বিভাগ: প্রবন্ধ

নৌকার পালে হাওয়া, অপ্রতিদ্বন্দ্বী শেখ হাসিনা

PMনূহ-উল-আলম লেনিন: মাত্র ক’দিন পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভাগ্য। গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা। ইতোমধ্যে সকল আশঙ্কা ও সংশয়-সন্দেহ দূর করে নির্বাচনকে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নানা কারণে আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা। এই মোড় পরিবর্তনের (Turning Point))-এর জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।

সংলাপ : অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন
আশঙ্কা ছিল বিএনপি-সহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না? অর্থাৎ সকলের কাক্সিক্ষত ‘সকল দলের অংশগ্রহণে’ নির্বাচনটি হবে কি না?
এই আশঙ্কাটি দূর হয়েছে। এর কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ইতোপূর্বে ২০১৩-১৪ সালের অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের অবস্থান ছিল- হত্যা, সন্ত্রাস ও সরকার উৎখাতের হুমকিদাতা বিএনপি নেতৃত্বের সাথে ‘আর কোনো সংলাপ’ নয়।
২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলার মামলায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে কেবল তৎকালীন বিএনপি সরকার নয়, স্বয়ং সে-সময়ের প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযুক্ত হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদ-ে দ-িত হওয়ার পর, পরিষ্কার হয়ে গেছে বিএনপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আদালত বলেছে, বঙ্গবন্ধু হত্যার ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রেনেড হামলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
অতঃপর কেউ ভাবতে পারেনি বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগ বা সরকার কোনো ধরনের আলোচনা বা সংলাপে বসবে। কিন্তু ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি, গণফোরাম, রবের জাসদ, মান্নার নাগরিক ঐক্য প্রভৃতি দল মিলে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ গঠনের পর ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘সংলাপের’ লিখিত প্রস্তাব জানান। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে অবাক করে দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংলাপের প্রস্তাবে সম্মতি জানান। তিনি সংবিধানের আওতায় যে কোনো বিষয়ে আলোচনার জন্য তার দ্বার খোলা রয়েছে বলে জানান। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সংলাপের সুনির্দিষ্ট দিন তারিখ জানিয়ে ফিরতি চিঠি দেন।
গত প্রায় দুই যুগের মুখ দেখাদেখি বন্ধের পর নির্ধারিত দিনে সংলাপ হয়। অত্যন্ত খোলামেলা পরিবেশে সাড়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হয়। শুধু একবার নয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আবেদনের প্রেক্ষিতে ছোট আকারে দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাম জোটসহ দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও সংলাপ এবং মতবিনিময় করেন। তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম তৃতীয় কোনো পক্ষের দূতিয়ালি বা মধ্যস্থতা ছাড়াই সরকার ও বিরোধী দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ফলপ্রসূ সংলাপ হয়। সংলাপের প্রশ্নে পূর্বতন অবস্থান পরিবর্তন করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংলাপে সম্মতি জানান এবং নিজে উদ্যোগী হয়ে অন্যান্য দলকেও সংলাপে আহ্বান জানান।
এই সংলাপের প্রত্যক্ষ ফল হলো নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ। সংলাপের দ্বিতীয় ফল হচ্ছে, রাষ্ট্রক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন ছাড়া যে অন্য কোনো বিকল্প নেই- সবার মনে এই উপলব্ধি সঞ্চারিত করা।
তৃতীয়ত; এই সংলাপের ভেতর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন যাবত চলমান সংঘাতময় (Conflicting) রাজনীতি অবসানের পথ খুলে দিয়েছেন।
সর্বশেষ তথা চতুর্থত; টেকসই গণতন্ত্রের পথে অভিযাত্রাকে নিষ্কণ্টক করার জন্য শেখ হাসিনা দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে চমক সৃষ্টি করলেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটিতে তিনিই নেতৃত্ব দিলেন।

