তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে : জয়

Posted on by 0 comment
বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৮

বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৮

সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল: তৃতীয়বারের মতো ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৮’ গত ১৫ ও ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। বিপিও খাতে সবচেয়ে বড় আয়োজন এটি। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজন।
উদ্বোধনকালে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে সহায়তা চায়। সরকারি চাকরির অপেক্ষায় না থেকে তরুণরা যাতে নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারে সেজন্য তাদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, চাকরির জন্য আর সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। সরকারের কর্মপরিকল্পনার কারণে ছেলে-মেয়েরা মফস্বল শহরে বসে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার ডলার আয় করছে। সরকার বিদ্যুতের নিশ্চয়তা ও উচ্চগতির ইন্টারনেট দিচ্ছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীন মত প্রকাশ বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা (আইসিটি) আইন করা হয়নি; বরং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা রক্ষাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং জঙ্গি তৎপরতা বন্ধ করতেই এই আইন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাধীন মত প্রকাশ করা একজন মানুষের নাগরিক অধিকার। তবে বিভ্রান্তিকর কোনো খবর বা গুজব দ্বারা যে কোনো ব্যক্তি বিশেষত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় আক্রান্ত হতে পারে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবর বা বক্তব্য আমরা প্রকাশ করতে পারি না। এটি স্বাধীন মত নয়, ঘৃণা ছড়াতেই করা হয়ে থাকে। এ ধরনের বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ হওয়া উচিত। যারা এটি করছে তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।
এবারের আয়োজনে ৬০ জন স্থানীয় স্পিকার, ২০ জন আন্তর্জাতিক স্পিকার অংশগ্রহণ করেছেন। দুদিনের মূল সামিট সফল করার জন্য সারাদেশে ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাক্টিবেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বিপিও মানে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও)। ‘বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং’ নামটা বিশ্বজুড়ে খুব পরিচিত। আউটসোর্সিং বলতে শুধু কলসেন্টার আউটসোর্সিং নয়। টেলিকমিউনিকেশন, ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল, হোটেলের ব্যাক অফিসের কাজ, এইচআর, আইটি, অ্যাকাউন্ট সবকিছুই এর অন্তর্ভুক্ত। এসব কাজ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে করার বিষয়টি সাধারণভাবে ‘বিপিও’ বলে পরিচিত।
বিশ্বের সবচেয়ে ক্রমবর্ধমান ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে এই বিপিও খাত। আইসিটি-তে বর্তমানে বাংলাদেশে যে পরিবর্তনের গল্প, তার উল্লেখযোগ্য অবদান হচ্ছে বিপিও খাতের। বছরে প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার বিদেশি মুদ্রা আসে আইসিটি খাত থেকে। সরকার আইসিটি সেক্টর থেকে ২০২১ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, আশা করা যায় তার সিংহভাগ অংশই আসবে বিপিও থেকে।
বিপিও সামিটের প্রথম দিন ৬টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দিনেও ৪টি সেমিনার ও একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি সেমিনারে ছিল তারুণ্যের উচ্ছ্বাস। উদ্বোধনের পর দুপুর আড়াইটায় বলরুমে অনুষ্ঠিত হয় ‘বিপিও অ্যাজ এ ক্যারিয়ার ফর ইয়ুথ’। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসা বিকাশের স্বার্থে দেশের সব জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। আমরা এখন ইউনিয়নগুলোতে কানেকটিভিটি পৌঁছানোর কাজ করছি। কেবল ইউনিয়নে নয়, বাড়ি বাড়ি সেই কানেকটিভিটি পৌঁছাতে চাই। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে সরকার প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিচ্ছে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারবে। সরকার মূলত প্রশিক্ষণের জায়গাটা উন্মুক্ত করার চেষ্টা করছে। ৭টি জেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করছি। আমরা ৬৪টি জেলায় করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আইটি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কেবল সেটিতে লেগে থাকার পরামর্শ দেন মোস্তাফা জব্বার।
