‘শহিদুল আলম আদালতে নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন’

uttaranউত্তরণ প্রতিবেদন: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর আলোকচিত্রী শহিদুল আলম আদালতে নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। গত ১১ আগস্ট বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। গত ৫ আগস্ট রাতে দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুলকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন ৬ আগস্ট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এ মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে ছিলেন শহিদুল। প্রথম দিন আদালতে তোলার পর শহিদুলকে খালি পায়ে হাঁটতে দেখা যায়। তিনি আদালতের কাছে দাবি করেন, পুলিশ তাকে নির্যাতন করেছে এবং তার রক্তাক্ত জামা পরিষ্কার করে নতুন করে পরিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘শহিদুল আলমের নির্যাতনের অভিযোগ আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে তার অনেক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মধ্যেই একটি। তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক পরীক্ষা করেন। তারা নির্যাতনের কোনো প্রমাণ এমনকি ইঙ্গিতও পাননি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে একই বিষয় জানতে পারেন।’ জয় বলেন, ‘এ থেকে প্রমাণ হয় শহিদুল আলম আসলে কতটা অসৎ। আদালতে নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করে ক্যামেরার সামনে হাঁটার সমস্যার অভিনয় করছেন।’ এর আগে ১০ আগস্ট একটি পোস্টে জয় বলেছিলেন, ‘শহিদুল আলমের দেওয়া মিথ্যে পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও (আওয়ামী লীগের) পার্টি অফিসে হামলা চালায়।’

সিনহাকে টাকা দিয়েছেন যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেমের ভাই
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে গোপনে টাকা দিয়েছে যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেমের ভাই মামুন। গত ১২ আগস্ট জয় তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কিছু তথ্য আমার কাছে এসেছে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিন্দিত সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহা সম্প্রতি নিউইয়র্ক এসেছিলেন। সেখানে তিনি গোপনে যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেমের ভাই মামুনের সাথে দেখা করেন। আমরা জানতে পেরেছি মামুনের কাছ থেকে তিনি বড় অঙ্কের টাকা পেয়েছেন। টাকাটা তাকে দেওয়া হয়েছে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য। তাদের এই আলাপ দেখেছে ও শুনেছে এরকম সাক্ষীও আছে।’ বিডিনিউজের মতামতের একটি প্রবন্ধ স্ট্যাটাসে সংযুক্ত করা হয়।
সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের দেশে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র খুবই সাধারণ একটি বিষয়। এই প্রবন্ধটিতে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে আমাদের “কু-শীল” সমাজ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতেন যদি ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হতো।’ তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে অপরিচিত বা অজনপ্রিয় মানুষের ভূমিকা কম। একটি ষড়যন্ত্রকে সফল করতে হলে দরকার হয় উচ্চ পর্যায়ের ও ক্ষমতাবান কাউকে। যেমন সিনহা বা শহিদুল আলম।’

Category:

Leave a Reply