বিভাগ: অন্যান্য

বাংলাদেশে বন্যা-পরবর্তী চাষাবাদ

50রাজিয়া সুলতানা: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে কিংবা কখনও কখনও অনভিপ্রেতভাবে বন্যা দুর্যোগ হিসেবে দেখা দেয়। চলতি বছরও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। তবে বাংলার মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করেই বাঁচতে শিখেছে। বন্যা-পরবর্তী সময়ে কৃষিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগও নতুন নয়। বরং সরকার এক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত বন্যা-উত্তর কৃষি চাষাবাদের পথ-পরিক্রমা সাজিয়ে দিচ্ছে। ফলে বন্যার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও অল্প সময়ের মধ্যে তৃণমূলের কৃষকরা পুষিয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছে। সেই সাথে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের নানা সাহায্য-সহযোগিতা, কৃষকদের অনুপ্রাণিতকরণে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের নানা কার্যকরী পদক্ষেপ সেই পালে হাওয়া লাগাচ্ছে।
কৃষি প্রধান বাংলাদেশ। এদেশে কৃষক তার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে। কৃষিতে সে বিনিয়োগ বাড়ায়। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বন্যার পর এদেশে বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি ও উদার সহায়তার কারণে স্মরণকালের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে কৃষি খাতে।
51এ বছর বাংলাদেশে বন্যা হয়েছে দুই পর্বে। প্রথমত; এপ্রিল মাসের গোড়ার দিকে আগাম বন্যা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনেক জায়গাই ভেসে গেছে। মেঘালয় ও ত্রিপুরার পাহাড়ে আর বারাক উপত্যকায় অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে এই বন্যা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে ভেসে গেছে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। আর দ্বিতীয় দফা বন্যার কারণ ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে টানা ভারী বর্ষণ। যার চরম শিকার হয়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল। ফলে ভেসে গেছে সিলেট, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জসহ দেশের নানা অঞ্চল।
আবহমানকাল হতেই বন্যার ক্ষতি সীমাহীন। দুর্ভোগ অবর্ণনীয়। তবে এর উল্টো পিঠে আশীর্বাদও আছে। বন্যায় সাথে আসা পলি জমির ওপর পড়ে তাতে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। তা ছাড়া রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহারের কারণে ক্ষতিকর কৃষি বিষয়সমূহও ধুয়ে যায়। তবে দুঃখের বিষয় হলো, বন্যার পানিতে জমির উপকারী অণুজীবগুলোও ধুয়ে যায়। সেই সাথে বন্যায় তৃণমূলের মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। বাড়িঘর ভেসে যায়। ভেসে যায় অনেক স্বপ্নও। দেখা দেয় নানা রোগবালাই। অনেক ক্ষেত্রে খাবার পানীয়সহ খাদ্যের অভাব সৃষ্টি হয়। এসব মানবিক দুর্ভোগ-দুর্যোগ মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকা সেই কষ্টের লাঘব করেছে। এমন কী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-দফতরের ঈদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক বন্যা-ব্যবস্থাপনার অবস্থার তদারকি করা হচ্ছে। এক কথায় প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করেই সোনার বাংলার কৃষি এগিয়ে যাচ্ছে।
বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে নাবী জাতের রোপা আমন ধান যেমন নাজিরশাইল, বিনাশাইল, লতিশাইল, গান্ধিশাইল, টেপা ও মুকুটশাইল, বিআর-২২, ২৩, ব্রি ধান-৪৬ এসব জাতের চারা দ্রুত রোপণের ব্যবস্থা করতে হবে। বন্যার পানি নেমে গেলে বিনাচাষে কাদার ওপর লালশাক, মুলাশাক, পালংশাক, ধনিয়া এসবের বীজ ছিটিয়ে বুনে দিতে হবে। একটু সচেতন হলেই একই জমিতে একাধিকবার এসব ফসল আবাদ করা যায় এবং লাভবান হওয়া যায়। আগাম ফসল পাওয়ার জন্য পলিথিনের ছাউনিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, পাতাকপি, ওলকপি, শালগম, টমেটো ও বেগুনের চারা তৈরি করে নেওয়া যায়, যাতে পানি নামার সাথে সাথে মূল জমিতে চারাগুলো রোপণ করা যায়। এ ছাড়া বিনাচাষে ভুট্টা, সরষে, গম, আলু, মাষকলাই, খেসারি, মটরশুঁটিও সরাসরি আবাদ করা যায়। রবি ফসলের একটা বিশাল অংশ দখল করে আছে আলু। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর জমিতে জো থাকা অবস্থায় চাষ ও মই দিয়ে বীজ আলু বপন করতে হবে এবং কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
