অসহযোগ আন্দোলন

Posted on by 0 comment

3-7-2017 4-08-45 PMঅসহযোগ আন্দোলনরে প্রবক্তা ভারতরে স্বাধীনতা সংগ্রামরে প্রাণপুরুষ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। ১৯২০ সালে শুরু হয়ে এই আন্দোলন ১৯২২ সাল র্পযন্ত চলছেলি। ব্রটিশি শাসকদরে রাজনতৈকি, প্রশাসনকি, আইন-আদালতসহ সবদকি থকেে র্বজন করা, ব্রটিশি পণ্য, ব্রটিশি সরকার অনুমোদতি শক্ষিাপ্রতষ্ঠিান ও ব্রটিশিরে দওেয়া খতোব র্বজন, ব্রটিশি প্রর্বততি আইনসভা, স্থানীয় সরকার থকেে পদত্যাগ এবং সকল প্রকার খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দওেয়া প্রভৃতরি মাধ্যমে ব্রটিশি সরকারকে অচল এবং অর্কাযকর করে দওেয়া ছলি এই আন্দোলনরে কৌশল। আর এই অসহযোগরে লক্ষ্য ছলি ‘স্বরাজ’ প্রতষ্ঠিা এবং চূড়ান্তভাবে ভারতরে স্বাধীনতা। গান্ধীজি পরচিালতি এই অহংিস অসহযোগ আন্দোলন শষে র্পযন্ত লক্ষ্য র্অজনে র্ব্যথ হয়।
তবে ১৯৭১ সালে ভন্নি পটভূমতিে ভন্নি রাষ্ট্রে পরচিালতি অন্য এক অসহযোগ আন্দোলন সর্ম্পূণ বজিয় র্অজন করছেলি। ১৯৭১ সালরে ১ র্মাচ পাকস্তিানরে সামরকি শাসক জনোরলে ইয়াহয়িা খান ৩ র্মাচ আহূত জাতীয় পরষিদরে সভা স্থগতি ঘোষণার পটভূমতিে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান ৭ র্মাচ থকেে পাকস্তিান সরকাররে বরিুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন ঘোষণা করনে। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে এই অসহযোগে তৎকালীন ‘র্পূব পাকস্তিান’ে পাকস্তিান সরকার প্রকৃতই অর্কাযকর হয়ে পড়।ে ক্যান্টনমন্টে এবং সনোবাহনিী ছাড়া পাকস্তিান সরকাররে অন্য কোথাও কোনো র্কতৃত্ব ছলি না। দশে চলছেে বঙ্গবন্ধুর নর্দিশে।ে দশেরে বসোমরকি প্রশাসন, ব্যাংক-বীমা, পরবিহন, স্কুল-কলজে-বশ্বিবদ্যিালয়সহ বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগরে নর্দিশেে চলছে।ে ২৬ র্মাচ আনুষ্ঠানকি স্বাধীনতা ঘোষণার র্পূব র্পযন্ত দশে পরচিালতি হয়ছেে বঙ্গবন্ধু তথা আওয়ামী লীগরে ৩৫টি ঘোষণা ও নর্দিশেনার ভত্তিতি।ে বঙ্গবন্ধু ঘোষতি অসহযোগ আন্দোলনরে ফলে পাকস্তিানি সামরকি জান্তার শাসন অর্কাযকর হয়ে পড়লে ২৫ র্মাচ রাতে নরিস্ত্র বাঙালি জাতরি ওপর পাকস্তিানরে সশস্ত্র বাহনিী ঝাঁপয়িে পড়।ে বঙ্গবন্ধু গ্রফেতাররে র্পূব মুর্হূতে ২৬ র্মাচ প্রথম প্রহরে বাংলাদশেরে আনুষ্ঠানকি স্বাধীনতা ঘোষণা করনে এবং সমগ্র জাতকিে পাকস্তিানি হানাদার বাহনিীর বরিুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান। শুরু হয় মহান মুক্তযিুদ্ধ। পরণিততিে ৯ মাসরে মুক্তযিুদ্ধে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন র্সাবভৌম বাংলাদশেরে।
