বিভাগ: প্রতিবেদন

৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ সহায়তা প্রদান

33উত্তরণ প্রতিবেদন: নমনীয় চুক্তি বা ­তৃতীয় এলওসির আওতায় বাংলাদেশ বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত থেকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, রেলপথ, সড়ক, জাহাজ চলাচল, বন্দরসহ অবকাঠামো খাতের ১৭টি অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সরকার। প্রথম দুটি এলওসির (লাইন অব ক্রেডিট) মতো এবারও এই ঋণের বিপরীতে ১ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ আগামী ২০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করবে বাংলাদেশ। এলওসির আওতায় একবারে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার দেওয়া ভারতের যে কোনো দেশকে দেওয়া সর্বোচ্চ ঋণ। এই চুক্তি বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি দুদেশের অর্থনীতি আরও সমন্বিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভারতের প্রভাবশালী অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি ও বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এমপির উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে তারা দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শফিকুল আযম এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড রাসকিনহা এই চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে অরুণ জেটলির বক্তব্য উদ্ধৃত করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন স্বর্ণযুগে অবস্থান করছে। একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় তারা বাংলাদেশের পাশে ছিল। আগামীতেও তারা আমাদের পাশে থাকবে বলে আশা করছি। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে ঋণ প্রসঙ্গে কথা বলেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।
তিনি বলেন, গত সাত বছরে বাংলাদেশ ভালো প্রবৃদ্ধি পেয়েছে। আর্থ-সামাজিক দিক দিয়ে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে আগেও পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। তারই ধারাবাহিকতায় এই বড় অঙ্কের ঋণচুক্তি করা হলো।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় বাংলাদেশের জন্য এই সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণের ঘোষণা দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ভারতীয় অর্থমন্ত্রীর এবারের সফরে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি করা হলো। এর আগে ২০১০ সালে প্রথম লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ দেয় ভারত। ওই ঋণের আওতায় নেওয়া ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে ১২টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বাকি প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এই ১০০ কোটি ডলারের ২০ কোটি ডলারকে পরবর্তীকালে মঞ্জুরি সহায়তায় রূপান্তর করা হয় এবং ২০১৫ সালে এলওসি ৮০ কোটি ডলার থেকে বাড়িয়ে ৮৬ কোটি ২০ লাখ ডলারে উন্নীত করা হয়।
এছাড়া দ্বিতীয় ২০০ কোটি ডলারের এলওসি ঘোষণা করা হয় ২০১৫ সালের জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকালে। এতে বাস্তবায়নের জন্য ১৫টি প্রকল্প চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলো এখন বাস্তবায়নাধীন।
এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য এর আগে রাশিয়ার সাথে ১১৩৮ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। সেই হিসাবে ভারতের এই তৃতীয় এলওসি হচ্ছে বাংলাদেশের করা দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণচুক্তি।

জেটলির আশাবাদ
প্রকল্প বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় সমস্যা এবং জমি অধিগ্রহণ সমস্যা একটি বড় সমস্যা বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এসব সমস্যার কারণে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ধীরগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে তৃতীয় এলওসি চুক্তির আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলো যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সে ব্যাপারে ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অরুণ জেটলি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক উন্নয়নের সাথে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি দেখে তিনি খুবই সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের এই উন্নয়নের অংশীদার হতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অর্থমন্ত্রী মুহিতের সাথে বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সহযোগিতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে, যা সাম্প্রতিককালে ক্রমবর্ধমান। ভারতের স্বার্থে প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং আমরা আমাদের পারস্পরিক যোগাযোগ গভীর করতে, বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকে দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করে অরুণ জেটলি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে রেকর্ড ৩৬টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশে ভারতের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কোম্পানির বেশ কিছু বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আজ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং অন্যান্য দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য একটি মডেলে পরিণত হয়েছে।
অরুণ জেটলি বলেন, তার দেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশকে স্বল্প সুদে ৮০০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার চুক্তি করেছে, যা কোনো দেশকে ভারতের দেওয়া সর্বোচ্চ ঋণ এবং এটি হ্রাসকৃত সুদে দেওয়া হয়েছে।
তিনি দুই দেশের এই উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে যোগাযোগকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেন। ভারতীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, সড়ক, রেল, নৌ ও উপকূলীয় জাহাজ চলাচলসহ ১৯৬৫ পূর্ব সংযোগ পুনরুদ্ধারে আমাদের দুই দেশের সরকার গুরুত্বারোপ করেছে। আমার বিশ্বাস, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং দুই দেশের মানুষে মানুষে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ সাহায্য করবে। তিনি বলেন, এক্সিম ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ঢাকায় কার্যালয় স্থাপন করতে যাচ্ছে। এতে প্রতিবেশী দুই দেশের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব গতিশীল হবে এবং বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ বাড়বে। তিনি বলেন, এসব অগ্রগতি দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসংযোগ ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সহযোগিতারই নিদর্শন।

ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, এর আগে নেওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ধীরগতি পরিলক্ষিত হলেও সেই সমস্যা দূর হচ্ছে। তৃতীয় এলওসি চুক্তির আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলো যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ঋণপ্রাপ্তি যাতে দ্রুত হয় সে ব্যাপারে দুদেশই আন্তরিক। তিনি বলেন, ভারতের সাথে সুসম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এই সম্পর্কের কারণে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্কও জোরদার হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এ ঋণ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সুসম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, ভারত থেকে নেওয়া ক্রেডিট লাইনের প্রথম পর্যায়ের ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় পর্যায়ের ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ বাস্তবায়ন পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। তবে তা প্রক্রিয়াধীন। এবার তৃতীয় ধাপের ঋণ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হবে। এ জন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত এ ঋণের অর্থ ব্যয় হবে সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে। তিনি আরও বলেন, এ ঋণের সুদহার অনেক কম এবং ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দেখে ভারতের অর্থমন্ত্রী মুগ্ধ বলে জানিয়েছেন। তিনি জনিয়েছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অন্য দেশের জন্য মডেল হতে পারে।
চুক্তির আওতায় ১৭টি প্রকল্প
তৃতীয় এলওসির অর্থ দিয়ে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পগুলো হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামো উন্নয়ন, পায়রা বন্দরের বহুমুখী টার্মিনাল নির্মাণ, বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার ও তীর সংরক্ষণ, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত দ্বৈতগেজ রেলপথ নির্মাণ, সৈয়দপুর বিমানবন্দর উন্নতকরণ, বেনাপোল-যশোর-ভাটিয়াপাড়া-ভাঙ্গা সড়ককে চার-লেনে উন্নীত করা, চট্টগ্রামে কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ, ঈশ্বরদীতে কন্টেনার ডিপো নির্মাণ, কাটিহার-পার্বতীপুর-বরনগর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন তৈরি, মংলা বন্দর উন্নয়ন, চট্টগ্রামে ড্রাইডক নির্মাণ, মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাট থেকে রামগড় পর্যন্ত চার-লেনে সড়ক উন্নীত করা, মোল্লারহাটে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন, কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর হয়ে সরাইল পর্যন্ত চার-লেন সড়ক নির্মাণ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ১ লাখ এলইডি বাল্ব সরবরাহ প্রকল্প।
ঋণচুক্তির আওতায় এটিই হচ্ছে দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় বড় ঋণ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার সাথে ১ হাজার ১৩৮ কোটি ডলারের (বাংলাদেশের টাকায় যা প্রায় ৯২ হাজার কোটি) ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ।
ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, আগের দুটি এলওসির মতো তৃতীয় এলওসির শর্ত একই। আগের দুটি এলওসিতে মোট সাড়ে ৩০০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হয়। ভারতীয় ঋণের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে অর্থ ব্যবহার করছে বাংলাদেশ। কিন্তু আগের সাড়ে ৩০০ কোটি ডলারের মধ্যে খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি ডলার। সাত বছর আগে প্রথম ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় বাস্তবায়িত ৮টি প্রকল্পে ধীরগতি দেখা গেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, ভারতীয় প্রথম ঋণে সাত বছর আগে খুলনা-মংলা রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি শুরু হয়। বর্তমানে প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ। তবে দ্বিতীয় ভৈরব ও দ্বিতীয় তিতাস সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি ভালো এবং এর অগ্রগতি ৮৩ শতাংশ। তবে ঢাকা-টঙ্গী তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েল গেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর ডুয়েল গেজ লাইন নির্মাণ ও কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন প্রকল্পের তেমন অগ্রগতি নেই। অন্যদিকে ১২০টা ব্রডগেজ রেল কোচ প্রকল্পের অগ্রগতি ৯৬ শতাংশ। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) আধুনিকায়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ৬৯ শতাংশ। আশুগঞ্জ-আখাউড়া রেললাইনের সিগন্যালিং ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ৪৩ শতাংশ।

পাঠকের মন্তব্য:

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। তারকাচিহ্নযুক্ত (*) ঘরগুলো আবশ্যক।

*