বর্তমানে ভাসমান শাক-সবজির চাষ বেশ জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। পানিতে কচুরিপানা দিয়ে বেড তৈরি করে শাক আবাদ, সবজির চারা উৎপাদন এবং সবজির আবাদও করা যায়। ভাসমান পদ্ধতিতে কোনো রাসায়নিক সার ব্যবহার হয় না বলে পণ্যের মানও হয় অনেক ভালো। যেখানে বন্যার পানি দেরিতে নামে সেখানে বন্যামুক্ত উঁচু জায়গায় বীজতলা তৈরি করা দরকার। উঁচু জায়গার অভাবে কলাগাছের ভেলা বা চাটাইয়ের ওপর কাদামাটি দিয়ে ভাসমান বীজতলা তৈরি করে দড়ির সাহায্যে খুঁটি বা গাছের সাথে বেঁধে রাখা যায়। ভাসমান বীজতলায় উৎপাদিত চারা দুই সপ্তাহের মধ্যে উঠিয়ে জমিতে রোপণ করা যায়।
ধান চাষের ক্ষেত্রে নাবি জাতের ধান বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রি ধান-৪৬ নাজিরশাইল, বিনাশাইল, লতিশাইল, গান্ধিশাইল, পানিশাইল, মুকুটশাইলসহ স্থানীয় আমন ধানের বীজ ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বীজতলায় বপন করে চারা তৈরি করতে হবে।  বন্যার পানি সরে যাওয়ার পরপরই বীজতলার চারা জমিতে বপন করতে হবে এবং অনুমোদিত মাত্রায় সার ও বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। যদি কোনো কারণে চারা পাওয়া না যায় তা হলে স্থানীয় জাতের আউশ ধান যেমনÑ হাসিকলমি, সাইটা, গড়িয়া, গাইঞ্জা, পরাঙ্গির গজানো বীজ আশ্বিনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিটিয়ে বপন করা যাবে। সোনালি ফসল পাটের ক্ষেত্রে পাট গাছের ডগা কেটে মাটিতে পুঁতে দিলে এগুলো থেকে নতুন ডালপালা বের হয়ে তা থেকে মানসম্মত পাটের বীজ উৎপাদন হবে। বন্যার পানি নেমে গেলে বিনা চাষে গিমাকলমি, লালশাক, ডাঁটা, পালং, পুঁই, ধনে, ভুট্টা, সরষে, মাষকলাই, খেসারি, আলুও আবাদ করা যায়। শিম, লাউ এসব সবজি চারার গোড়ায় পানি এলে চারাগুলো মাটির পাত্রে বা কলার খোলে ভাসিয়ে রেখে পানি সরে গেলে আবার মাটিতে লাগিয়ে দেওয়া যায়।
বন্যার সময় ভাসমান বীজতলায় বা শুকনা জায়গার অভাব হলে টব, মাটির চাড়ি, কাঠের বাক্স, কাটা ড্রাম, প্লাস্টিকের ড্রাম, পুরনো টিন, পলিব্যাগ ও কলার ভেলায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, লাউ ও মরিচের আগাম চারা উৎপাদন করা যায়। তা ছাড়া বসতবাড়িতে উঁচু জায়গায় বা মাচা করেও সবজির চারা উৎপাদন করে পানি সরে গেলে রোপণের ব্যবস্থা করা যায়। বন্যার পানি সহনশীল লতিরাজ কচুর চাষ করা যায় বিনা বাধায়।
আবার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমির মাটি আলগা করে শুকনা ছাই এবং প্রয়োজনে অল্প মাত্রায় ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করে মাটির রস কমানো যায়। বন্যাকালীন সময়ে সংরক্ষিত বীজ রোদে শুকিয়ে ছায়ায় ঠা-া করে আবার সংরক্ষণ করতে হবে। রোপিত ফলের চারার গোড়ার পানি নিকাশের জন্য নালার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে গোড়ায় মাটি দিয়ে উঁচু করে সোজা করে খুঁটির সাথে বেঁধে দিতে হবে। গোড়ার মাটি শুকালে পরিমাণমতো সার দিতে হবে।
তুলা ফসলের ক্ষেত্রে বন্যার পর জমিতে জো আসা মাত্রই চাষ ও মই দিয়ে অথবা বিনা চাষে ডিবলিং পদ্ধতিতে তুলা বীজ বপন করতে হবে। প্রয়োজনে পলিব্যাগে বা বীজতলায় তুলা বীজের চারা তৈরি করে নেওয়া যায়। জমি থেকে পানি নেমে গেলে ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে। আখের জমি বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আগেই গোড়ায় মাটি দিয়ে ভালোভাবে বেঁধে দিতে হবে। পানির ¯্রােতে আখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে যথাসময়ে জমির আইলে ধঞ্চের বীজ বুনে দেওয়া ভালো। তাছাড়া পুরাতন পাতার প্রতি ঝাড়ে ৫-৬টি সুস্থ কুশি রেখে অতিরিক্ত কুশি কেটে দিতে হবে। গবাদি পশুকে যথাসম্ভব উঁচু জায়গায় রাখতে হবে। এদের বন্যার দূষিত পানি কিংবা পচা পানি খাওয়ানো যাবে না। বন্যার পানি নামার পরপর মাঠে গজানো কচিঘাস কোনো অবস্থাতেই গবাদি প্রাণিকে খাওয়ানো যাবে না। পুকুরের পাড় ডুবে গেলে ছোট ফাঁসযুক্ত জাল দিয়ে বা বাঁশের বেড় দিয়ে মাছ রক্ষা করতে হবে। পানি নেমে গেলে পুকুরের পাড় মেরামত ও জলজ আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। বিঘাপ্রতি ১৫-২০ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে। তা ছাড়া মাছের খাবার, সার নিয়মিত ও পরিমিতভাবে প্রয়োগ করতে হবে। জাল দিয়ে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।

বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার কৌশল

১. বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বা আংশিক হয়েছে এমন জমির ক্ষেত্রেÑ
ক. বন্যার পানিতে ভেসে আসা কচুরিপানা, পলি, বালি এবং আবর্জনা যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার করতে হবে। বন্যার পানি সরে যাওয়ার পর ৫ থেকে ৭ দিন কাদাযুক্ত ধানগাছ পরিষ্কার পানি দিয়ে প্রয়োজনে স্প্রে মেশিন দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে।
খ. বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপরই সার প্রয়োগ করা ঠিক না, এতে ধানগাছ পচে যেতে পারে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার ১০ দিন পর ধানের চারায় নতুন পাতা গজানো শুরু হলে বিঘাপ্রতি ৮ কেজি ইউরিয়া ও ৮ কেজি পটাশ সার উপরিপ্রয়োগ করতে হবে।
২. উঁচু জমিতেÑ যেখানে বন্যার পানি ওঠেনি সেখানে রোপণকৃত বাড়ন্ত আমন ধানের গাছ (রোপণের ৩০ থেকে ৪০ দিন পর) থেকে ২ থেকে ৩টি কুশি রেখে বাকি কুশি সযতেœ শিকড়সহ তুলে নিয়ে অনতিবিলম্বে অন্য ক্ষেতে রোপণ করা যেতে পারে।
৩. নিচু জমিতেÑ যেসব এলাকায় বন্যায় উঁচু জমি তলিয়ে যাওয়ার কারণে বীজতলা করা সম্ভব নয় সেক্ষেত্রে ভাসমান অথবা ভাসমান বীজতলা তৈরি করে চারা উৎপাদন করা যেতে পারে।
৪. পানি নামার পরÑ বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ব্রি উদ্ভাবিত আলোক সংবেদনশীল উফশী জাত যেমনÑ বিআর-৫, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রি ধান-৩৪, ব্রি ধান-৪৬, ব্রি ধান-৫৪ এবং নাইজারশাইলসহ স্থানীয় জাতগুলো রোপণ করতে হবে। এছাড়া ব্রি উদ্ভাবিত স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন জাত ব্রি ধান-৫৭ ও ব্রি ধান-৬২ রোপণ করা যেতে পারে।
ক. উল্লিখিত জাতগুলো নাবিতে রোপণের ক্ষেত্রে প্রতি গোছায় চারার সংখ্যা ৪ থেকে ৫টি এবং রোপণ দূরত্ব ২০ গুণিতক ১৫ সেন্টিমিটার করতে হবে।
খ. বিলম্বে রোপণের ফলে দ্রুত কুঁশি উৎপাদনের জন্য সুপারিশকৃত টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক ও ইউরিয়া সারের ৩ ভাগের ২ ভাগ জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া রোপণের ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে।
৫. পুনরায় বন্যাÑ যেসব এলাকায় পুনরায় বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম (উঁচু ও মধ্যম উঁচু) সেসব জমিতে অঙ্কুরিত বীজ সরাসরি জমিতে ছিটিয়ে বপন করা যায়। সেক্ষেত্রে রোপণ পদ্ধতির চেয়ে ৫ থেকে ৭ দিন আগে ফলন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৬. বন্যার ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া ধান গাছের যাবতীয় পরিচর্যাÑ যেমন : আগাছা দমন, পোকামাকড় ও রোগাক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা, সুষম পরিমাণে সার প্রয়োগ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূরক সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
৭. বন্যা-পরবর্তীÑ চারাগাছ সম্পূর্ণভাবে মাটিতে লেগে যাওয়ার সাথে সাথে ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতা পোড়া রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ৬০ গ্রাম থিওভিট ও ৬০ গ্রাম পটাশ সার ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে।
৮. বন্যা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনাÑ বন্যার পরবর্তী সময়ে ধান গাছে মাজরা, বাদামি ও সাদা পিঠ গাছফড়িং, পাতা মোড়ানো এবং পামরি পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য পোকা বিশেষে হাত জাল, পার্চিং এবং প্রয়োজন হলে অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।
৯. আগাম ফসলÑ দেশের উত্তরাঞ্চলে আগাম শীত আসার কারণে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলে ২০ সেপ্টেম্বরের পর আমন ধান রোপণ করা উচিত নয়। এক্ষেত্রে আগাম রবি ফসলের আবাদ করা যায়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর মানুষের কোনো হাত নেই। তবে সম্মিলিতভাবে সরকারের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করলে আমরা অবশ্যই বর্তমান জোট সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ২০২৪ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে পারব।

লেখক : কৃষিবিদ ও সমাজকর্মী

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*