বিভাগ: অভিমত

সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ ও আশাবাদ

২৮ সেপ্টেম্বর জননেত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিন

উত্তরণ প্রতিবেদন:

51 মো. সামসুল আলম
বীর মুক্তিযোদ্ধা
গ্রাম : মাইজবাড়ী
পো : নগদাবাড়ী
উপজেলা : গোপালপুর
জেলা : টাঙ্গাইল
অত্যাধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অগ্রপথিকের জন্মদিবস ঘটা করে পালন করা হোক। এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বার্থে তার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও আশীর্বাদ চাইব।
অন্য নেতারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। সত্যিকারের দেশপ্রেম তাদের কাছে খুঁজে পাওয়া যায় না। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের আপামর জনগণের সুখ-দুঃখের সাথী, তিনি বৈষয়িক লোভ-লালসা ত্যাগ করে জীবন-মৃত্যুর হুমকি থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে তৎপর রয়েছেন।
যুদ্ধপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন করা।
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেÑ প্রধানমন্ত্রীর এই স্লোগান একেবারে যথার্থ। কারণ সারাবিশে^ অর্থনৈতিক মন্দা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বিদেশি সাহায্য ছাড়াই বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই এ দেশ নি¤œমধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্বারাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব, অন্য কারও দ্বারা সম্ভব হতো না এবং বাকি বিচারও সম্পন্ন হবে না অন্য কেউ ক্ষমতায় এলে। অন্য রাজনৈতিক দলগুলো সন্ত্রাসের মদতদাতা।

51bমো. সহিদুল ইসলাম
গ্রাম : সিচাড়পাড়া
পো : বেলুপাড়া
উপজেলা : সোনাতলা
জেলা : বগুড়া
অনেক ষড়যন্ত্র, অনেক কূটকৌশল, অনেক ধকল মোকাবিলা করে আজ দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই মহান নেত্রী বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মজয়ন্তীতে জানাচ্ছি পৃথিবীর সব সুগন্ধি ফুলের শুভেচ্ছা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যসব নেতাদের চেয়ে ভিন্নÑ এ কথাটির সাথে আমি ১০০ ভাগ একমত এজন্য যে, একজন দেশনেত্রীর যতগুলো গুণ থাকা চাই তা তার মধ্যে বিরাজমান। তিনি প্রকৃতপক্ষে দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসেন, তা তিনি কাজে প্রমাণ দেখান। অন্যপক্ষে অন্যসব নেতারা মুখে শুধু বলে দেশকে ভালোবাসে দেশের মানুষকে ভালোবাসে; কিন্তু কাজে তার উল্টোটা করে থাকে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বদা দেশের কল্যাণে এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি কাজ আমার পছন্দ। কারণ একটাই, তিনি দেশের স্বার্থে কাজ করে থাকেন। তিনি সৎ, ন্যায় ও নিষ্ঠাবান। তাই তিনি কোনো কাজে বিরোধী শক্তিকে ভয় পান না।
দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেÑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্লোগানের সাথে আমি শতভাগ একমত, কারণ দেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে। বিদ্যুৎ আজ দেশের ঘরে ঘরে প্রায় পৌঁছেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং হচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ও ডিজিটাল সুবিধা পাচ্ছে। ছয়-সাত বছর আগেও কলেজ-বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছাত্র-ছাত্রীদের দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছোটাছুটি করে ভর্তি ফরম এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়েছে। কিন্তু আজ ডিজিটালের ছোঁয়ায় ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে সেই কাজটি করতে পারছে শিক্ষার্থীরা। এতে যেমন চরম কষ্ট লাঘব হয়েছে তেমনি অর্থও সাশ্রয় হচ্ছে। দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা কম সময়ে এবং কম খরচে বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদন বাড়ছে। দেশে শিল্পায়নের উন্নয়ন হচ্ছে, যার ফলে কর্মসংস্থান বাড়ছে এবং দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে। তা ছাড়া যুব উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে যুব কর্মসংস্থান হচ্ছে। এক কথায় প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

51cবীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আ. মান্নান
সহকারী কমান্ডার সাংগঠনিক
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ
উপজেলা শাখা, শ্রীবরদী, শেরপুর
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিবসে তাকে আমি লাল গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। কারণ যার মন ফুলের মতো পবিত্র ও উদার। চাঁদে কলঙ্ক আছে কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কোনো কলঙ্ক খুঁজে পাওয়া যায় না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার, তার সব সম্পদ দেশের মানুষের কল্যাণে দান করেছেন। এসব কারণে তিনি অন্য নেতাদের থেকে ভিন্ন।
প্রধানমন্ত্রীর ‘শোষণহীন দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার কর্মসূচি’ আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। তা ছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কার্যক্রমকে আমি আরও বেশি ভালোবাসি।

52aমো. কাদির আকন্দ
পিতা : আফির উদ্দিন আকন্দ
গ্রাম : ভাওয়াল গাজীপুর
গাজীপুর সদর, গাজীপুর
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা গণতন্ত্রের মানসকন্যা সফল রাষ্ট্রনায়ক বাংলাদেশের উন্নয়নের পথিক গণমানুষের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিনে পরম করুণাময়ের কাছে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে, সুনিদিষ্ট লক্ষ নির্ধারণ করে বাস্তবায়ন করুন। অন্যরা গতানুগতিক রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে তাদের বিচারকার্য সম্পন্ন করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করা। এবং খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সঠিক ও সক্রিয় সিদ্ধান্ত।
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেÑ প্রধানমন্ত্রীর এই স্লোগানের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। কারণ, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ভুল বা আপস করবেন না বলে আমি বিশ^াস করি। সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে, সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এবং সকল কর্মী-সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ করে আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

52bমো. জাফর আলী
কৃষক, জয়দেবপুর
গাজীপুর সদর, গাজীপুর
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অবিসাংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের পক্ষে শ্রদ্ধাপূর্ণ শুভেচ্ছা।
আপনার জন্মদিন বাঙালি জাতির জন্য অনেক সৌভাগ্যের দিন। আপনার পিতার জন্ম না হলে যেন বাংলাদেশ নামের ভূ-খ- আমরা পেতাম না, পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না, তেমনি আপনার জন্ম না হলে সামরিক শাসকদের হাত থেকে গণতন্ত্র পেতাম না, পেতাম না শোষণমুক্ত বাংলাদেশ, আমরা পেতাম না জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ, যুদ্ধাপরাধীমুক্ত বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি পেত না জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও বিচারের রায়ের বাস্তবায়ন।
শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে সাফল্য, অর্থনীতিতে অগ্রগতি, তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশ অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। ভিশন ২০২১-এর মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া এখন আর স্বপ্ন নয় বাস্তবে রূপ নিয়েছে। শিক্ষার অগ্রগতি নারী শিক্ষার প্রসার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের জাতীয়করণ এগুলো সবই আপনার জন্য হয়েছে। রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্টÑ ঢাকার দৃষ্টিনন্দন ফ্লাইওভার ব্রিজ, যমুনা সেতু ও রেললাইন নির্মাণ এবং বর্তমানে পদ্মা সেতুর মতো স্বপ্নের সেতুর বাস্তবায়নের কাজ শুরু মেট্রোরেলের কাজ শুরু ইত্যাদি কাজ বাস্তাবায়নের কথা বলে স্বল্প পরিসরে শেষ করা যাবে না।
আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পাহাড়ে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে শান্তি ফিরে এসেছে। ভারতের ছিটমহল বিনিময় সম্ভব হয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্র বিজয় হয়েছেÑ এসব সম্ভব হয়েছে একমাত্র আপনার যোগ্য নেতৃত্বে ও দেশ পরিচালনায়। তাই দেশ আজ নি¤œমধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ^দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছে। আর সে হিসেবে আপনি বারবার ছিনিয়ে এনেছেন বিশ^দরবার থেকে বিভিন্ন সম্মানজনক স্বীকৃতি।
ঘাতকরা বারবার আপনাকে হত্যা করতে চেয়েছে। কিন্তু এ দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য আল্লাহ আপনাকে বারবার বাঁচিয়ে রেখেছেন। সেজন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া। তাই আপনার এই জন্মদিনে আল্লাহর কাছে প্রার্থনাÑ আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘায়ু দান করুন, সুস্বাস্থ্য ও সুস্থ রাখুন। ভোট ও ভাতের লড়াইয়ের জন্য দুঃখী মানুষের জন্য দেশের উন্নয়নের জন্য, জঙ্গিমুক্ত, বঙ্গবন্ধুর খুনিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য আপনার মতো প্রধানমন্ত্রীর বারবার দরকার এ কামনায়।

