প্যালেস্টাইনে আশার আলো : ফাতাহ-হামাস সমঝোতা

42সাইদ আহমেদ বাবু:প্যালেস্টাইন খুবই প্রাচীন একটি নাম, ভূমধ্যসাগর ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী ভূখ- ফিলিস্তিন বা প্যালেস্টাইন মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি তথা সকল ধর্মাবলম্বীর কাছে একটি পবিত্র ভূমি। জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ অবস্থিত, যা মুসলমানদের স্মৃতিবিজড়িত। জেরুজালেমের বেথেলহামে যিশু খ্রিস্ট জন্মগ্রহণ করেন, যার জন্য এই জায়গাটি খ্রিস্টানদের কাছে অধিক পছন্দনীয়। তাছাড়া জেরুজালেমে ইহুদিদের পবিত্র ওয়েলিং ওয়াল অবস্থিত।
প্রাচীনকালে ফিলিস্তিন ভূখ-ের আয়তন ছিল ২৫০০ বর্গকিলোমিটার। দেশটি ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল এবং মিসর, জর্দান, সিরিয়া ও লেবাননের পাশে অবস্থিত। প্যালেস্টাইন নবীদের পুণ্যভূমি। এই ভূমিতে হযরত ইয়াকুব, ইউসুফ, লুত, দাউদ, সোলাইমান, মুসা সালেহ, জাকারিয়া, ইয়াহইয়া, ইসা (আ.) প্রমুখ নবী জীবনযাপন করেছেন, কোরআনে যাদের উল্লেখ পাওয়া যায়। হযরত ঈসা (আ.) জন্মের প্রায় এক হাজার বছর আগে হযরত দাউদ (আ.) জেরুজালেমে বায়তুল মুকাদ্দাস তথা আল্লাহর ঘর নির্মাণ করেন।
ইতিহাসের আদি উৎস থেকেই ইহুদি জাতির স্থায়ী কোনো আবাস নেই। হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর পরবর্তী পুরুষ ছিলেন ইয়াকুব (আ.)। এর আরেক নাম ছিল ইসরাইল, তার নাম থেকেই এই জাতির নাম হয়েছে বনি ইসরাইল, অর্থাৎ ইসরাইলের বংশধর। বর্তমানে তাদের প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের নামও ইসরাইল। এরপর ইতিহাসের ধারা বেয়ে পর্যায়ক্রমে এই এলাকায় ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলমানরা জনবসতি গড়ে তোলে। এই পবিত্র ভূমি নিয়ে মারামারির পেছনে কারণ সেই একটাইÑ কারা এর আসল মালিক।
রোমানদের আক্রমণে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ইহুদিরা ইউরোপের বিভিন্ন ভূখ-ে ছড়িয়ে পড়ে এবং নির্বাসিত জীবনযাপন শুরু করে। এই নির্বাসিত জীবন থেকে মুক্তির জন্য ইহুদিরা ‘জায়নবাদী’ আন্দোলন গড়ে তোলে। এই জায়নিজম আন্দোলনের উদ্ভব হয় ভিয়েনা শহরে। থিওডর হারজল নামক একজন হাঙ্গেরীয় ইহুদি সাংবাদিক ভিয়েনার ইহুদিদের নিয়ে শুরু করেন জায়োনিস্ট আন্দোলন। ১৮৯৭ সালে তিনি সুইজারল্যান্ডে প্রথম ‘আন্তর্জাতিক জায়োনিস্ট কংগ্রেস’ আহ্বান করেন।
এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা আবাসভূমি তৈরি করা। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে থিওডর দাবি করলেন, প্যালেস্টাইন ছিল ইহুদিদের আদি নিবাস। অতএব, সব ইহুদিকে সেখানে ফিরে যেতে হবে, গড়তে হবে পৃথক আবাসভূমি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কিদের কাছ থেকে ব্রিটিশরা ১৯১৭ সালে ফিলিস্তিন দখল করে নেয়। বিশ্বযুদ্ধে খিলাফতের পতন হলে ১৯২২ সালে ফিলিস্তিন তৎকালীন লিগ অব নেশন্সের মাধ্যমে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে চলে যায়। এভাবেই ব্রিটিশরা জায়োনিস্টদের ফিলিস্তিন দান করে।
১৯৪৮ সালে আরব লীগের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয় ফিলিস্তিনকে বিভক্ত করে ইসরাইল নামে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব। ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এর প্রেসিডেন্ট হন মেনাহাইম ওয়াইজম্যান, এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯৪৮ সালে তথাকথিত জাতিসংঘের মাধ্যমে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

