একগুচ্ছ শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র উত্তরণ-এর দশম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজনদের শুভেচ্ছা বার্তা।

এটি অত্যন্ত আনন্দের যে, আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ-সময়ে আওয়ামী লীগের মুখপত্র মাসিক পত্রিকা ‘উত্তরণ’-এর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তাৎপর্যপূর্ণ। এই শুভক্ষণে আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি আরও অভিনন্দন জানাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সহযোদ্ধা কর্মীবৃন্দসহ ‘উত্তরণ’-এর সাথে সম্পৃক্ত সকল লেখক, শিল্পী, কলাকৌশলী ও পাঠকবৃন্দকে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন। বঙ্গবন্ধুর দর্শনÑ আওয়ামী লীগের দর্শন, আওয়ামী লীগের দর্শন- মুক্তিযুদ্ধের দর্শন। এসব একসূত্রে গাঁথা। জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে ‘উত্তরণ’ তাই গত ১০ বছরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে শক্তিশালী করে এর অগণিত নেতা ও কর্মী বাহিনীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ দেখাবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। ‘উত্তরণ’-এর আধেয়, বিশ্লেষণ, চিন্তা ও ভাবধারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বাতিঘর হয়ে বর্তমান ও অনাগত ভবিষ্যতের দিশারীÑ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে এদেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য যথার্থ সোনার বাংলায় রূপ দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবে বলে আমার বিশ্বাস।
ইতোমধ্যে গণতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ন্যায় বিচারের মধ্য দিয়ে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার দৃঢ়তা, জলবায়ু ন্যায় বিচারের জন্য তার ক্লান্তিহীন আন্তর্জাতিক কূটনীতি, দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে আপামর মানুষের প্রতি তার অপার ভালোবাসা ও মমত্ববোধ তাকে বিশ্ব নেতৃত্বের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি আজ ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’, ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’। দেশ আজ তার নেতৃত্বে মানুষের সকল মৌলিক চাহিদার যোগানে ও প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। মহাকাশে ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট’ উৎক্ষেপণ, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ, পারমাণবিক প্রযুক্তি যুগে প্রবেশসহ পদ্মাসেতু ও গভীর সমুদ্র বন্দর এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। মানসম্মত শিক্ষার বিস্তার, নারী ও শিশুর উন্নয়ন ও কল্যাণ, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ প্রণোদনা ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সমাজে আজ অধিকতর শান্তি-শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করেছে।
আমি আশা করি, ‘উত্তরণ’ এসব বিষয়ে প্রতিবেদন, ফিচার, ফটো-নিবন্ধ, বিশ্লেষণধর্মী রচনা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে দেশের সার্বিক বিষয়ে জনগণকে ‘অবহিত নাগরিক’ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। ‘উত্তরণ’ তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক বাঙালির জাতীয় চেতনা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যম অর্জিত ’৭২-এর সংবিধানের আলো। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিলের সাফল্য ও ‘উত্তরণ’-এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক
সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাযুদ্ধের কাণ্ডারি আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। দেশের সংকটকালে দেশ ও জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করার যে মহানব্রতে আওয়ামী লীগ প্রাণীত ও উজ্জীবিত এবং সেই ব্রতকে জীবন তুচ্ছ করে বাস্তবে রূপ দেবার যে নিরন্তর প্রচেষ্টা তা কেবল সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমেই সম্ভব এবং আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত সেই মহান কর্মটিকে সফল করার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর দশম বর্ষে পদার্পণকে স্বাগত জানাচ্ছি। উত্তরণ দেশ ও জাতির আশা, আকাক্সক্ষা ও স্বপ্নকে বুকে ধরে সমুখের দিকে এগিয়ে চলুক, এই প্রার্থনা।
আওয়ামী লীগ
জয় বঙ্গবন্ধু
জয় বাঙালি
জয় দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
আনোয়ারা সৈয়দ হক
সাহিত্যিক ও মনোচিকিৎসক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩তম জাতীয় সম্মেলন ও আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর প্রকাশনার ১০ বছরে পদার্পণে শুভেচ্ছা। সেই যুদ্ধ বাঙালির জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির নানা স্তর, নানা বাক, নানা রক্ত রাঙা লাল হরফে লেখা তারিখ ও দিনগুলো একবার স্মরণ করলে বা তার তাৎপর্য অনুধাবন করতে পারলে এই বাংলার বুকে কৃষক মজলুম মজদূর মেহনতি মানুষের কতটা ভালোবাসার পাত্র জনগণমনো নন্দিত নেতা হয়ে উঠেছিলেন জাতির পিতা, আর তার হাতে গড়া রাজনৈতিক দল বা সংগঠন আওয়ামী লীগ নামক মহীরুহ প্রতিষ্ঠান এবং বার শিকড় এই পবিত্র মাটির কতটা ভিড়ে প্রথিত তা অনুধাবন করা যাবে।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের নতুন স্তরে উন্নীত। জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ কর্মী-সমর্থকদের একান্ত প্রচেষ্টার জন্য বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত। আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন দলকে আরেক উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সম্মেলনের সাফল্য কামনা করছি। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের মুখপত্র উত্তরণ-এর প্রকাশনার ১০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দিন দিন উত্তরণ কামনা করি। আমার শুভেচ্ছা।
আজিজুর রহমান আজিজ
সাবেক সচিব ও সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশের অন্যতম পুরাতন অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে এই দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। দলের সর্বোচ্চ ফোরাম কাউন্সিলেই দলের ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিধি নির্ধারিত হয় বলে দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারি। বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রেক্ষাপটে আগামী ২১তম কাউন্সিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এই কাউন্সিলের সার্বিক সাফল্য কামনা করি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ প্রতিষ্ঠার পর হতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বিরোধী দলের অপপ্রচারের বস্তুনিষ্ঠভাবে জবাব দিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে ‘উত্তরণ’ স্বমহীমায় বিচ্ছুরিত হবে দশম বর্ষে পদার্পণে এই কামনা করি। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
প্রফেসর আবদুল মান্নান
সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন

‘পদ্মাসেতু চেতনা’- বিশ্বে মর্যাদার নতুন অবস্থানে বাংলাদেশকে পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনার। নিজস্ব অর্থে পদ্মাসেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতোই মহৎ চেতনার জন্ম দিয়েছেন- ‘পদ্মাসেতু চেতনা’। এ চেতনাই উজ্জ্বল ধ্রুবতারার মতো পথ দেখাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের লক্ষ্যে পৌঁছাতে।
অজয় দাশগুপ্ত
সাংবাদিক

প্রকাশকাল থেকেই উত্তরণ-এর নিব্বিষ্ট পাঠক আমি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র হিসেবে যথার্থ অর্থেই উত্তরণ দলের দর্পণ। এদেশে রাজনৈতিক দলের মুখপত্রগুলো সব সময় একটু বাড়িয়েই বলে। কিন্তু উত্তরণ-এর সব কথা গবেষণালব্ধ বিশ্লেষণধর্মী ও পরিসংখ্যাননির্ভর। তাই উত্তরণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের দর্পণ। ১০ বছরে পদার্পণের জন্য উত্তরণ-কে এবং এর সঙ্গে যুক্ত সম্পাদকসহ সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সেই সঙ্গে উত্তরণ-এর একটি দৈনিক সংস্করণের অপেক্ষায় থাকলাম।
ড. আবুল কালাম আজাদ
চেয়ারম্যান, মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ট্রাস্ট