52cপিয়ারা বেগম
কাঁচামাল ব্যবসায়ী ও গৃহিণী
স্বামী : রফিজ উদ্দিন
গ্রাম : হাতিয়ার, ২৩নং ওয়ার্ড
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
জননেত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিন। আমি দোয়া করি উনি যেন সুস্থ থাকেন এবং আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারেন। আমি একজন কাঁচামাল বিক্রেতা। আমি প্রতিদিন আমার গ্রাম থেকে কাঁচামাল কিনে এনে বিক্রি করি। আমার মা যেমন আমার কাছে খুব প্রিয় এবং সব সময় আমাকে বটগাছের মতো ছায়া দিতেন। আমাদের নেত্রীকেও আমার সেরকমই মনে হয়। উনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে, গরিবদের শ্রমের মজুরি বাড়িয়ে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রেখে, দেশের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে উন্নতি করে এবং বিশেষ করে মহিলাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন। আমার মনে হয় আমার মায়ের মতোই উনি যে কোনো ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে পারেন। তিনি যখনই প্রধানমন্ত্রী হন আমার মতোই গরিরবা পেট ভরে খেতে পারেন, কাজ পায় এবং ফসল ভালো হয়।

53aমো. আমিনুল ইসলাম
ক্ষুদে ব্যবসায়ী, ২০নং ওয়ার্ড
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতার ঘর আলোকিত করে যে মানুষটি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, আজ তারই হাত ধরে দারিদ্র্যমুক্ত কৃষি-শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর এক উদীয়মান দেশের সুনাগরিক হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নময় চোখ। জীবনের শেষ শ্রমটুকুও দেশের জন্য নিবেদন করার অসীম মানসিকতার জন্যই আজ তিনি আমাদের কাছে নন্দিত নেত্রী, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, জঙ্গি তৎপরতা ও দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ গণতন্ত্রের মানস-কন্যা তিনি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সফলভাবে দেশ চালানোর পর প্রতিহিংসা পরায়ণ এ দেশের নিকৃষ্ট অশুভ গোষ্ঠী ২১ আগস্ট তাকে বাবার পরিণামের পুনরাবৃত্তির জন্য রাজপথে গ্রেনেড নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু আমি বিশ^াস করি, সেদিন মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে বাংলাদেশের বিভীষিকাময় দুর্নীতি, জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণ থেকে দেশকে রক্ষা এবং স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের চূড়ান্ত বিচারের জন্য দ্বিতীয়বার জীবন দান করেছিলেন। শরীরে মরণব্যাধীর জীবাণু বহন করে যেমন সুস্থ দেহ কামনা করা সম্ভব নয়, তেমনি দেশদ্রোহীদের নিয়ে সুন্দর সমাজের স্বপ্ন বাস্তবায়নও সম্ভব নয়। এই বিশ^াসে বিশ^াসী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতেই যুদ্ধপরাধীদের চূড়ান্ত বিচার ও পরাজয় ঘটবে। এটি আমার চূড়ান্ত বিশ^াস। একটি দেশকে সামগ্রিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য চাই দুরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্ব। তেমনি একটি দূরদর্শী ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যেই ২৬ হাজার ২০০ স্কুল সরকারিকরণের মাধ্যমে শতভাগ শিশুকে স্কুলে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল পদ্ধতি প্রর্বতনে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ্যত্ব থেকে মুক্ত হয়ে সৃজনশীল প্রজন্ম গঠনে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নকল নির্বাসিত হয়েছে। ১২ হাজার ২১৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে যুগোপযোগী করা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, জাতীয় গ্রিডে ৬ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুট গ্যাস যুক্ত করেন, দারিদ্র্যের হার ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা, যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তরকারী পরিবর্তন এবং ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৪ শ্রমিককে বিদেশে পাঠানো আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান। আমাদের এখন প্রত্যয় একটি দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা। পাশাপাশি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সমাজ উপহার দেওয়া। জননেত্রীর জন্মদিনে এই প্রত্যয়ই হোক আমাদের পক্ষ থেকে শুভ জন্মদিনে তার জন্য উপহার।

53bমো. আ. রহিম
পিতা : মৃত মো. মফিজ উদ্দিন বেপারী
গ্রাম : পশ্চিম দিঘির পাড়
পো. : দাউদকান্দি
জেলা : কুমিল্লা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দিন-রাত্রি পরিশ্রম করে শত ব্যবস্থতার মাঝে দেশের উন্নয়ন এবং সুনাম বয়ে আনেন এমন সংবাদ পাওয়ার প্রত্যাশায় অধীর আগ্রহে বসে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রী একজন এতিম, তিনি ইসলামিক শরিয়তকে অক্ষুণœ রেখে অতিরিক্ত সাজগোজ, মেকআপ ছাড়া সভা-সমাবেশে, রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজে নিজেকে অতি সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করেন। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অন্য নেতাদের থেকে ভিন্ন মনে হয়। প্রধানমন্ত্রী মুখে যা বলেন তা বাস্তবে পরিণত করেন। যেমনÑ পদ্মা সেতু ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বিশ^ব্যাংক যেভাবে মিথ্যাচার করে পদ্ধা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অতি সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে জাতির পিতার স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং যুদ্ধপরাধীদের বিচার কাজ একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন, তা দেখে আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগছে।

53cমো. হযরত আলী
পিতা : মো. গাবুর আলী
মাতা : মোছা. রহিমা বেগম
গ্রাম : বড় রাজারামপুর
ডাকঘর : খেজমতপুর
উপজেলা : পীরগঞ্জ
জেলা : রংপুর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে জানাই হাজারও ফুলের শুভেচ্ছা। আপনার জন্মদিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না এবং এই স্বাধীন দেশে আপনার মতো প্রধানমন্ত্রীর জন্ম না হলে আমরা পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারতাম না। যার জন্য স্বপ্ন দেখি উন্নত বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে চলার, তিনি আর কেউ ননÑ তিনি আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাই আপনার জন্মদিনে জানাইÑ আপনি যেন আমাদের মাঝে যুগ যুগ ধরে সুস্থ অবস্থায় বেঁচে থাকেন। বাংলাদেশের জনগণের নয়নের মণি প্রধানমন্ত্রী হয়ে বাংলার বুকে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ নিয়ে।
‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে’ আমি প্রধানমন্ত্রীর এ কথাটির সাথে একমত। এ কথাটি একমাত্র তিনিই বলতে পারেন অন্য কেউ নন। কারণ, তিনি এ কথাটি যেভাবে জোর দিয়ে বলেছেন ঠিক সেই জোর দিয়েই তিনি দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের এই প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় আমরা কি পাইনি (যুদ্ধপরাধীদের বিচার হচ্ছে, পদ্মা সেতু হচ্ছে, আমরা সমুদ্রসীমা জয় করলাম, ছিটমহল পেলাম) তাই বলি যে করতে পারে সে বলতেই পারেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেÑ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে।

54শাহ্ মো. শামসুল আরেফীন পান্নু
গ্রাম : পূর্ব উমারের পাড়
ডাকঘর : বিশারকান্দী
থানা : বানারীপাড়া
জেলা : বরিশাল
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলার ১৬ কোটি মানুষের জন্য আপনি একটি নক্ষত্র, আপনার আসন্ন জন্মদিনে আপনাকে শুভেচ্ছা তা’নক্ষত্রতুল্য। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব সমাদ্রিত, স্বদেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তার ভূমিকা তবৎড় ঞড়ষবৎধহপব.  তিনি এজন্যই ভিন্ন, কারণ তার পিতার ন্যায় তার একমাত্র উদ্দেশ্য জাতিকে ভালোবাসা, অন্য কিছু নয়। তার চলাফেরায় কোনো গাম্ভীর্জতা নেই।
বিশ্বকে আঙ্গুলের তুড়ি দেখিয়ে, নিজেস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ কাজ শুরু করে দেওয়ার সাহসি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী আপনাকে স্বাগতম। আপনাকে আরও স্বাগত জানাচ্ছি, জাতীর ছিটমহল সমস্যা দূরীকরণকল্পে আপনার সাহসি পদক্ষেপের জন্য।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ার, পক্ষান্তরে প্রধানমন্ত্রী আপনি তার মেয়ে হিসেবে আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ জাতি আজ জাতির পিতার প্রতিচ্ছবিই দেখছে। দেশের অবকাঠামগত কাজ যেমনÑ উন্নত রাস্তাঘাট, চমক লাগানো ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতু তৈরির মতো সাহসি পদক্ষেপ, সারাদেশের ডুয়েল গেজ রেললাইন এটি তাহার স্পষ্ট প্রমাণ। তাই জাতির পিতার কন্যার স্লোগান ইতোমধ্যেই যথোপযুক্ত প্রমাণিত।

গ্রন্থনা : মো. রশীদুল হাসান

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*