মহাত্মা গান্ধী পরচিালতি অসহযোগ আন্দোলনরে ফলে স্বরাজ বা স্বাধীনতা র্অজতি না হলওে অসহযোগ আন্দোলন ভারতরে স্বাধীনতা সংগ্রামে একটি মাইলফলক হয়ে আছ।ে ১৯১৯ সালে ব্রটিশি সরকার ভারতরে শাসন ব্যবস্থার সংস্কাররে নামে ভারত শাসন আইন প্রর্বতন কর।ে ভারত শাসন আইনরে বরিুদ্ধে ভারতবাসীর প্রতবিাদ আন্দোলন দমনরে উদ্দশ্যেে জারি করা হয় রাউলাট অ্যাক্ট। এই আইনরে ফলে স্বাধীনতা সংগ্রামীদরে ওপর অত্যাচার-নর্যিাতন আরও তীব্রতর হয়ে ওঠ।ে ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবরে জালয়িানওয়ালাবাগে ঘটে নৃশংস হত্যাকা-। রাউলাট অ্যাক্ট ও জালয়িানওয়ালাবাগরে হত্যাকা-রে বরিুদ্ধে ভারতব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলন গড়ে ওঠ।ে গাজীর ‘সত্যাগ্রহ’ আন্দোলনরে ডাকে সমগ্র ভারতর্বষে অভূতর্পূব উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। ১৯১৯ সালইে খলিাফত আন্দোলনরে সর্মথনে গান্ধীজি খলিাফত ও অসহযোগ আন্দোলনকে এক পতাকার নচিে ঐক্যবদ্ধ করনে। কংগ্রসেরে নতেৃত্বে ভারতরে জাতীয় আন্দোলনরে সাথে খলিাফতরে দাবকিে যুক্ত করা হয়। খলিাফত আন্দোলনরে সূত্রে গান্ধীজি অসহযোগ শব্দটি উদ্ভাবন করনে।
১৯২০ সালরে ২ আগস্ট অসহযোগ আন্দোলনরে সূত্রপাত হয়। ১৯২০ সালরে ডসিম্বেরে নাগপুরে কংগ্রসেরে র্বাষকি অধবিশেনে করমচাঁদ গান্ধী ঘোষণা করনে এক বছররে মধ্যে স্বরাজ পাওয়া যাব।ে তার এই ঘোষণা বপিুল উদ্দীপনা সৃষ্টি কর।ে দলরে গঠনতন্ত্র পরর্বিতন করে কংগ্রসে সদস্যদরে খাদরি বস্ত্র ও গান্ধী টুপি পরধিান বাধ্যতামূলক করা হয়। চরকা-খদ্দর, মাদক র্বজন, অস্পৃশ্যতা পরহিার ও হন্দিু-মুসলমানরে ঐক্যরে র্কমসূচি গ্রহণ করা হয়। আন্দোলনরে একর্পযায়ে সরকার খলিাফত ও অসহযোগী স্বচ্ছোসবেক সংগঠনকে বআেইনি ঘোষণা কর।ে ৩০ হাজার নর-নারী গ্রফেতার হন। আন্দোলন তীব্র থকেে তীব্রতর হয়। ১৯২১ সালরে ২১ জুলাই করাচতিে অনুষ্ঠতি নখিলি ভারত খলিাফত সম্মলেন থকেে ঘোষণা করা হয়, কংগ্রসেরে আসন্ন আহমদোবাদ অধবিশেনরে আগে সরকার দাবি না মনেে নলিে ‘স্বাধীন ভারত প্রজাতন্ত্র’ ঘোষতি হব।ে ১৯২২ সালরে ১ ফব্রেুয়ারি গান্ধী ভারতরে ভাইসরয় র্লড রডেংিকে এক চরমপত্রে এক সপ্তাহরে মধ্যে সরকার মনোভঙ্গি পরর্বিতন না করলে তনিি ‘খাজনা’ বন্ধ করার আন্দোলন শুরু করবনে। কন্তিু এর মাত্র তনি দনি পর ১৯২২ সালরে ৪ ফব্রেুয়ারি বহিাররে গোরখপুর জলোর চৌরচিৌরায় উত্তজেতি জনতা একটি থানা আক্রমণ করে আগুন লাগয়িে দয়ে। ২১ জন পুলশি ও একজন সাব-ইন্সপক্টের অগ্নদিগ্ধ হয়ে মারা যান। এই সংবাদ পাওয়ার পর গান্ধী আন্দোলন আর ‘অহংিস’ থাকছে না মনে করে একক সদ্ধিান্তে অসহযোগ আন্দোলন স্থগতি ঘোষণা করনে। এদকিে ১৯২৩ সালরে ২৯ অক্টোবর তুরস্করে জাতীয় আন্দোলনরে নতো কামাল আতার্তুক খলিাফতরে অবসান ঘটয়িে তুরস্ককে র্ধমনরিপক্ষে রাষ্ট্র হসিবেে ঘোষণা করনে। চৌরচিৌরার ঘটনায় আন্দোলন স্থগতি রাখার পর এমনতিইে ভারতব্যাপী প্রবল হতাশা দখো দয়ে, আন্দোলনটি মুখ থুবড়ে পড়।ে তুরস্কে খলিাফতরে অবসানরে পর খলিাফত আন্দোলন যমেন স্তমিতি হয়ে যায়, তমেনি ১৯২৪ সালরে দকিে ভারতরে বভিন্নি প্রদশেরে কোথাও কোথাও বচ্ছিন্নিভাবে চলা অসহযোগ আন্দোলনটকিে শষে র্পযন্ত প্রত্যাহার করে নওেয়া হয়।
ম  নূহ-উল-আলম লনেনি

Category:

Leave a Reply