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাণের সংগঠন, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর সফল প্রকাশনার ১০ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। স্বাধীনতাযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলন নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার চারবার দেশ পরিচালনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি দিয়েছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের সার্বিক সফলতা এবং উত্তরণ-এর আরও উত্তরণ কামনা করি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
অধ্যাপক (ডা.) কামরুল হাসান খান
সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাণপ্রিয় সংগঠন আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের এই শুভলগ্নে পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি জাতীয় সম্মেলন যেন শত শত ভাগ সফল হয়। বাংলাদেশের এই শ্রেষ্ঠতম দলটির প্রধান এখন বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সুতরাং, এই দলের জাতীয় সম্মেলন সফল ও সার্থক না হয়ে পারে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য আমার শুভ কামনা। শুভ কামনা এই দলের মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর জন্যও। ১০ বছর ধরে ‘উত্তরণ’ সফলভাবে তার দায়িত্ব পালন করে আসছে। আগামী দিনগুলোতেও যেন ‘উত্তরণ’ তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করে।
ইমদাদুল হক মিলন
কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক

বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমোঘ নির্দেশনায় বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ এবং এই যুদ্ধে সফল নেতৃত্ব দেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। স্বাধীন বাংলাদেশকে কাক্সিক্ষত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করতে চলার পথেও এই দলটি বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশকে একটি ‘অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল উদার গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় ২০০৮ সালে দলের নির্বাচনী ইশতেহার ‘দিনবদলের সনদ’-এ। সেই দার্শনিক চেতনার অনুসরণে নীতি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে আজ এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত ও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ২০১৮ সালে দলীয় নির্বাচনী ইশতেহার ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ গ্রহণ করা হয়। এতে একদিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় এবং অপরদিকে বিদ্যমান এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধান করে এগিয়ে চলা সুগম করতে করণীয় নির্ণয় করা হয়।
এই ইশতেহারের তাগিদ অনুযায়ী গ্রাম উন্নয়ন, তারুণ্যের শক্তির সুব্যবহার, দুর্নীতি দমন ও সুশাসনে ঘাটতিসমূহ দূর করে ক্ষুধা-দারিদ্র্য-বৈষম্যমুক্ত মানবকেন্দ্রিক টেকসই উন্নয়নে বিশ্বে একটি অগ্রগামী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করতে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করবে এই আশাবাদ প্রত্যয়ের সঙ্গে ব্যক্ত করতে চাই, কেননা কাণ্ডারি যে এই অভিযাত্রার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দৃঢ়প্রত্যয়ী দূরদর্শী জননেত্রী শেখ হাসিনা। সোনার বাংলা গড়ার এই গতিপথ উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ প্রশস্ত ও সাফল্যমণ্ডিত হউক।
২০-২১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সফল হউক।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। ধারাবাহিকভাবে জাতীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশ্লেষণ উপস্থাপন ও সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে নিরলসভাবে। দশম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে ‘উত্তরণ’-এর ক্রমাগত সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করি।
কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
অর্থনীতিবিদ

ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নের ধারক হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সেই প্রাচীন সংগঠন আওয়ামী লীগের সম্মেলনও নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক। আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে জেনে আমি আনন্দিত।
আমি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী এই দলটির জাতীয় কাউন্সিলের সফলতা কামনা করছি। আওয়ামী লীগ যেহেতু জনগণের দল সেই কারণে জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহিতা রয়েছে, অন্যদিকে দেশে এখন প্রকৃত রাজনৈতিক দল বলতে একটি দলই আছে। সেটি আওয়ামী লীগ। তাই তার কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে তারা যেমন সচেষ্ট হবে তেমনি তাদের সৎ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বে দেশ প্রকৃত জনহিতকর রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে সেই প্রত্যাশায়।
ফকির আলমগীর
গণসংগীত শিল্পী
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা শক্ত হাতে যার হাল ধরে আছেন। যার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ তথা স্বাধীনতার সপক্ষের সকলকে জানাই শুভেচ্ছা। ‘উত্তরণ’-এর দশম বছর পূর্তি উপলক্ষে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন।
ফরিদা ইয়াসমিন
সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব

ইতিহাসের অমোঘ ধারায় আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক সূত্রে গাঁথা। অতীতের মতো আগামীতেও বাংলাদেশ গড়ায় নেতৃত্ব দিতে হবে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকেই।
সফল হোক আওয়ামী লীগের সম্মেলন, জয় হোক বাংলাদেশের জনগণের।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
ম হামিদ
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে দলের সকল নেতা এবং কর্মীদের প্রতি রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে পরিচালিত দেশের প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলটি জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সাফল্যের সাথে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
সম্মেলন উপলক্ষে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ দশম বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। উত্তরণের জন্যও রইল শুভ কামনা। ২১তম জাতীয় সম্মেলন সফল করার জন্য যে সকল নেতাকর্মী নিরলস পরিশ্রম করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
ড. মাহফুজুর রহমান
চেয়ারম্যান, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজ

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের সাফল্য কামনা করি ও শুভেচ্ছা জানাই। আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবার যে সংগ্রাম শুরু করেছে, তা যেন সফল হয়। ‘উত্তরণ’-এর দশম বছর পূর্তিতে এই পত্রিকার উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি।
রুবী রহমান
সাহিত্যিক

বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবময় অর্জন মুক্তিযুদ্ধসহ জাতির দুঃসহ চরমতম দিনগুলোতেও সার্বিক নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটির মুখপত্র ‘উত্তরণ’ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শুধু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নয়, উন্নত কর্মী গঠনেও ভূমিকা রাখছে। দেশের মাটি ও মানুষের উৎকর্ষ সাধনে আবেগের সাথে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ ও ‘উত্তরণ’ এগিয়ে চলুক শতাব্দীর পর শতাব্দী এই কামনায়।
ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
সাবেক ভিসি, বিএসএমএমইউ

