বিভাগ: প্রতিবেদন

শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারে ঐকমত্য

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর

উত্তরণ প্রতিবেদন: গত ১২ এপ্রিল ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দরে তাকে লাল গালিচা সম্বর্ধনা জানান। ১৩ এপ্রিল দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটান পারস্পরিক স্বার্থে তাদের দেশীয় বাজারে উভয় দেশের বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার নিয়ে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেছে। ‘বাংলাদেশ এবং ভুটানের মধ্যে গত ১৩ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ভুটান বাংলাদেশের বাজারে দেশটির ১৬ পণ্যের শুল্ক এবং কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার চেয়েছে আর বাংলাদেশ চেয়েছে তাদের বাজারে ১০ বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার’, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এ-কথা বলেন। প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটানের ১৬টি পণ্যের বাংলাদেশের বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। শহীদুল হক বলেন, আজকের দ্বিপাক্ষিক আলোচনাটি খুবই ইতিবাচক হয়েছে এবং আলোচ্য বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ায় এগুলো কার্যকর হবে বলেও আশা করা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুটান সফরের সময়ও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে পররাষ্ট্র সচিব উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বলেছেন, বাংলাদেশের ১০টি পণ্যের কোটা ও শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মনে করি, দুদেশই এটি কার্যকরের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে, এখন এটি বাস্তবায়ন পর্যায়ে কাজ করতে হবে।’ পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য খাতের বিষয়ে আলোচনায় প্রাধান্য দেওয়া হয়। ট্রানজিটের বিষয়ে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) সড়ক এবং রেল যোগাযোগের বিষয়টি একটি বড় উদ্যোগ। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘যদিও সকল দেশই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে তথাপি ভুটানের সংসদে এটি অনুসমর্থিত হয়নি। তবে, ভুটানের নতুন সরকার বলেছে এই উদ্যোগ সংক্রান্ত বিলটি তাদের সিনেটের উচ্চকক্ষে আলোচনার জন্য পুনরুত্থাপিত হবে এবং তারা এটি পাসের বিষয়ে আশাবাদী।’ ভুটানের সংসদে বিলটি অনুমোদিত হলে আলোচ্য ৪টি দেশের মধ্যে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ঢাকা এবং থিম্পুর মধ্যে বৈঠকের পর স্বাস্থ্য, কৃষি, জাহাজ শিল্প, পর্যটন এবং জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ৫টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকা-থিম্পুর সম্পর্ক ‘গভীর এবং ঐতিহাসিক’ কেননা ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটানই সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। ‘যে কোনো সম্পর্কের থেকেই এই সম্পর্ক অনেক বেশি গভীর এবং বছর বছর আমাদের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সম্পর্ক ক্রমেই গভীর এবং সম্প্রসারিত হয়েছে’ যোগ করেন তিনি।
শহীদুল হক বলেন, ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুটান সফরের পর দুদেশের ব্যবসার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তখন থেকেই পর্যটন খাতে দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, দুদেশের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল গভীরই হয়নি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন ব্যবসা, বাণিজ্য এবং পর্যটন খাতে এই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, দুদেশের মধ্যে বৈঠকে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা হয়েছে, যেহেতু এই বিষয়ে আগে থেকেই আলোচনা চলছে ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং এটি এই অঞ্চলে বাজারজাতকরণের বিষয়ে। আর বাংলাদেশ এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগেও আগ্রহী। এই বিষয়ে আলোচনা অনেকদূর এগিয়েছে এবং আমরা আশা করছি, এই বিষয়ে শিগগিরই একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, বলেন তিনি। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং এই উৎপাদিত বিদ্যুৎ ভারত ও বাংলাদেশে বাজারজাতকরণ শুরু হলে এই তিন দেশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, ভুটান তাদের স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসকের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক নেওয়ার বিষয়েও আগ্রহ দেখিয়েছে। এ-প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবেও এই বিষয়ে খেয়াল রাখবেন, কেননা স্বাস্থ্য খাতে দুদেশের সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজ এবং নার্সিং কলেজে ভুটানের শিক্ষার্থী কোটা ১০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। শহীদুল হক বলেন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এ-সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন বলে তিনি জানান। লোটে শেরিং, যিনি নিজেই একজন চিকিৎসক, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের অটিজম খাতে ব্যাপক অবদানেরও প্রশংসা করেন।
