নৌকায় ভোট দিন, উন্নয়ন দেব

Posted on by 0 comment

7উত্তরণ প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আপনারা নৌকায় ভোট দিন আমি উন্নয়ন দেব। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল স্বাধীনতার সুফল বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার। বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরের মাথায় বাংলাদেশকে যখন স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছিলেন ঠিক তখনই ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। যে উন্নয়ন জাতির পিতা শুরু করেছিলেন সেই অপশক্তি বাংলাদেশে উন্নয়ন করতে দেয়নি। যারা দেশকে ভালোই বাসে না তারা দেশের উন্নয়ন করবে কীভাবে? পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের ইচ্ছায় আমি আওয়ামী লীগের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমি ইতোপূর্বে ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছি। ঠাকুরগাঁওয়ের সমস্ত উপজেলা, ইউনিয়ন ঘুরেছি। আমি যত দূরেই থাকি না কেন আপনারা সব সময় আমার হৃদয়ে আছেন। বাবা-মা, ভাই-বোনসহ যখন সকলকে হারাই তখন আপনাদের মাঝেই তাদেরকে খুঁজে পাই। আমি আপনাদের মাঝে ফিরে পেয়েছি মাকে। তাই আপনাদের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী গত ২৯ মার্চ বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলাম এমপির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবব-উল-আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবীর নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অপু উকিল, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক মাহমুদা আতিক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক মুহা. সাদেক কুরাইশী।

চট্টগ্রামে শেখ হাসিনা : আবারও নৌকায় ভোট দিন
গত ২১ মার্চ বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জনসভায় লাখো মানুষের সমুদ্রে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ মানেই উন্নয়ন। এই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভোট দিয়ে আপনারা স্বাধীনতা পেয়েছিলেন। এই আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। বিএনপি-জামাত বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বাংলাভাইয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত করিয়েছিল। আমরা শান্তি চাই, উন্নয়ন চাই। সমাবেশে তিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং মানুষের সুন্দর জীবন নিশ্চিত করতে আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করেন।
বিএনপি-জামাতের অপশাসনের উল্লেখ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের সময়ে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র এসেছিল। এর সঙ্গে ছিলেন খালেদা জিয়ার দুই ছেলে। দুর্নীতির মামলায় আদালতের রায়ে তার সাজা হয়েছে। তারা জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেছিল। আমাদের সরকার সিঙ্গাপুর থেকে জনগণের অর্থ ফিরিয়ে এনেছে। বেগম খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি (খালেদা) এতিমের সম্পদ লুট করেছেন। একটি টাকাও এতিমখানায় দেননি। পুরোটাই আত্মসাৎ করেছেন। এই মামলা আওয়ামী লীগ দেয়নি। মামলাটি দায়ের হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে। তখন ছিল ফখরুদ্দিন-মঈদ্দিনের সরকার। ওনারা তাদেরই (বিএনপি) লোক ছিলেন। কোর্ট বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে এই রায় দিয়েছে। তারা আইন মানবেন না, কিছুই করবেন না। আন্দোলনের নামে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। বিএনপি-জামাত যতবার ক্ষমতায় ছিল প্রতিবারেই মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। যানবাহনে অগ্নিসংযোগে চালক ও হেলপার পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। তাদের সময়ে দেশে জঙ্গি সৃষ্টি হয়েছে। অথচ বর্তমান সরকার দুই দুইবার ক্ষমতায় থেকে দেশব্যাপী দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ করেছে। আমরা মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।
বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে উন্নয়নের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন বিদ্যুতের উৎপাদন ছিল ১৬০০ মেগাওয়াট। আমরা ৪০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি। ২০০১ সালে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। আমরা আবার ক্ষমতায় আসার পর ১৬০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি।
চট্টগ্রামের উন্নয়নে তার সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকা-ের আওতায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম এবং পুরো চট্টগ্রাম বিভাগে উন্নয়ন হয়েছে। আজ ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং ২৮টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আরও বক্তৃতা করেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমএ ছালাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, মহিবুল হাসান নওফেল, এনামুল হক শামীম, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদ সদস্য, মাঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি, এমএ লতিফ এমপি, নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, ড. আবু রেজা মো. নদভী এমপি, মোস্তাফিজুর রহমান এমপি। এই জনসভায় পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, বোয়ালখালী ও নবসৃষ্ট কর্ণফুলী উপজেলা ছাড়াও চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে জনসভায় যোগ দেন।

খুলনায় শেখ হাসিনা : আগামী নির্বাচনে নৌকার জয় হবে, ইনশাল্লাহ
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানের বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধশালী করতে চাই। আগামী নির্বাচনে নৌকার জয় হবে, ইনশাল্লাহ! উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
গত ৩ মার্চ বিকেলে খুলনা জেলা এবং মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হলে নৌকায় ভোট দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই; এটা এখন দেশবাসী বুঝতে সক্ষম হয়েছে। আমরা চাই বাংলাদেশকে আরও উন্নত করতে। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছেন। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার পেয়েছেন। আপনারা দেশের উন্নয়ন পেয়েছেন। গত নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন, উন্নয়ন হয়েছে। আগামীতে নির্বাচন। আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই, এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে চান? যদি চান, তাহলে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। আপনারা বলেন, দুই হাত তুলে দেখান, কোন মার্কায় ভোট দেবেন ওয়াদা করেন। এ সময় উপস্থিত লাখো জনতা দু-হাত তুলে সমস্বরে সেøাগান দিয়ে নৌকায় ভোট প্রদানের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী লাখো জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়ন করে। অন্যদিকে বিএনপি-জামাত কি করে? নির্বাচন ঠেকানোর নামে তারা ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে কত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। বিএনপি নেত্রী (খালেদা জিয়া) তার নিজের অফিসে বসে থেকে ঘোষণা দিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত না করে তিনি না-কি ঘরে ফিরবেন না। প্রায় তিন মাসের কাছাকাছি অফিসে বসেছিলেন। উনি (খালেদা জিয়া) অফিসে বসে বিরিয়ানি খান আর মানুষ পোড়ানোর হুকুম দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ধ্বংস করতে জানে, সৃষ্টি করতে জানে না। মানুষকে বাঁচাতে পারে না, মানুষকে হত্যা করতে পারে। হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিক করেছিলাম। তারা ক্ষমতায় গিয়ে তা বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা করে, জনগণের জন্য কাজ করে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই উন্নয়নের পথে। আজকে বাংলাদেশ দারিদ্র্যের হার কমিয়েছে। তিনি বলেন, এই খুলনাকে ভিক্ষুক মুক্ত করা হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের মানুষ ভিক্ষা করে চলবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের মানুষ সুন্দরভাবে জীবনযাপন করবে। আমরা সেটাই দেখতে চায়। সেটাই করতে চায়। এই দেশকে আরও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধশালী দেশ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনার সার্বিক উন্নয়নের ওয়াদা করেছিলাম। আজ ১০০টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি। যেন খুলনার উন্নয়ন হয়। এই অঞ্চলকে আরও উন্নত করতে চাই। জুট মিল থেকে শুরু করে বিভিন্নœ কল-কারখানার উৎপাদন শুরু করেছি। রূপসা ব্রিজ জাপান সরকারের সহযোগিতায় শুরু করেছিলাম। আজ সেটা বাস্তবায়ন হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মাধ্যমে বিভিন্ন ভাতার ব্যবস্থা করেছি। ৬৮ লাখ মা-বোন ভাতা পাচ্ছেন। ছেলে-মেয়েদের বই কেনার দায়িত্ব নিয়েছি। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ বই উৎসব হয়। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তিনি সরকারের উন্নয়নমুখী বিভিন্ন কর্মকা-ের তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ সরকার আসার আগে কারও হাতে মোবাইল ফোন ছিল না। আমরা ক্ষমতায় এসে তা হাতে হাতে তুলে দিয়েছি। এর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে আরও অনেক সেবা নিতে পারছেন। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন ওই মোংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। এই অঞ্চল একসময় উন্নত ছিল। এখন আবার উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছি। উন্নয়নের জন্য আমরা সব কাজ করে দিচ্ছি। তিনি বলেন, ভোলায় অনেক গ্যাস পাওয়া গেছে। সেই গ্যাস পাইপলাইনে করে বরিশাল ও খুলনায় যেন আসে সেই ব্যবস্থা করে দেব।
শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। হত্যা আর অশান্তির ধর্ম না। আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করবে, বিভিন্ন দেশে চাকরি করবেÑ এটাই আমরা চাই। আমাদের ছেলেমেয়েরা কেন বিপথে যাবে? তাদের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। তিনি বলেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালাতে চাই। ইনশাল্লাহ ২০২১ সালের মধ্যে কোনো ঘর অন্ধকার থাকবে না। সব ঘরে আলো জ্বলে সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন সকলের হাতে মোবাইল ফোন। আছে না মোবাইল ফোন? আছে? Ñ প্রধানমন্ত্রীর এই কথায় জনসভায় উপস্থিত সবাই তাদের মোবাইল ফোনসহ হাত তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যা ওয়াদা দিয়েছিলাম এর বাইরেও যে সমস্ত কাজ জনগণের জন্য কল্যাণকর সেগুলো আমরা করেছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, আপনারা জানেন ওই মোংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, মোংলা বন্দর পর্যন্ত যেন রেললাইন যায়, পদ্মাসেতু থেকে শুরু করে যশোর-বাগেরহাট হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন যাবে সে প্রকল্প বাস্তবায়নে তার সরকার কাজ শুরু করেছে। কেউ কুঁড়েঘরে থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না। প্রত্যেকটা মানুষের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয়ার ব্যবস্থা নিয়েছি। আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় দেড় লাখ মানুষকে ঘর করে দিয়েছি।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি, ডা. দীপু মনি এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আবদুর রহমান এমপি, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় সদস্য বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান এমপি, সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট নুরুল হক এমপি, মহিলা আওয়ামী লীগের মাহমুদ বেগম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের পংকজ দেবনাথ এমপি, যুব মহিলা লীগের নাজমা আকতার, ছাত্রলীগের এসএম জাকির হোসাইন প্রমুখ। জনসভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন।

Category:

Leave a Reply