সালের শুরু থেকে টানা ১২ ওয়ানডে হারা বাংলাদেশ নতুন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার হাত ধরেই যেন একেবারেই বদলে গেছে। দুর্জয় একটি দল হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিয়ে দেয়। ফিরে আসে জয়ের ধারায়। সেই ধারা অব্যাহত থাকবেই। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের মাধ্যমে র‌্যাংকিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ। তাতে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলাও নিশ্চিতও হয়েছে। কিন্তু সেখানে নতুন চক্রান্ত শুরু করছে পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাতেও তাদের রাজা বাঁচবে বলে মনে হচ্ছে না।
বিজয়ের আনন্দোল্লাস আর উত্তেজনায় ভাসছে সারাদেশ। ক্রিকেটের নব-পল্লবিত কাননে জেগে উঠেছে নতুন এক অধ্যায়। উন্নতির নেশা পেয়ে বসেছে টিম বাংলাদেশকে। জয়ের নেশা। এখন আর হারের পা-ুলিপির পাতা খুলে দেখেন না ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের সামনে এখন শুধু জয়ের বড় স্বপ্নে চোখ। সেই স্বপ্ন-প্রত্যাশা অনুপ্রেরণা খুঁজে ফিরছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও। বহুবর্ণিল আলোদীপ্ত উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশকে দেখেনি বলেই যেভাবে বিস্ময়ে স্বব্ধ হয়েছিল পাকিস্তান-ভারত; তেমন স্বপ্ন-প্রত্যাশার ঘুড়ি উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। যার কাটাকাটি ৫ থেকে শুরু।
দশম জাতীয় সংসদ সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারেই স্পষ্ট করে খেলাধুলা ও ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শিরোনামে নির্বাচনী ইশতেহারের ২৪.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছেÑ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, ভলিবল, গলফ, ভারোত্তলন, সাঁতার, জিমন্যাস্টিক প্রভৃতি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পারদর্শিতা এবং মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইশতেহারে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে কষ্টসহিষ্ণু, সাহসী এবং প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা যুবসমাজের প্রশংসা করা হয়েছে। পাকিস্তান-ভারতকে হারিয়ে সেই যুবসমাজের প্রতিনিধি ক্রিকেটাররা প্রমাণিত করেছেন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় আসলেই তারা অবিচল।
মহাজোট সরকারের ইতোমধ্যে পাঁচ বছর পেরিয়ে ছয় বছরে পা দিয়েছে। এই সময়ে যুব ও ক্রীড়াঙ্গনে সরকার সাফল্য বয়ে এনেছে তা ঈর্ষণীয় প্রশংসার দাবিদার। ক্রীড়া অন্তঃপ্রাণ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অকুণ্ঠ সমর্থন, আশীর্বাদ ও সহযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের চেহারা পাল্টে গেছে। কি দেশীয়; কি আন্তর্জাতিক অঙ্গন: সর্বত্রই বাঙালির জয়জয়কার চলছে। শিক্ষাক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সরকার নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ক্রীড়া ফেডারেশন নির্বাচনের ব্যবস্থা এবং ক্রীড়া খাতে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। বর্তমানে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন কাক্সিক্ষত পরিবর্তনের ধারায় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য বয়ে আনছে।
ক্রিকেট টেস্ট মর্যাদা অর্জন করেছে শেখ হাসিনার সরকার আমলে ২০০০ সালে। তৎকালীন বিসিবি সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার পরামর্শে আইসিসি থেকে টেস্ট মর্যাদা আদায় করে নিয়েছেন। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্রীড়া অনুপ্রেরণায় নিবেদিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আর আগে ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের ফুটবলাররা যখন নেপাল থেকে সাফ গেমসের স্বর্ণ জয় করেছিলেন, সেই সূর্য সন্তানদের বরণে শেখ হাসিনার সরকার বিজয় মঞ্চ সাজিয়েছিল। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে যখন বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল, সেই আনন্দে গা ভাসিয়েছেন শেখ হাসিনাও। এমনকি তাদের জন্য প্যারেড স্কোয়ারে বিশাল সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। শুধু আন্তর্জাতিক পর্যায়েই নয়, দেশের মাটিতে যখন বাফুফে আয়োজন করেছিল কোটি টাকার সুপার কাপ, সেখানেও ছুটে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজয়ীদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো মাঠে নেমেছিলেন। সবুজ ঘাসের ওপর দাঁড়িয়ে খেলোয়াড়দের সাথে ছবি তুলেছিলেন। ২০১১ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজনে সুযোগ পেয়েছে। সৌভাগ্য শেখ হাসিনার, এবারও তিনি প্রধানমন্ত্রী। এস গেমস আয়োজনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জনের ২০১২ সালের জাঁকজমকপূর্ণ বাংলাদেশ গেমস আয়োজন করা হয়েছে শেখ হাসিনা সরকার আমলেই। সেখানেও ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী মাঠে উপস্থিত হয়েছেন প্রাণের টানেই। এশিয়া কাপ এবং সর্বশেষ টোয়েন্টি২০ বিশ্বকাপ আসরকে সার্বিকভাবে সাফল্যম-িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার ক্রিকেট বিশ্বে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছেন। স্বয়ং আইসিসির প্রধান ডেভিড মরগান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*