ঢাকা-থিম্পু ৫ চুক্তি সই : স্বাস্থ্য, কৃষি, জাহাজ চলাচল, পর্যটন ও জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ বিষয়ে সহযোগিতা জোরদারে ঢাকা ও থিম্পু ৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। গত ১৩ এপ্রিল সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) দুদেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনার পরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে পরিবহন এবং ট্রানজিট কার্গো চলাচলে অভ্যন্তরীণ জলপথ ব্যবহারের বিষয়ে দি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। নৌ পরিবহন সচিব আবদুস সামাদ এবং ভুটানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব দাশো ইয়েসি ভাংদি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং রাজকীয় ভুটান সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা চুক্তিতে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম এবং ভুটানের স্বাস্থ্য সচিব উগানদা দফু। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এবং ভুটানের কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি বিভাগের মধ্যে সমজোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিএআরসি’র নির্বাহী পরিচালক কবির ইকরামুল হক ও ঢাকায় ভুটানের রাষ্ট্রদূত সোনম তোপদেন রাবগি। বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) এবং ভুটানের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (আরআইএম) মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিপিএটিসির রেক্টর ড. এম আসলাম আলম এবং ভুটানের রাষ্ট্রদূত সোনম তোপদেন রাবগি। পাশাপাশি, দুদেশের মধ্যে পর্যটন খাতে সহযোগিতা বিষয়ে ভুটানের পর্যটন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান কবির এবং ভুটানের রাষ্ট্রদূত সোনম তোপদেন রাবগি নিজ নিজ পক্ষে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চিকিৎসকদের আগে ভালো মানুষ হতে হবে : ভুটানের প্রধানমন্ত্রী
চিকিৎসকরা মানুষের জীবন নিয়ে কাজ করেন, আর তাই রোগীদের প্রতি মানবিক হতে হবে চিকিৎসকদের। প্রতিটি রোগীর প্রতি মনোযোগী হতে হবে। একজন ভালো চিকিৎসক হতে চাইলে সবার আগে একজন ভালো মানুষ হতে হবে।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং গত ১৪ এপ্রিল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সময় এসব কথা বলেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এই সাবেক ছাত্র এবং চিকিৎসক এ-সময় তার অতীত স্মৃতির কথাও বর্ণনা করেন। ডা. লোটে শেরিংয়ের ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগমনে সাবেক সহপাঠী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছিলেন উচ্ছ্বসিত। বাংলা নববর্ষের পহেলা বৈশাখে ডা. লোটে শেরিংকে বরণ করতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যাপক আয়োজন ও প্রস্তুতি গ্রহণ করে। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় পুরো কলেজ ও হাসপাতাল ক্যাম্পাসকে।
১৪ এপ্রিল সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হেলিকপ্টারে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবতরণের পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবর্ধনা সভা ও মতবিনিময়ে যোগ দেন বেলা ১১টায়। প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের বক্তৃতার বেশির ভাগ জুড়ে ছিল ডা. লোটে শেরিংয়ের ময়মনসিংহে অবস্থানকালীন স্মৃতি রোমন্থন। নগরীর বাঘমারা মেডিকেল বিদেশি ছাত্রাবাসের ওয়েস্ট ব্লকের তিন তলা ভবনের ২০ নম্বর কক্ষে থাকতেন ডা. লোটে। হাসপাতালের ৬ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ড ও মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগে ছিল পদচারণা। বক্তৃতায় উঠে এসেছে স্মৃতিমাখা সেসব দিনের কথা। চিকিৎসক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা আর উপলব্ধির কথাও তুলে ধরেছেন এ-সময়। বলেছেন চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে সম্পর্ক তৈরির কথা। বাদ যায়নি চিকিৎসক হয়েও ডা. লোটে শেরিংয়ের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার নেপথ্য কাহিনির কথা। ডা. লোটে বলেন, পেশা ছেড়ে তিনি রাজনীতিতে আসেন নি। তিনি বলেন, গত ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চাকরি না করে, দেশ না ছেড়ে ভুটানের মানুষের জন্য ভেবেছি, তাদের জন্য কাজ করেছি, চিকিৎসাসেবা দিয়েছি। আজ আমি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। কলেজ মিলনায়তনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন। এ-সময় ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. টান্ডি দরজি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী লায়োনপু দিহেন ওয়াংমু, ডা. লোটের স্ত্রী ডা. উগেন ডেমা, বাংলাদেশের ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্তী ডা. এনামুল রহমান, স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, জেলা প্রশাসক ড. সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন, ময়মনসিংহ মেডিকেলের উপ-পরিচালক ডা. লক্ষ্মী নারায়ণ মজুমদার ও বিএমএ সভাপতি ডা. মতিউর রহমান ভূইয়াসহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ হাসপাতাল ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ডা. লোটে শেরিংকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা শেষে ডা. লোটে শেরিং যোগ দেন মেডিকেল কলেজের ২৮তম ব্যাচের সাবেক সহপাঠীদের সঙ্গে ২ নম্বর গ্যালারিতে। এখানে তিনি সহপাঠীদের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণের আনন্দ ভাগাভাগিসহ গল্প আর আড্ডায় মেতে ওঠেন। স্মৃতিমাখা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে মর্ধাহ্নভোজ শেষে ডা. লোটে স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহ ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*