বিভাগ: প্রধানমন্ত্রী

সুষম বণ্টন না হওয়াও পানি সংকটের অন্যতম কারণ

33

বুদাপেস্ট সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

উত্তরণ প্রতিবেদন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বজুড়ে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখনই উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ ও অপরিকল্পিত শিল্পায়নের এই সময়ে পানির কারণে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে এবং রাষ্ট্রের ভেতরে বৈষম্য ও বিভেদ তীব্রতর হচ্ছে। কাজেই পানির সুরক্ষা, সংরক্ষণ ও এর সদ্ব্যবহারের ওপর সমষ্টিগতভাবে নজর দিতে হবে আর পানি নিরাপত্তাই এই পৃথিবীর মানুষের মর্যাদাপূর্ণ ও মঙ্গলময় জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমাদের অবশ্যই একসাথে কাজ করতে হবে, আর তা এ মুহূর্ত থেকেই। এক্ষেত্রে নিজেদের ভূমিকা পালন করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।
গত ২৮ নভেম্বর হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে গঠিত পানিবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্যানেলের সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সংক্রান্ত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের করণীয় নির্ধারণ এবং প্যারিসে জলবায়ু চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত পানি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ বুদাপেস্টের তিন দিনের এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
পানি ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি সঠিক নিয়মে ভাগাভাগির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভাটির দেশের মানুষের জীবনযাত্রায় এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। পানির অভাব কিন্তু পানি সংকটের মূল কারণ নয়। পানির সুষম বণ্টনও এই সংকটের একটি কারণ। তবে তিনি স্বীকার করেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ভাগাভাগি একটি ‘জটিল বিষয়’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংস্কৃতি, ধ্যান-ধারণা ও জীবনযাত্রার প্রধান অংশজুড়ে আছে পানি। পানির সুরক্ষা, সংরক্ষণের ওপর সমষ্টিগতভাবে নজর দিতে হবে। তাতে কেবল পানি নিয়েই বৈষম্য দূর হবে না, সমাজে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে। কেননা বিশ্বে অনেক উত্তেজনা ও সংঘাতের মূলে রয়েছে এই পানি। ৭টি এজেন্ডাম তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে পানিবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্যানেলে গৃহীত লক্ষ্য অর্জনে কার্যক্রমভিত্তিক এই এজেন্ডা সহায়ক হতে পারে। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই একসাথে (পানি ব্যবস্থাপনায়) কাজ করতে হবে এবং এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। এই কাজের জন্য ভূমিকা পালন করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।
পানিকে রাষ্ট্রের সব নীতি ও কাজে অগ্রাধিকার দিতে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাত দফা প্রস্তাব সম্মেলনে তুলে ধরেন। প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে এজেন্ডা ২০৩০-এ টেকসই উন্নয়ন ও পানির মাধ্যমে যে আন্তঃসম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, সেই অনুযায়ী জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে যে কোনো উন্নয়ন প্রচেষ্টার আলোচনায় পানি বিষয়ও থাকতে হবে, বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের সুপেয় পানি ও ন্যূনতম পয়ঃনিষ্কাশন চাহিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, কারণ পানির যে সরবরাহ রয়েছে তা পর্যাপ্ত ও নিরাপদ নয়। এক্ষেত্রে সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশ, বিশেষ করে দরিদ্র, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তার তৃতীয় দফা প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে, তাদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পানির কারণে। কাজেই পানি সংক্রান্ত দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন প্রক্রিয়াকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। চতুর্থত, পানি আজকের এই সংকটের অপ্রতুলতার জন্য নয়, সুষম বণ্টনের অভাবে তৈরি হয়েছে। এর একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধান হতে পারে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ব্যবস্থাপনা। পঞ্চমত, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পানি জরুরি। আমাদের অবশ্যই কম পানি লাগে এমন ফসল এবং পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে। ষষ্ঠত, যেসব উদ্যোগ একটি দেশকে পথ দেখাচ্ছে তা অন্যদের সাথে অবশ্যই বিনিময় করতে হবে, যাতে পানি সম্পদের যথার্থ ব্যবহার নিশ্চিত করতে জ্ঞান, ক্ষমতা, দক্ষতা ও কৌশলের উন্নয়ন ঘটানো যায়। সর্বশেষ সপ্তম দফা প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, পানি সংক্রান্ত লক্ষ্য পূরণে অর্থায়নের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানি বিষয়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য একটি আন্তর্জাতিক তহবিল গড়ে তুলতে হবে এবং এর সুফল সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
