স্লিম হতে চাইলে বেশি করে পানি পান করুন

Posted on by 0 comment

54অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী: ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা নিবন্ধে দেখানো হয়েছে, যারা প্রতিদিন পানি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়েছেন, তাদের যেমন দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণ কমেছে তেমনি চর্বি, চিনি, নুন ও কোলেস্টেরোল গ্রহণও কমে। ১৮ হাজার প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে, যা নিবন্ধাকারে প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব হিউম্যান ডায়েটেকিস অ্যান্ড নিউট্রিশনে।
গড়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক প্রতিদিন ৪.২ কাপ পরিমাণ পানি পান করেন, যা হলো মোট পানি গ্রহণের ৩০ শতাংশ মাত্র, বাকি আসে অন্যান্য পানীয় যেমনÑ চা, কপি, ফলের জুস ও খাদ্য থেকে।
অংশগ্রহণকারীদের গড় ক্যালোরি গ্রহণ ছিল ২ হাজার ১৫৭ ক্যালোরি, তবে ১২৫ ক্যালোরি এলো কোমল  পানীয় থেকে এবং ৪৩২ ক্যালোরি এলো ডেজার্ট, প্যাস্ট্রি, ¯œ্যাকসের মতো খাদ্য থেকে। তবু যারা প্রতিদিন এক, দুই বা তিন কাপ পানি গ্রহণ বাড়ালেন, এদের দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণ কমলো ৬৮-২০৫ ক্যালোরি এবং নুন গ্রহণ কমলো ৭৮-২৩৫ মিলি কম। চিনি গ্রহণ কমলো ৫-১৬ গ্রাম। কোলেস্টেরোল গ্রহণ কমলো ৭-১২ মিলিগ্রাম। পরিবর্তনটি বেশি হলো পুরুষদের মধ্যে।
বাড়তি পানি নানাভাবে সহায়ক হলো। পানি পান করে তৃপ্তির অনুভব বেশি করে এলো, এতে কমলো অতিভোজন। এবং কোমল পানীয় যাতে বাড়তি চিনি রয়েছে, সেসব পানীয় গ্রহণও কমলো। পানি পান প্রতিদিন করা যায় নানা উপায়ে। প্রতিবার টয়লেটে যাবার আগে, ঘুম থেকে উঠে এবং প্রতিবেলা আহারের কিছু আগে।
টিনএজে কী করে সুস্থ থাকা যাবে
টিনএজে যেসব অভ্যাস আমরা করি, সেগুলো বয়স্ক হলেও কী প্রভাব ফেলে শরীরের ওপর?
উত্তরটি হ্যাঁ বাচক। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর ৬৫ শতাংশ ঘটে হৃদরোগ, ক্যানসার ও স্ট্রোকে। অনেক ক্ষেত্রে এসব রোগ প্রতিরোধযোগ্য। অনেকগুলো আচরণ বা অভ্যাস, যা এসব রোগ কালক্রমে ঘটায়, সেগুলো শুরু হয় তরুণ বয়সে। যেমন কিশোর বয়সে ধূমপান শুরু করে বয়স হওয়ার পর্যন্ত চালালে বয়স্ক হলে হৃদরোগ, স্ট্রোক বা ক্যানসার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা।
তাই সুস্থ থাকতে হলে কী করা উচিত?
ক্স তামাক তামাকজাত যে কোনো দ্রব্য পরিহার। ধূমপান বর্জন। অন্যে ধূমপান করলে সেই ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ না করা।
ক্স নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
ক্স স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
ক্স সব সময় গাড়িতে বসে সিটবেল্ট বাঁধতে হবে।
ক্স মদ্যপান বা নেশা করে গাড়ি ড্রাইভ খুব বিপদ। যে গাড়ির ড্রাইভার মদ্যপান বা নেশা করে সে গাড়িতে চলা ঠিক না।
ক্স সুরক্ষা শিরোবর্ম পরতে হবে, মোটরবাইক চড়ার সময় হেলমেট, খেলার সময়ও সুরক্ষাবর্ম পরতে হবে।
ক্স কখনও একা সাঁতার কাটা যাবে না।
ক্স মনে খুব দুঃখবোধ হলে, নিজের ক্ষতি করার ভাবনা এলে মা-বাবা ও চিকিৎসকের সাথে আলাপ করতে হবে।
ক্স যেসব পরিস্থিতি বা স্থানে ভায়োলেন্স বা মারামারি হয় এবং দৈহিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে সেসব পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে হবে।
ক্স ডাক্তারকে নিয়মিত দেখাতে হবে।

Category:

Leave a Reply