ইয়াসির আরাফাত ও পিএলও’র অবদান
মুক্তি সংগ্রামের লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন (পিএলও)। ১৯৬৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ইয়াসির আরাফাত ছিলেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান। Palestine Liberation Organization (PLO)-এর একটি অংশ হচ্ছে আল-ফাতাহ, যা ১০ অক্টোবর ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ইয়াসির আরাফাতের আপসহীন সাহসী নেতৃত্বে সা¤্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের লেজুড়দের বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে আলজিয়ার্স শহরে নির্বাসনে ঘোষিত একটি রাষ্ট্র, যেখানে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন (পিএলও) ও প্যালেস্টাইন জাতীয় পরিষদ (পিএনসি) একপাক্ষিকভাবে প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। তিনি বলেন, স্বাধীন প্যালেস্টাইনে মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান সবাই সমান অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে শান্তিতে বাস করবে। ইয়াসির আরাফাত চরম সংকটময় অবস্থায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। চেষ্টা করেন দেশটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য। ১৯৯৩ সালে ইসরাইলের সাথে অসলো শান্তিচুক্তির জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। ১৯৯১, ১৯৯৩ ও ২০০০ সালে আরাফাত ইসরাইলের সাথে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রয়াস নেন।
সর্বশেষ ২০০১ সালে অসলো শান্তি প্রক্রিয়ার সকল চড়াই-উৎরাই পেরোনোর শেষ পর্যায়ে বিল ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দিকে দ্বিতীয় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে ইসরাইল-ফিলিস্তিন উভয়পক্ষকেই স্বাক্ষর করানোর জন্য একত্রিত করা হয়েছিল। কিন্তু আরাফাত ঐ প্রতারণামূলক চুক্তির কতগুলো                       Volted line-এ স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে আমেরিকা-ইসরাইলের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় ইয়াসিরকে দৃশ্যপট থেকে সরানো। তাই তারা তাকে আল-ফাতাহ’র সদর দফতর রামাল্লায় টানা দুই বছর বন্দী করে রাখে। অতঃপর রহস্যজনকভাবে ১১ নভেম্বর ২০০৪ সালে প্যারিসের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এভাবে বিদায় ঘটে এককালের মজলুম জনতার প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, এরপর দলটির হাল ধরেন তারই ডেপুটি মাহমুদ আব্বাস।
আরাফাতের মৃত্যুর পর হামাস ও ফাত্তার নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ে। ফলে উভয়ের সম্পর্কের অবনতি, দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে ইসরাইল গাজায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
চুক্তির সর্বাঙ্গীন ব্যর্থতা ফিলিস্তিনিদের আবার জ্বালিয়ে তোলে। এর মাঝেই চলতে থাকে ফিলিস্তিনিদের অধিকার আন্দোলন। ১৯৮৭ সালে গঠিত হয় হামাস। ইসরাইলের জন্য স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো যেমন ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের প্রত্যাবর্তন, প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে জেরুজালেমের অন্তর্ভুক্তি ইত্যাদি দাবিতে হামাস আপসহীন ও অটল। ফলশ্রুতিতে হামাস একদিকে যেমন ইসরাইলের চক্ষুশুলে পরিণত হয়, অন্যদিকে পরিণত হয় ফিলিস্তিনিদের নয়নমণিতে, ফিলিস্তিনের প্রধান দুই রাজনৈতিক সংগঠন হলো ফাতাহ ও হামাস। ২০০৬ সালের পর থেকে ফিলিস্তিনিরা দুটি প্রধান দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইসরাইল এবং জাপান হামাসকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে। এর ফলে ২০০৬ সালের নির্বাচনে হামাস সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হলেও তাদের আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা করে রাখা হয়।
নির্বাচনে মাহমুদ আব্বাস নেতৃত্বাধীন দল পরাজিত হলেও সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় ফাতাহ ও হামাস উভয়ের অংশগ্রহণে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়। এরপর থেকে এই কোয়ালিশন সরকারকে ভেঙে দেওয়ার জন্য ইসরাইল তার সর্বশক্তি নিয়োগ করে। অবশেষে পশ্চিমাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহ্বাস কোয়ালিশন সরকার ভেঙে দেন। এহেন মুহূর্তে আসন্ন বিপদ বুঝতে পেরে হামাস দারিদ্র্যপীড়িত গাজার অধিকার গ্রহণ করে এবং ফাতাহ পশ্চিম তীরের অধিকার গ্রহণ করে। এভাবে একটি জাতি হিসেবে ফিলিস্তিন বিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে ফিলিস্তিন জাতির একতাবদ্ধ শক্তিও ভেঙে দু-টুকরো হয়ে যায়।
এর মধ্যে ফাতাহ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। কিন্তু ইসরাইলের সাথে শান্তিচুক্তির পর ফাতাহ রাজনৈতিক পথে হাটে। ফাতাহ ইসরাইলের সাথে শান্তিচুক্তি করে পাশাপাশি থাকতে আগ্রহী, যার কারণে তারা বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের সমর্থন পায়। দুই দলের প্রধান দ্বন্দ্ব হলো ইসরাইলকে নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। বরং দশকের পর দশক ধরে সেখানে নতুন মাত্রায় সংঘাত জন্ম নিয়েছে।