আইসিটি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী বলেন, ১৪-১৫ লাখ সরকারি চাকরির বিপরীতে বেসরকারি খাতে অনেক চাকরি রয়েছে। সেজন্য দক্ষতা বাড়ানোটা গুরুত্বপূর্ণ। কেবল আইটি সেক্টরে ১০ লাখ লোক তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিপিও সেক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখবে। চাকরি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নানা দিকে না ঘুরে একদিকে নিবদ্ধ হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মালিহা নার্গিস। সেমিনারে তিনি বলেন, প্রতিবেশী ভারত-শ্রীলংকা আউটসোর্সিং থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করছে, আমরা পারছি না। কারণ আমরা কিছু কাজ করছি; কিন্তু সেটি অর্গানাইজড না, এটাই আমাদের বড় সমস্যা। বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির চাহিদাভিত্তিক লোক তৈরির জন্য সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার করা দরকার বলে মন্তব্য করেন মালিহা। সেমিনারে উপস্থিত থেকে ন্যাবেট ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অর্জুন মিশ্র বলেন, কলসেন্টারে সব ধরনের মানুষ কাজ করতে পারে। আমরা কলসেন্টারে প্রতিবন্ধীদের দিয়ে এ সেক্টরে কাজ করানো যায় সেটি দেখিয়েছি। আমরা প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চ্যারিটির মধ্যে থাকিনি, তাদের দক্ষতা তৈরি করে তাদের আয়ে তাদের চলার ব্যবস্থা করেছি। অনুষ্ঠানের মডারেটর হিসেবে ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাক্য-এর সাধারণ সম্পাদক ও ফিফো টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌহিদ হোসেন। তিনি জানান, ২০২১ সালের মধ্যে বিপিও খাতে ১ লাখ উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ৪০ হাজার ইতোমধ্যে তৈরি হওয়ায় এখনও দরকার ৬০ হাজারের মতো দক্ষ যুবশক্তি।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মধ্যে স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মাহতাবুল হক, মালয়েশিয়ার ইউরাস কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক কৃষ্ণা রাজকুমার রাজাশেখারান, স্টার কম্পিউটার্সের চিফ অপারেটিং অফিসার রেজওয়ানা খান, অগমেটিক্সের প্রশিক্ষক রুবাইয়া তানসিম, ফিফো টেকের কর্মী তামান্না সুলতানা।
এই সেশনের শেষে অনলাইনে বিপিও খাতে প্রশিক্ষণ কোর্স নিয়ে সরকারের এলআইসিটি প্রকল্প ও রেপটো আইটি লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। বিকেল ৫টায় ব্যালকনি হলে অনুষ্ঠিত হয় ‘গ্লোবাল অপরচুনিটিস ফর ক্রিয়েটিভ ইকোনোমি’ শিরোনামে দিনের সর্বশেষ সেমিনার। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এমপি। এ সময় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, তরুণদের মধ্যে রয়েছে নানা আইডিয়া। তাদের এসব আইডিয়ার কথা জানাতে হবে আমাদের। তারা এগিয়ে এলে খুলে যাবে অনেক সম্ভাবনার দুয়ার। আইসিটি খাতে তরুণদের নানা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ল্ডের জন্য আমরা যখন ক্রিয়েটিভ ইকোনমির কথা বলছি, তখন তরুণরা তাদের ধারণাগুলো নিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারে। আগে যেসব সমস্যার জন্য আমাদের কাগজপত্র খুঁজতে হতো, এখন এক সফটওয়্যারের মাধ্যমে আমরা সেসব সমস্যা সম্পর্কে জানতে পারি, খুব সহজেই সেসব সমস্যার সমাধান করতে পারি। নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীর অববাহিকায় আমরা যখন বিদ্যুৎকেন্দ্র বা শক্তি উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন স্থাপনা প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছি, তখন সাশ্রয়ী কোনো ধারণা কিন্তু তরুণরা দিতে পারে। আমরা যখন বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে কথা বলি, বিল কেন বেশি আসে; এমন প্রশ্ন খুঁজি, তখন আমরা তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিতে পারি।
সার্ভিস সলিউশনসের সিইও তানভীর ইব্রাহীম, টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আয়মান সাদিক, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব একেএম খায়রুল আলম, গিকি সোশ্যালের এম আসিফ রহমান, হিউম্যান এইড বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের পরিচালক সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী, বেসিসের পরিচালক দিদারুল আলম, রেডিসন ডিজিটাল টেকনোলজিসের চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেন ফারুক। বিকেল ৫টায় বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৮-এর প্রথম দিনে সুরমা হলে অনুষ্ঠিত হয় ‘এডুকেশন : এ কি ইনস্টুমেন্ট টু অ্যাচিভ এসডিজি’ শিরোনামে সেমিনার। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা সারোয়ার জাহান। এ সময় তিনি বলেন, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্কুল থেকে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আওতায় আনা জরুরি। এক্ষেত্রে মায়েরা যদি শিক্ষিত হয়, তবে তারা তাদের সন্তানদের বেসিক শিক্ষাটা দিতে পারবে। ফলে তারা সততা, মূল্যবোধের শিক্ষা পাবে। তারা সহজেই ফরমাল এডুকেশনটা গ্রহণ করতে পারবে। এসডিজি অর্জনে আমাদের মূল লক্ষ্য শিক্ষা। শিক্ষার প্রসারে রাজনৈতিক নেতাদেরও চাপ প্রয়োগ করা যেতে পারে, বলেন সারোয়ার জাহান। সেমিনারটির মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হাফিজ মো. হাসান। তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। এজন্য যোগ্য শিক্ষকও প্রয়োজন। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) উপদেষ্টা ও ভিরগো কন্টাক্ট সেন্টার সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমাদুল হকের পরিচালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন ইউসেপের প্রধান নির্বাহী তাহসিনাহ আহমেদ, ড্যাফোডিল গ্রুপের সিইও মো. নুরুজ্জামান, এএসকে টেলিকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়মা শওকত প্রমুখ। এছাড়া সামিটের ১৫ এপ্রিল প্রথম দিন দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ‘গর্ভমেন্ট প্রোসেস আউটসোর্সিং-স্কোপস্ অব গভর্নমেন্ট ইন বিপিও’, একই সময় সুরমা হলে ‘ক্রিয়েটিং দ্য নেক্সট জেনারেশন আউটসোসিং সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ’ এবং বিকেল ৫টায় মেঘনা হলে ‘অ্যাকাউন্টিং প্রোসেস আউটসোর্সিং : পজিশননিং বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরার লক্ষ্যে দুদিনের এ আয়োজনের শেষ দিন ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ‘আউসসোসিং ফর স্টার্ট-আপস : গ্রোয়িং টুগেদার’ শিরোনামে দিনের প্রথম সেমিনার। দুপুর আড়াইটায় ব্যালকনি হলে ‘ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলেশন : চ্যালেঞ্জেস ইন বিপিও’, সুরমা হলে ‘কাস্টমার-সেনট্রিক হেলথকেয়ার ডেলিভারি সিস্টেম অ্যান্ড বিপিও’ এবং মেঘনা হলে ‘রাইস অব এআই অ্যান্ড দ্যা ইমপ্যাকট অন বিপিও’ শিরোনামে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ৩টি সেমিনার। একই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় মেঘনা হলে অনুষ্ঠিত হয় ‘ক্যাপাসিটি ব্লিডিং ফর কলসেন্টার এজেন্টস’ শিরোনামে একটি কর্মশালা।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এবারের আয়োজনে আউটসোর্সিং সেবা, পরবর্তী প্রজন্মের ধারণাগুলো প্রদর্শন করা হবে। সময়ের আলোচিত সেবা বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। বিপিও খাতে ২০২১ সালের মধ্যে ১ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করেন আয়োজকরা।

Category:

Leave a Reply