PM2শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সফল রাষ্ট্রনেতা হিসেবে শেখ হাসিনার নতুন ভাবমূর্তি। গত ১০ বছর টানা রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার সাফল্য, তার সৃজনশীল উদ্ভাবনাময় নানা উদ্যোগ, দরিদ্র দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে উন্নীতকরণ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, সমুদ্রসীমা জয়, ভারতের সাথে স্থল সীমান্তচুক্তি বাস্তবায়ন, মহাকাশে দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট প্রেরণ, চরম দারিদ্র্যসীমার হার এ যাবতকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা, খাদ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন রূপায়ণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০,৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীতকরণ, প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান, শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭২ বছরে উন্নীতকরণ, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ প্রভৃতির ভেতর দিয়ে সারাবিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে বাংলাদেশের কলঙ্কমোচন করেছেন। পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে পিতার হাতে রচিত ১৯৭২-এর সংবিধানের ধারায় দেশকে পুনঃস্থাপিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্নয়নের জন্য শান্তির কূটনীতির প্রবক্তা হিসেবেও বাংলাদেশকে তিনি নতুন মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছেন।
এসব ইতিবাচক, যুগান্তকারী কর্মকা- ও সাফল্যের ভেতর দিয়ে শেখ হাসিনা কেবল বাংলাদেশের নয়, বিশ্বনেত্রী হিসেবে নিজের অবস্থানকে নতুন উচ্চতায় স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিএনপিতে নেতৃত্বের শূন্যতা : অস্তিত্ব রক্ষার সংকট
প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন এবং একাধিকবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এতিম শিশুদের জন্য প্রদত্ত অর্থ আত্মসাৎ করে বর্তমানে দ-প্রাপ্ত হিসেবে সাজা ভোগ করছেন। কেবল তিনি নন, তার ‘কীর্তিমান’ পুত্র তারেক রহমান মানিলন্ডারিং মামলার পাশাপাশি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত। তারেক রহমানকে উচ্চ আদালত পলাতক ঘোষণা করেছে। ‘মাতা-পুত্র’Ñ যারা বিএনপিতে জিয়ার উত্তরাধিকারী হিসেবে নেতৃত্বের আসনে বসেছিলেন, অদূর ভবিষ্যতে তাদের আর নেতৃত্বে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এসব মামলার উচ্চ আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তিকালে শাস্তির পরিমাণ যেমন বাড়তে পারে, তেমনি দ- মাথায় নিয়েই তাদের অবশিষ্ট জীবন কাটাতে হতে পারে। অর্থাৎ জিয়া পরিবারের শাসনাবসানের অনিবার্য পরিণতি ইতিহাসের নিয়তি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
খালেদা-তারেকের অবর্তমানে বিএনপিতে সৃষ্টি হয়েছে এক বিরাট নেতৃত্বের শূন্যতা। ধার করে ভিন্ন দলের নেতাকে মাথার ওপরে বসালেও ড. কামাল হোসেন যে বিএনপির নেতা হতে পারবেন না, এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রশ্ন উঠেছেÑ কে হবেন বিএনপির চেয়ারপারসন? কে দেবেন বিএনপিকে নেতৃত্ব?
বর্তমানে দৃশ্যত বিএনপিতে এমন কোনো সর্বজনমান্য গ্রহণযোগ্য নেতা নেই। দলটি এমনিতেই অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। ভবিষ্যতে নেতা নির্বাচন নিয়ে দলটি যদি আরও গভীরতর সংকটে পড়ে, তাতে বিস্মিত হওয়ার কিছু থাকবে না।
তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছেÑ জনগণ একজন সাহসী, প্রাজ্ঞ ও জনপ্রিয় নেতা খুঁজে বেড়ায়, যিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে দ-প্রাপ্ত হয়ে তার অতীতের সেই অবস্থানটি হারিয়েছেন। সাধারণ মানুষের চোখে তিনি একজন দুর্নীতিপরায়ণ এবং ব্যর্থ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিগণিত। তাই তাকে বা তার দুর্বৃত্ত পুত্রকে ঘিরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের লোক দেখানো ‘মাতম’ থাকলেও সাধারণ মানুষের মনে তাদের কোনো ইতিবাচক আসন নেই।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে বিশ্লেষকগণ ধারণা করছেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যজোটকে তাই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।
কিন্তু নেতৃত্বহীন এবং হাঁটু ভাঙা এই দলের পক্ষে কোনো গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সেই সম্ভাবনাও নেই। বিএনপি-জোট জয়লাভ করলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, বিএনপি নেতৃত্ব এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেন না। বিএনপির যে সাংগঠনিক অবস্থা এবং দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত নেত্রী-নেতাকে নিয়ে তাদের যে বিব্রতকর পরিস্থিতি, তাতে তারাও বুঝে গেছেন নির্বাচন করে কোনোমতে দলের নিবন্ধন এবং অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারাটাই তাদের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধাপরাধী জামাতকে ধানের শীষে নির্বাচন করতে দিয়ে বিএনপির জামাতিকরণ হচ্ছে বলে সিভিল সমাজের মূল্যায়নের সাথেও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা একমত। তাদের ধারণা, জামাতকে সাথে নেওয়ায় বিএনপি যে স্বাধীনতা-বিরোধী চক্রের দোসরÑ এ ধারণা জনমনে আরও দৃঢ় হচ্ছে। একটি উদার গণতান্ত্রিক দল হিসেবে যারা বিএনপিকে গড়ে তুলতে চান, তারা ইতোমধ্যেই হতাশ হয়েছেন।
বলা বাহুল্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিরোধী দলের আসনে বসতে পারলেও তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