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী, বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামী ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯। খবরটি এদেশের লক্ষ কোটি বঙ্গবন্ধুপ্রেমীর মনে অনাবিল আনন্দসঞ্চার করে, কেননা আওয়ামী লীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া দল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর ভূমিকা শুধু যে কোনো একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়; বরং একটি স্বপ্নের ধারক হিসেবে, একটি অঙ্গীকারের বাহক হিসেবে। সেই স্বপ্ন স্বনির্ভরতার, সেই অঙ্গীকার সার্বভৌমত্বের।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভের পর থেকেই বাংলার মানুষের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে সংগ্রামে নিরত রয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচনে অনায়াস বিজয় লাভ করলেও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সপরিবার বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক সংগঠনটি নেতৃত্বশূন্যতায় দিশেহারা ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এর সাথে যুক্ত হয় সামরিক স্বৈরাচারের নিবর্তনমূলক কর্মকাণ্ড। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৮১ সালের ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু-তনয়া শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করে দলটি। বঙ্গবন্ধুর চেতনার পুনর্জাগরণকে নির্দেশকারী এই নির্বাচন যে এক বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত ছিল, তার প্রমাণ জননেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংগঠনে ঐক্য ও সংহতি ফিরিয়ে আনা এবং সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে চার চারবার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের এক অসাধারণ উত্থানের কারিগর হয়ে উঠতে পেরেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানব উন্নয়ন, জনকল্যাণ প্রভৃতি সূচকে বিস্ময়কর উল্লম্ফনের দৃষ্টান্ত দেখাতে পেরেছে বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অসমসাহসী দৃঢ়চেতা নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের হাত ধরে।
আজকের বাংলাদেশ টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ডিজিটাল মাধ্যমে সংযুক্ত এবং বৈদ্যুতিক আলোয় উদ্ভাসিত। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিয়সী নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের জন্য একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ভবিষ্যৎ নির্মাণের সংগ্রামে ব্রতী হয়েছে এবং আমাদের একান্ত প্রত্যাশা, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিলে সুদক্ষ, সুযোগ্য, দেশপ্রেমিক, কর্মতৎপর ও কুশলী নেতৃত্ব নির্বাচিত হবেন এবং তারা আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বদেশকে উন্নয়নের সোনালি শিখরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল-২০১৯ সফল ও সর্বাঙ্গ সুন্দর হোক।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
প্রফেসর ড. মো. শাহিনুর রহমান
প্রো-ভিসি, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি জনজাতির স্বপ্ন আকাক্সক্ষা ও অধিকারকে বাস্তবে রূপায়ণ ও প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতিকে জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তার দেশ ও তার জনগণের অবিসংবাদী নেতা। আওয়ামী লীগ নামক সংগঠনটির জন্মই হয়েছিল এদেশের বঞ্চিত, নিপীড়িত, অধিকারহীন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই সংগ্রামকে চূড়ান্ত পরিণতি দিতে। সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ বেয়ে জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন; সর্বোপরি এক সাগর রক্ত পেরিয়ে অকুতোভয় নেতৃত্ব দিয়ে তিনি এনে দিয়েছিলেন স্বাধীন সার্বভৌম এই বাংলাদেশ। এই অর্জনের নেপথ্যে ছিল তার হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ। আজ সেই সংগঠনের ৭০ বছর পূর্তি। আওয়ামী লীগ শুধু একটি সংগঠন নয়, এদেশের জনগণের স্বপ্নের সহযাত্রী। একদল বিভ্রান্ত বিপথগামী বিশ্বাসঘাতকের হাতে ১৯৭৫-এ তিনি শহিদ হবার পর ঐতিহ্যবাহী সেই সংগঠনের হাল ধরেছেন তারই কন্যা সুযোগ্য উত্তরসূরি জননেত্রী শেখ হাসিনা। সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর সামরিক স্বৈরাচারী শক্তির অবসান ঘটিয়ে তিনি দেশে আনলেন নিরঙ্কুশ গণতন্ত্র। পিতার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি নিরলস কাজ করে চলেছেন। এদেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও মানবিক অধিকারের প্রতিষ্ঠাই তার আরাধ্য। তার অতুলনীয় নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ আজ শুধু একটি রাজনৈতিক দলমাত্র নয়Ñ আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের স্বপ্ন সহযোগী।
আমি আশা করি, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সাম্য, মৈত্রী ও সহযোগিতার সমাজ গঠনের কাজ তার সুযোগ্য নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগ সম্পন্ন করবে।
সাইফুল আলম
সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাব

‘বঙ্গবন্ধু-আওয়ামী লীগ-বাংলাদেশ’-এ শব্দবন্ধের মধ্যেই নিহিত আমাদের বাঙালিত্ব, ইতিহাস এবং জাতিসত্তা। বাঙালি জাতির মুক্তির মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেওয়া উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী এবং বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাবেÑ এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এ স্বপ্নযাত্রায় আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে। ‘উত্তরণ’-এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।
প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন
সদস্য, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের জন্ম। কালের প্রবাহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগ দলে ও দেশে গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি চর্চার মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে। সেই ধারায় অবিকল্প ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা হয়েও বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা দলের নেতৃত্ব নির্বাচনে নিয়মিত সম্মেলন করে উদার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আধুনিক বিশ্বের মণীষা ও চিরায়ত বাংলার বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনার ধারাকে সমন্বিত করে বঙ্গবন্ধু-কন্যার নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের নিরলস কর্মপ্রয়াসকে মানুষের কাছে তুলে ধরে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জয় আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলন। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

ড. মুহাম্মদ সামাদ
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আগামী ২০ এবং ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ এ বছর ১০ বছরে পদার্পণ করেছে। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২২তম কাউন্সিল এবং মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর সাফল্য কামনা করছি। পরিশেষে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য আমার শুভেচ্ছা।
সুবর্ণা মুস্তাফা
সংসদ সদস্য, আসন-৩০৪

আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিলকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনে অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন, তা সময়োপযোগী ও নিঃসন্দেহে একটি সাহসী পদক্ষেপ। তার এ পদক্ষেপের পেছনে দেশবাসীর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এর ফলে দল পরিশুদ্ধ ও অধিকতর শক্তিশালী হবে এবং দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও আওয়ামী লীগ কাউন্সিলের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর ১০ বছর পূর্তিতে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানাই। ‘উত্তরণ’ আদর্শবান নেতাকর্মী তৈরি ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ কায়েমে বলিষ্ঠ ভূমিকা অব্যাহত রাখবে, সকলের এটিই প্রত্যাশা।
প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ
ভাইস চ্যান্সেলর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মপূর্ব, জন্মকাল ও পরবর্তী সংগ্রামী ইতিহাসের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস। জাতির পিতার হাতে লালিত ও পরিস্ফুটিত বাঙালি জাতিসত্তার লড়াকু দলটির ২২তম জাতীয় সম্মেলন হতে চলেছে। এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন দল প্রায় দেড় যুগ ধরে লাগাতার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এবং পরিবর্তিত সময়ের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে শুদ্ধি অভিযানসহ প্রয়োজনীয় তৎপরতা শুরু করেছে। বঙ্গবন্ধুর ধমনী বহনকারী দৃঢ় নেতৃত্বে এই তৎপরতা অব্যাহত থাকুক, সম্মেলন সফল হোক; বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আদর্শবাদী ও ত্যাগী তারুণ্যের পদভারে ভরে উঠুক- মহান মুক্তিযুদ্ধের ঝাণ্ডা হাতে দীপ্যমান হোক আগামীর দিন- এই আমার কামনা। কারণ এর চাইতে বুঝি সত্য আর নেই যে- আওয়ামী লীগ হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যায়; এবং সে-কারণেই সতর্কতার বাণী উচ্চারণ করার প্রয়োজন বোধ করি, এই বলে যে- বঙ্গবন্ধু ও জয় বাংলাকে আত্মায় ধারণ করতে হবেÑ কেবল কণ্ঠে নয়; দলকে সামনে এগুতে হবে, খুড়িয়ে নয়Ñ শুভ দৃষ্টান্ত সৃষ্টিকারীর দম্ভে। আমি দলটির রাজনৈতিক মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
হারুন হাবীব
সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক

মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও লেখকবাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবময় অর্জন মুক্তিযুদ্ধসহ জাতির দুঃসহ চরমতম দিনগুলোতেও সার্বিক নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটির মুখপত্র ‘উত্তরণ’ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শুধু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নয়, উন্নত কর্মী গঠনেও ভূমিকা রাখছে। দেশের মাটি ও মানুষের উৎকর্ষ সাধনে আবেগের সাথে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ ও ‘উত্তরণ’ এগিয়ে চলুক শতাব্দীর পর শতাব্দী। স্বাধীনতার প্রতীক জনপ্রিয় আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন ও মুখপত্র ‘উত্তরণ’-এর দশম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে অঢেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আওয়ামী লীগ এদেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে এনে দিয়েছে স্বাধীনতা, অনন্য উচ্চতায় ও উন্নয়নের রোল মডেল এখন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি। দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবে বাংলাদেশ। দল আরও শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল হোক- সেই কামনাই রইল।
প্রফেসর ড. মো. সেকুল ইসলাম
উপাচার্য, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের অর্থই বাংলাদেশের ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ। বাংলাদেশের ইতিহাস সব সময়ই আওয়ামী লীগের হাত ধরেই পরিবর্তিত হয়। এবারের সম্মেলন যখন হতে যাচ্ছে এ-সময়ে ৫ কোটির ওপরে তরুণ দেশের নানান ক্ষেত্রে ভার নেবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রজন্মকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে হবে আওয়ামী লীগকেই। আশা করি, এবারও আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে। দলের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ ১০ বছরে দাঁড়িয়ে হবে তার অংশীদার।
স্বদেশ রায়
সাংবাদিক

সংকলন : সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply