বিভাগ: যুদ্ধাপরাধ

ভয়ঙ্কর যুদ্ধাপরাধী সাকা ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর

9উত্তরণ প্রতিবেদন: মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত জামাতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দ-াদেশ কার্যকর হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর গত ২১ নভেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একই মঞ্চে পাশাপাশি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের রায় কার্যকর করা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা ও ২০১৪ সালের ১১ এপ্রিল জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও আলবদর কমান্ডার মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ নিয়ে চার যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দ- কার্যকর করা হলো। এর আগে ২১ নভেম্বর দুপুরে দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরপর আইন মন্ত্রণালয় হয়ে রাত ৯টায় আবেদনটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পৌঁছায়। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাচক করার পর ৯টা ৪০ মিনিটে বঙ্গভবন থেকে বের হয়ে আসেন আইন সচিব। সেখান থেকে তিনি সরাসরি চলে যান ধানমন্ডিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায়। রাত ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাঁসির নির্বাহী আদেশের কপিতে স্বাক্ষর করেন। এরপর সেই কপি সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
মঞ্চ ঘিরে প্রস্তুতি ও ফাঁসি কার্যকর
কারা সূত্র জানায়, ফাঁসি কার্যকর করার আগে মঞ্চটিকে ঘিরে প্যান্ডেল টানানো হয়। রাত ৮টায় ফাঁসির মঞ্চে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে কারাগারে প্রবেশ করেন ইলেকট্রিশিয়ানরা। রাত পৌনে ৯টায় ফাঁসির মঞ্চে অতিরিক্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়। লাল-সবুজের সামিয়ানা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় ফাঁসির মঞ্চ। ফাঁসির মঞ্চের পশ্চিম ও পূর্ব দিকের দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়ানো ছিল ১২ সশস্ত্র কারারক্ষী। কারাগারের আশপাশের উঁচু বাড়ির ছাদে আগে থেকেই ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্তক পাহারা। কারাগারের আশপাশ ঘিরে গড়ে তোলা হয় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়। তবে রাত ১০টার পর কারাগারের বাইরের দিকের লাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কারা সূত্র জানায়, রাতেই আলী আহসান মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে গোসল করানো হয়। এরপর কারা মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মনির হোসেন তাদের তওবা পড়ান। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে দুজন করে চার কারারক্ষী ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যান সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও মুজাহিদকে। ৫ মিনিট পর ১২টা ৪৫ মিনিটে জল্লাদরা দুজনের ফাঁসি কাষ্টে ঝোলান। ১০ মিনিট তাদের ঝুলিয়ে রাখা হয়। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে তাদের দেহ নামিয়ে আনলে সিভিল সার্জন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এই দুই অপরাধীর মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের স্লোগানে মুখর কারাফটক
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে জড়ো হয়ে নানা রকমের বিজয়ের স্লোগান দেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদ-ের রায় কার্যকরের দাবিতে তাদের স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে কারাগার এলাকা। ওই দিন রাত সাড়ে ৯টার পর থেকেই কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে উপস্থিত হতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধারা। সময় গড়ানোর সাথে সাথে সেখানে বাড়তে থাকে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি। এ সমাবেশে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল। মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, এই দিনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। এখন সেই মুহূর্ত আমাদের সামনে এসেছে। এ সময় অন্য যুদ্ধাপরাধীদেরও অবিলম্বে ফাঁসিতে ঝোলানোর দাবি জানান তারা।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার : পাঁচ বছরে বিচার শেষ

সাকা চৌধুরী
১৬ ডিসেম্বর ২০১০ : সাকা চৌধুরী গ্রেফতার
১৪ নভেম্বর ২০১১ : অভিযোগ দাখিল
৪ এপ্রিল ২০১২ : ২৩ অভিযোগ গঠন
১ অক্টোবর ২০১৩ : ট্রাইব্যুনালে ফাঁসির রায়
২৯ জুলাই ২০১৫ : ফাঁসির রায় আপিলে বহাল
১৮ নভেম্বর ২০১৫ : পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ
২২ নভেম্বর ২০১৫ : ফাঁসি কার্যকর
কোন অভিযোগে কী সাজা
১. মধ্য গহিরা গণহত্যা ২০ বছর
২. নূতনচন্দ্র সিংহ হত্যা ফাঁসি
৩. জগৎমল্লপাড়া গণহত্যা ২০ বছর
৪. সুলতানপুর বণিকপাড়ায় গণহত্যা ফাঁসি
৫. ঊনসত্তরপাড়ায় গণহত্যা ফাঁসি
৬. মোজাফফর ও আলমগীরকে হত্যা ফাঁসি
৭. নিজামউদ্দিনকে নির্যাতন পাঁচ বছর
৮. সালেহউদ্দিনকে নির্যাতন পাঁচ বছর

মুজাহিদ
২৯ জুন ২০১০ : মুজাহিদ গ্রেফতার
১৬ জানুয়ারি ২০১২ : অভিযোগ দাখিল
২১ জুন ২০১২ : ৭ অভিযোগ গঠন
১৭ জুলাই ২০১৩ : ট্রাইব্যুনালের ফাঁসির রায়
১৬ জুন ২০১৫ : ফাঁসির রায় আপিলে বহাল
১৮ নভেম্বর ২০১৫ : পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ
২২ নভেম্বর ২০১৫ : ফাঁসি কার্যকর

কোন অভিযোগে কী সাজা
১. ফরিদপুরের রণজিৎ নাথকে নির্যাতন পাঁচ বছর
২. বদি, রুমীদের হত্যায় প্ররোচনা যাবজ্জীবন
৩. বুদ্ধিজীবী নিধনের ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতা ফাঁসি
৪. ফরিদপুরের বাকচর গ্রামে হত্যা ও নিপীড়ন যাবজ্জীবন

রিভিউ আবেদন খারিজ, রায় বহাল
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির সাজা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামাতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। গত ১৮ নভেম্বর সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ ওই দিন বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে দুটি আবেদনই খারিজ করে আদেশ দেন। আদেশের সময় প্রধান বিচারপতি শুধু বলেন, ‘ডিসমিসড… ডিসমিসড।’ এই বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেনÑ বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। প্রায় পাঁচ বছরের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আপিল বিভাগের এই আদেশের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার কার্যক্রম।

প্রতারণা করে শেষ রক্ষার চেষ্টা সাকার
মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য শুরু থেকে নানা অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী। গত ১৮ নভেম্বর বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ দিনেও সর্বোচ্চ আদালতের সাথে প্রতারণার চেষ্টা করেন তিনি।
ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে সাকা চৌধুরী যে আবেদন করেছিলেন, তার সাথে পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ‘সনদ’ ও ‘প্রশংসাপত্র’ জমা দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালে সাকা চৌধুরী যে পাকিস্তানের লাহোরে ছিলেন, তা প্রমাণ করতেই ওই নথি দেওয়া হয়েছিল। তবে পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির সময়ই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ ওই ‘সনদ ও প্রশংসাপত্রের’ বিষয়ে গুরুতর সন্দেহ পোষণ করেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার সত্যায়িত করা পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সনদ’-এর প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, সার্টিফিকেটে ১৯ সংখ্যাটি বড় আর ৭১ সংখ্যাটি ছোট। ট্রাইব্যুনালে এর আগে দেওয়া ডকুমেন্টের সাথে এগুলোর কোনো মিল নেই। একটা মিথ্যা ধামাচাপা দিতে শতটা মিথ্যা কথা বলছেন তিনি। প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, যখন এই বিচার শুরু হলো, তখন পাকিস্তান এই বিচারের বিরোধিতা করেছে। তারা এই বিচারের বিরুদ্ধে রেজল্যুশন (প্রস্তাব) পাস করেছে। সেখান থেকে যেসব নথি আসছে, প্রতিটিতে আমাদের সিরিয়াস ডাউট (গুরুতর সন্দেহ) আছে।
একপর্যায়ে খন্দকার মাহবুবের কাছে প্রধান বিচারপতি ৪টি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, ট্রাইব্যুনাল ও আপিল বিভাগে নথিগুলো জাল প্রমাণিত হওয়ার পরও নতুন করে কেন নথি দেওয়া হয়েছে? দ্বিতীয়ত, লন্ডন-ওয়াশিংটন থেকে হলফনামা দেওয়া হয়েছে; কিন্তু পাঞ্জাব থেকে দেওয়া হয়নি কেন? তৃতীয়ত, কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন? চতুর্থত, ২০১২ সালের নথি এখন কেন দিচ্ছেন?
জবাবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আপনাদের ডাউট হলে আমাদের বেনিফিট হবে। আপনারা তদন্ত করেন। রায় দিতে গেলে সন্দেহের ঊর্ধ্বে উঠে রায় দিতে হবে।
সাকা চৌধুরীর পক্ষ থেকে যে ‘সনদ ও প্রশংসাপত্র’ দেওয়া হয়েছে, তাতে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ধরনের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। ওই ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেটে সেশন লেখা ১৯৭১, তবে প্রশংসাপত্রে সেশন ১৯৭০-৭১। সনদে ১৯৭১ লেখার মধ্যে ১৯ সংখ্যাটি অনেক বড়, ৭১ সংখ্যাটি খুব ছোট। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামেও পার্থক্য রয়েছে। সনদে লেখা ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব দ্য পাঞ্জাব’, প্রশংসাপত্রে লেখা ‘ইউনিভার্সিটি অব দ্য পাঞ্জাব’। আবার সনদ ও প্রশংসাপত্রে পাঞ্জাব বানান দুই ধরনের। এমনকি খোদ সাকা চৌধুরীর নামের বানান দুটিতে দুই ধরনের। সনদে নামের বানানে ‘এইচ’ থাকলেও প্রশংসাপত্রে ‘এইচ’ নেই।
পরে এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, এটা আদালত গোচরে আনেন নি। আমরাও বলেছি, এই কথিত সার্টিফিকেট গ্রহণ করা যাবে না। কারণ, এটা ২০১২ সালে ইস্যু করা। …কোনো বিদেশি কাগজ সেই দেশের নোটারি পাবলিকের সামনে সত্যায়িত করতে হয়। সেটা সাইন করেন সেখানে আমাদের দেশের রাষ্ট্রদূত বা অন্য কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। পাকিস্তানে আমাদের হাইকমিশনার ওই নথিতে সই করেন নি। সুতরাং এটাকে কাউন্টার সাইন করার প্রশ্ন আসে না। আইনি প্রক্রিয়ায় এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাকা চৌধুরীর ভর্তি দেখানো হয়েছে ১৯৬৮ সনে, তারা (আসামিপক্ষ) বলেছেন তিনি ক্রেডিট ট্রান্সফার করেছেন। ওই সময় আমি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) পড়তাম। ওই সময় আমাদের কোনো সেমিস্টার সিস্টেম ছিল না। তাই ক্রেডিট ট্রান্সফারের কোনো নিয়ম ছিল না। সেমিস্টার সিস্টেম চালুর পর আমাদের দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফারের বিষয়টি চালু হয়।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালান সাকা চৌধুরী। ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর তার ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওই রায় ঘোষণার আগে রায়ের খসড়া ফাঁস হয়ে যায়। রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনালে সাকা চৌধুরী বলেন, ওই রায় তো একদিন আগে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা এখনও বিচারাধীন, যার আসামি সাকা চৌধুরীর স্ত্রী, ছেলে ও আইনজীবী। আর বিচারের প্রক্রিয়াকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য বিচারক, রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি, এমনকি নিজের আইনজীবীর প্রসঙ্গে অশালীন বক্তব্য বা ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করতে ছাড়েন নি তিনি।­

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*