অপ্রতিদ্বন্দ্বী শেখ হাসিনা : নৌকার পালে হাওয়া
দেশকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম, শেখ হাসিনা ছাড়া বর্তমানে অন্য কোনো নেতা নেই। আওয়ামী লীগেও যেমন তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার মতো কেউ নেই, তেমনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও শেখ হাসিনার তুলনীয় কোনো নেতা নেই। সার্বিক বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের একমাত্র অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা। একমাত্র তিনিই পারেন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অক্ষুণœ রেখে বাংলাদেশে সূচিত উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত করতে এবং উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করতে। শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই।
নৌকার পালে এখন জোর হাওয়া লেগেছে। হাল ধরেছেন আন্দোলন-সংগ্রামে, রাষ্ট্র পরিচালনায় সবচেয়ে অভিজ্ঞ, সবচেয়ে দক্ষ, সৎ ও দেশপ্রেমের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ জননেত্রী শেখ হাসিনা। ফলে সারাদেশে নৌকার পক্ষে সৃষ্টি হয়েছে অভূতপূর্ব গণজোয়ার।
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের তারপরেও সতর্ক থাকতে হবে। জোয়ার হলেই জয়লাভ নিশ্চিত হবে না। জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আনতে হবে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের সাফল্যের কথা যেমন তথ্য-উপাত্ত দিয়ে বোঝাতে হবে, তেমনি নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত আগামীদিনের অঙ্গীকারসমূহও সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।
নৌকার পক্ষে জোয়ার এবং শেখ হাসিনা অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা বলে আমাদের আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার দল। মুক্তিযুদ্ধের দল। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের দল। আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর দল। শেখ হাসিনার দল। আওয়ামী লীগই পারবে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে। দেশবাসীর মনে এই আস্থা ও বিশ্বাস জাগ্রত করার পাশাপাশি তাদের ভোটকেন্দ্রে হাজির করা এবং নৌকার বিজয় নিশ্চিত করা প্রতিটি আওয়ামী লীগ ও মহাজোট কর্মীর পবিত্র দায়িত্ব।
নির্বাচনকে নিয়ে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। কামাল-ফখরুল-জামাত গং যে কোনো অজুহাত সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল এবং অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করতে পারে। জনগণের জোট ও ভাতের অধিকার রক্ষায় তাই আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাসে এই নির্বাচনে আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*