‘পেয়ারে পাকিস্তান যাদের হৃদয়ে তারা দেশের উন্নয়ন চায়নি’

জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী

43উত্তরণ প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশের চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা ত্বরান্বিত করতে দেশবাসীর ঐক্যবদ্ধ সমর্থন কামনা করে বলেছেন, মাত্র ৯ বছর ক্ষমতায় থেকে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে সবদিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, সারাবিশ্বের সামনে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোলমডেল। কিন্তু আমার প্রশ্ন, স্বাধীনতার ৪৭ বছরের মধ্যে দীর্ঘ ২৮ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কেন দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি? সারাবিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি কেন উন্নত করতে পারেনি? তার প্রধান কারণ হচ্ছেÑ এরা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী না। তারা দেশে থাকলেও তাদের হৃদয়ে পেয়ারে পাকিস্তান। পাকিস্তানের গোলামি করাই তাদের পছন্দ ছিল বলেই বাংলাদেশ উন্নত ও স্বাবলম্বী হোক তা কোনোদিনই তারা চায়নি। একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশ উন্নত হয়, এগিয়ে যায় আমরা তা প্রমাণ করেছি।
গত ১০ জানুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের সঙ্গে খন্দকার মোশতাক ও জেনারেল জিয়ার জড়িত থাকার কথা পুনরুল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অনেকেই জেনারেল জিয়াকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বলার চেষ্টা করেছিলেন। জেনারেল জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্র মানে যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন, ক্ষমতায়ন, ভোটের ও রাজনীতির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। কারাগারে বন্দী যুদ্ধাপরাধীদের মার্শাল ল’ অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে মুক্তি দিয়ে রাজনীতি করার অধিকারই ছিল জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের নমুনা। তিনি বলেন, জনগণের গণতন্ত্র নয়, প্রতি রাতে কার্ফ্যু গণতন্ত্রের নামে স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন জেনারেল জিয়া করেছিলেন বলেই দেশ এগিয়ে যেতে পারেনি, বরং অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছিল।
ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার কাছে ওয়াদা দিয়ে বলেনÑ “বঙ্গবন্ধু তোমায় কথা দিলামÑ বাংলাদেশকে তাঁর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলব। ’২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। আর ’৪১ সালের মধ্যে বিশ্বে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলব।” এজন্য প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর ঐকান্তিক সমর্থন ও সহযোগিতাও কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি, সভাপতিম-লীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এমপি, শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, গৃহায়নমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, ইতিহাসবিদ-কলামিস্ট অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, কেন্দ্রীয় নেতা মারুফা আকতার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধী, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে ক্ষমতা দখল করে খুনি মোশতাক ও জেনারেল জিয়ারা। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে বঙ্গবন্ধুর নাম ও ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোও নিষিদ্ধ করা হয়। বাংলাদেশের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তির বেড়াজালে ফেলে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুই বলেছিলেনÑ বাংলাদেশের মাটি খুব উর্বর। উর্বর মাটিতে গাছপালার সঙ্গে কিছু আগাছাও জন্ম নেয়। তেমনি খুনি মোশতাকের মতো গাদ্দারের জন্ম হয়েছিল এ দেশের মাটিতে। পাকিস্তানি হানাদাররা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছিল, সারাদেশের গ্রামগঞ্জ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। আর তাদের সাহায্য করেছিল আমাদের দেশেরই কিছু কুলাঙ্গার আলবদর-রাজাকার-আলশামসরা।
বিএনপি-জামাত জোটের অগ্নিসন্ত্রাস ও মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার ভয়াল চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জেনারেল জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে খালেদা জিয়াও একাত্তরের স্বীকৃত গণহত্যাকারী-যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে তাদের হাতে তুলে দেন লাখো শহীদের রক্ত¯œাত জাতীয় পতাকা। স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীরাই যেন হয়ে যায় এ দেশের হর্তা-কর্তা-বিধাতা। ২১ আগস্ট ভয়াল গ্রেনেড হামলা, একসঙ্গে ৫০০ স্থানে বোমা হামলা, জঙ্গি-সন্ত্রাস, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, নারী নির্যাতন এমন কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ নেই যে বিএনপি-জামাত জোটের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়নি।
তিনি বলেন, একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদাররা যেভাবে গণহত্যা ও জ্বালাও-পোড়াও চালিয়েছিল, বিএনপি-জামাত জোট ঠিক একই কায়দায় আন্দোলনের নামে নির্বিচারে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে। সরকার উৎখাত না করে ঘরে ফিরব না এ কথা বলে খালেদা জিয়া নির্বিচারে শ’ শ’ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে, সারাদেশে নাশকতা চালান। কিন্তু দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের মানুষ প্রথম উপলব্ধি করে যে, সরকার শাসক নয়, জনগণের সেবক। ’৯৬-২০০১ এই পাঁচ বছর ছিল বাংলাদেশের জন্য উন্নয়নের স্বর্ণযুগ। এরপর বিএনপি-জামাত জোট ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে দেশকে আবারও পিছিয়ে দিয়ে যায়। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে জনগণের ভোটে পুনরায় ক্ষমতায় এসে আমরা ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে আবারও মজবুত করি। বাংলাদেশ আজ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করেছি।
আবেগজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে বন্দী করার পর দীর্ঘ ৯ মাস আমরা জানতাম না তিনি বেঁচে আছেন কি না। কারণ বঙ্গবন্ধুর পাশাপাশি ধানমন্ডির ১৮ নম্বর বাড়িতে আমাদের পরিবারের সবাইকে বন্দী করে রাখা হয়। পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু যখন প্রথম লন্ডনে যান, তখন জানতে পারি তিনি বেঁচে আছেন। বঙ্গবন্ধু লন্ডন থেকে যখন আমাদের কাছে ফোন করেছিলেন তখন আমাদের কথা বলার মতো কোনো অবস্থা ছিল না। শুধু আমাদের অপেক্ষা ছিল কখন ফিরে আসবেন আমাদের জাতির পিতা।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করে আমাদের কাছে নয়, বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে গিয়েছিলেন তার প্রিয় এ দেশের মানুষের কাছে। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণে কীভাবে স্বাধীন দেশ গড়ে তোলা হবে, কোন নীতিতে এ দেশ চলবে ও গড়ে উঠবে সেই দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তুলেছিলেন। মাত্র ১০ মাসের মধ্যে বাঙালি জাতিকে শাসনতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলতে দেশকে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীর দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা চরম আঘাত হেনে বাঙালি জাতিকে অগ্রগতির মিছিল থেকে ফেলে দেয়। দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিরল প্রাণীর মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে বিএনপি : ওবায়দুল কাদের
দশম সংসদ নির্বাচনের চতুর্থ বর্ষপূর্তির দিন গত ৫ জানুয়ারি ব্যাপক শোডাউনের মাধ্যমে রাজপথসহ সারাদেশের মাঠ ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। গণতন্ত্রের বিজয় দিবসের এ দিনটিতে দেশজুড়ে বিজয় শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ।
45গত ৫ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় একযোগে সারাদেশে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অসংখ্য মানুষের ঢল নামে। শোভাযাত্রায় সন্ত্রাস-নাশকতা-জঙ্গিবাদ ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। এ ছাড়া রাজধানীর অলিগলিসহ দুশতাধিক স্থানে দিনভর সতর্ক অবস্থানে থেকে বিজয়োৎসব পালন করেছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অসংখ্য মানুষ।
রাজধানীর বনানী পূজা মাঠে এবং ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রাঙ্গণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর শাখা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত শোভাযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এতিমের টাকা মেরে খাওয়া দুর্নীতিবাজ, জঙ্গির পৃষ্ঠপোষক ও পেট্রলবোমা নেত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, অতীত কৃতকর্মের কারণে বিএনপি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। দেশের জনগণ বিএনপিকে আর কখনও ক্ষমতায় আসতে দেবে না। দেশ ও জাতির উন্নয়নের স্বার্থে শেখ হাসিনাকে আবারও ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে দেশবাসী। নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে দেশে শুধু গণতন্ত্রই রক্ষা পায়নি, সাংবিধানিক শাসনও সুরক্ষিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শত ষড়যন্ত্র, আগুন সন্ত্রাস ও নাশকতা মোকাবিলা করেই রাষ্ট্রকে সুরক্ষিত করেছিলেন। সিনিয়র নেতারা আরও বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মামলায় শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্র করছেন। জনগণের প্রতি তার কোনো আস্থা নেই, ষড়যন্ত্রে তার আস্থা আছে।
বনানী পূজা মাঠে শোভাযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ৫ জানুয়ারি বিএনপি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করলেও এটি মূলত দলটির জন্য ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা দিবস’।

নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা হলে জনগণ প্রতিহত করবে
এদিকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত শোভাযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এমপি বলেন, নির্বাচনী ট্রেন বিএনপির স্টেশনে থামবে না। সময় ও স্রোতের মতো আগামী (একাদশ) সংসদ নির্বাচনও কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাবে। বিরল প্রাণীর মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে বিএনপি। পৃথিবীতে অনেক রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তাদের অবস্থা মুসলিম লীগের চেয়েও খারাপ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলে জনগণই তা প্রতিহত করবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ড. কামাল হোসেন ও খালেদা জিয়া সরকার ও সংসদকে অবৈধ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কিন্তু বিশ্বের দুটি বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) বাংলাদেশের পার্লামেন্টকে স্বীকৃতি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এ দুটি সংস্থার প্রধানও করা হয়েছে সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি ও বাংলাদেশের সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে। তাহলে কীভাবে গণতন্ত্রের সংকট আছে? আপনারা নির্বাচনে অংশ নেন নি। গণতন্ত্র যদি না থাকত তাহলে কী তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিত?

Category:

Leave a Reply