ফাতাহ-হামাস সমঝোতা চুক্তি
ফিলিস্তিন প্রতিদ্বন্দ্বী দুই সংগঠন ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন বা হামাস ও ফাতাহ রাজনৈতিক পুনর্গঠন নিয়ে একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে ফিলিস্তিনি গ্রুপ হামাস গাজায় তাদের সরকার বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। সেটা বিরোধ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম একটি পদক্ষেপ। এ ঐক্যকে স্বাগত জানিয়েছে প্যালেস্টাইনি জনগণ। তবে অনেকে সন্দেহও প্রকাশ করেছে এ ঐক্য ঘোষণা আদৌ বাস্তবায়িত হবে কি না তা নিয়ে। উল্লেখ্য, এর আগেও অন্তত দুবার ঐক্যের ঘোষণা দিলেও বা কার্যকর হয়নি।
কায়রোতে মিসরীয় কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের পর হামাস নেতারা বলেছেন, গাজায় তারা নতুন নির্বাচনের আয়োজন এবং ফাতাহর সাথে আলোচনা শুরু করবেন। ফাতাহর নেতারাও একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ উল্লেখ করে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। হামাসের ওপর যখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ ক্রমশই বাড়ছে ঠিক তখনই হামাসের পক্ষ থেকে এই সমঝোতার কথা ঘোষণা করা হলো। গাজাবাসীর চাওয়া এক, অবসান হোক দুই পক্ষের মধ্যকার দশকের পর দশক ধরে চলা দ্বন্দ্ব। সবাই এ বিষয়ে একমত যে, হামাস ও ফাতাহর দ্বন্দ্ব ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের চরম ক্ষতি করেছে। দুপক্ষের মধ্যে সাম্প্রতিক চুক্তি তাই বহু গাজাবাসীর কাছেই আশা জাগানিয়া। মিসরের মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তি অনুযায়ী, ফাতাহ নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে গাজা শাসন করবে। আগামী ২১ নভেম্বর ফিলিস্তিনের সব রাজনৈতিক আন্দোলনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই প্যালেস্টানিদের মধ্যে সকল সমস্যা নিরসনের জন্য আলোচনা হবে।
প্রেসিডেন্ট আব্বাস মীমাংসা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শিগগিরই গাজা যাবেন, যেটি হবে এক দশকের মধ্যে তার প্রথম গাজা সফর। হামাস নেতা বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হই তাহলে আমরা কীভাবে নেতানিয়াহু এবং তার কট্টর ডানপন্থি অবৈধ বসতি স্থাপনের সমর্থক সরকারের মুখোমুখি বসতে পারব! গাজা এবং পশ্চিম তীর ঐক্যবদ্ধ না হতে পারলে মূল সমস্যা মোকাবেলা খুবই কঠিন হবে। আর সেই সমস্যা হলো ‘ইসরাইলি দখলদারিত্ব’ এহেন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নতুন সমঝোতা করাতে গাজাবাসীর জীবনে কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরিয়া আসাও কিন্তু খুব একটা কম প্রাপ্তি হবে না। এদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও দেশটির পশ্চিমা সমর্থিত ক্ষমতাসীন দল ফাতাহর জাতীয় সংহতি চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছে ইসরাইল। এর আগে হামাস ও ফাতাহর মধ্যকার সমঝোতায় বলা হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের প্রতিনিধি দলের প্রধান আজম আল-আহমাদ জানিয়েছেন, চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর থেকে মিসর এবং গাজা উপত্যকার মধ্যকার রাফা ক্রসিং পয়েন্টের পরিচালনার ভার নেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড বাহিনী। ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ সেখানে তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ এবং বাস্তবায়নের পাশাপাশি ফিলিস্তিনির সব সীমান্তে প্রেসিডেন্ট গার্ড বাহিনী মোতায়েন করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র হতাশা ব্যক্ত করে বলেছে, এ ঐক্য শান্তি প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। পররাষ্ট্র দফতরের একজন মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, এটি ভাবা কঠিন যে ইসরাইল কী করে একটি সরকারের সাথে দরকষাকষি করবে যারা এর (ইসরাইলের) অস্তিত্বের অধিকারে বিশ্বাস করে না।
তবে, প্যালেস্টাইনের রাজনীতিকরা একে প্যালেস্টানিদের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে অভিহিত করেছেন। ফাতাহর নেতা মাহমুদ আব্বাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, শান্তি-আলোচনার সাথে (প্যালেস্টাইনিদের) ঐক্যের মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য নেই। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ইসরাইল-প্যালেস্টাইন সমস্যার                    দ্বি-রাষ্ট্রিক সমাধানের প্রতি তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ।

Category:

Leave a Reply