পানিকে সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্যের মৌল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করে এই সম্মেলনের আয়োজন করায় হাঙ্গেরি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের দর্শন, সংস্কৃতি, জীবন ও জীবিকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে পানি। আর এমন এক দেশ এই পানি সম্মেলনের আয়োজন করেছে, সেই হাঙ্গেরি পানি নিরাপত্তার জন্য বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০১৩ সালের বুদাপেস্ট পানি সম্মেলনই পানি নিয়ে এসডিজির ধারণাগত ভিত্তি দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ পানির জন্য এমডিজির লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে পূরণ এবং ৬৫ শতাংশ মানুষের জন্য উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা নিশ্চিত করার তথ্য বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরে বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সকলের জন্য সুপেয় পানি এবং মোট জনসংখ্যার অন্তত ৯০ শতাংশের জন্য উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং বাংলাদেশের সতর্কতা ব্যবস্থা, ঘূর্ণিঝড়, আশ্রয়কেন্দ্র ও সমুদ্র উপকূলে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার উদ্যোগ বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি বলেন, বর্ষায় পানির আধিক্য এবং শুকনো মৌসুমে খরার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এই সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে কারণ বাংলাদেশের ভূ-উপরিস্থ পানির ৯২ শতাংশের উৎপত্তিস্থল সীমান্তের বাইরে। তিনি বলেন, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন একটি জটিল বিষয়। বাংলাদেশ গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে দুই দশক আগে ভারতের সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে। পানি বিষয়ে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাও সঠিক পথেই এগোচ্ছে।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে ‘সাসটেইনেবল ওয়াটার সলিউশন এক্সপো’ পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টের বৈঠক
বাংলাদেশে চিকিৎসা, প্রযুক্তি ও কৃষি বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বৃত্তি কর্মসূচি প্রবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ড. জানোস আদের। তার এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন হলো। গত ২৮ নভেম্বর সান্দর প্যালেসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠকে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ড. জানোস আদের এই প্রস্তাব দেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর আরবান এই বৃত্তি কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট আদের মৎস্য চাষ (পিসিকালচার) এবং জলজ উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর বংশ বিস্তারের (একুয়াকালচার) ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করবেন। আদের বলেন, পানি পরিশোধন ও বন্যা আক্রান্ত এলাকায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায় হাঙ্গেরি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই প্রস্তাবে হাঙ্গেরির সাথে সহযোগিতার নতুন দরজা উন্মোচিত হলো। এম শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট প্যালেসে পৌঁছলে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ড. জানোস আদের এসে তাকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান। তিনি বলেন, বৈঠকে হাঙ্গেরির সাথে সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে, বাংলাদেশের সাথে হাঙ্গেরি নতুন কিছু করতে আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে হাঙ্গেরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে একটি নতুন মাত্রা গড়ে উঠতে শুরু করেছিল। কিন্তু হঠাৎ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর এই সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং আমরা সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে এসেছি। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, একজন বিশ্বনেতা হিসেবে পানি সমস্যা নিয়ে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রভাব ও দুর্যোগ এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রেসিডেন্ট আদের সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ঠেকাতে বাংলাদেশের প্রস্তুতি এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে জানতে চান। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে বাংলাদেশের ঝুঁকি এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ২ মিটার বেড়ে গেলে ২ থেকে আড়াই কোটি লোকের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণার কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী সবুজ বেষ্টনি প্রকল্প, বনায়ন কর্মসূচি ও বাস্তুচ্যুত লোকজনের জন্য উঁচু ভূমিতে বাড়িঘর নির্মাণসহ জলবায়ু সহিষ্ণু তহবিলের আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্ভাবনী স্কিমের ব্যাপারে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রকল্প সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হাঙ্গেরির জাতীয় বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৯ নভেম্বর সিটি পার্কের ‘হিরোস-স্কয়ার’-এ হাঙ্গেরির জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে হাঙ্গেরি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রাণোৎসর্গকারী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় সেখানে সম্মান প্রদর্শনের স্মারক হিসেবে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
ঢাকা-বুদাপেস্টের মধ্যে ৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরি কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা তথা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ২৯ নভেম্বর সকালে হাঙ্গেরির পার্লামেন্ট ভবনে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*