প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা গৌরবোজ্জ্বল জয়যাত্রা

জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পরবর্তী সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক। শৈশব-কৈশোর থেকেই তিনি দেখেছেন পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামমুখর জীবন। তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি পরিবার থেকে, বাবার হাত ধরে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের চিত্র স্বল্প পরিসরে তুলে ধরা সম্ভব নয়। ২৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন। পাঠকদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো-

  •  বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার মাতার নাম বেগম ফজিলাতুন্নেছা। তিনি টুঙ্গিপাড়ায় বাল্যশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সাল থেকে তিনি ঢাকায় পরিবারের সাথে মোগলটুলির রজনীবোস লেনের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পরে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে উঠেন। ১৯৫৬ সালে তিনি টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৬৫ সালে তিনি আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৬৭ সালে গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমানে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে থাকা শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
  • স্কুলজীবনেই রাজনৈতিক কর্মকা-ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। ১৯৬২-তে স্কুলের ছাত্রী হয়েও আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। আজিমপুর গার্লস স্কুল থেকে তার নেতৃত্বে মিছিল গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজে অধ্যয়নকালে ১৯৬৬-১৯৬৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ইউনিয়নের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু তার রাজনৈতিক জীবনের পথ চলা। ’৬৯-এর গণ-আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সদস্য ও রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাবস্থায় ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর ড. ওয়াজেদ মিয়ার সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সজীব ওয়াজেদ জয় (পুত্র) ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল (কন্যা) নামে দুই সন্তান রয়েছেন। ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে মৃত্যুবরণ করেন।
  • ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সাত-আট মাস শেখ হাসিনা, বোন রেহানা, রাসেল, বেগম মুজিব একই বাড়িতে বন্দি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মা ফজিলাতুন্নেছা ও মেয়ে শেখ হাসিনার কৌশলী ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধকে ব্যাপক সহায়তা করেছিল। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দি অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর মা হন। ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে শেখ হাসিনা মুক্ত হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর তার কন্যাসন্তান পুতুলের জন্ম হয়।
  • ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াল রাত্রিতে সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিহত হলেও তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে সফরে থাকায় বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। পরবর্তী ছয় বছর লন্ডন ও দিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয় তাদের দু’বোনকে।
  • ১৯৮১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দীর্ঘ ছয় বছর পর যখন বাংলার মাটিতে পা দেন, তখন লাখ লাখ মানুষ তেজগাঁও বিমানবন্দরে সমবেত হয়ে তাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানায়।
  • ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদের ক্ষমতায় আরোহনকে অবৈধ ঘোষণা করে এরশাদবিরোধী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৮৩ সালে তিনি ১৫-দলের একটি জোট গঠন করেন। তার নেতৃত্বে দেশজুড়ে সামরিক শাসক এরশাদবিরোধী দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠায় ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের ৩১ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। চোখ বেঁধে তাকে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়।
  • ১৯৮৪ সালে তিনি আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় গণসংহতি পরিষদের ষষ্ঠ কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
  • ১৯৮৫ সালে ইয়াসির আরাফাতের আমন্ত্রণে তিউনেশিয়ায় ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (চখঙ)-এর সদর দপ্তর সফর এবং মধ্যপ্রাচ্য শান্তি-প্রক্রিয়ার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
  • ১৯৮৬ সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হন।
  • ১৯৮৭ সালের ৩ জানুয়ারি শেখ হাসিনা পুনরায় আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হন।
  • ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়।
  • ১৯৮৭ সালে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউশন ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স নামে সংগঠনের আমন্ত্রণে শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্যান্সিসকোয় অনুষ্ঠিত নারী নেত্রীদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান করেন বিশেষ অতিথি হিসেবে।
  • ১৯৮৮ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় গণসংহতি পরিষদের সপ্তম কংগ্রেসে তিনি পাঠ করেন ‘নিরস্ত্রীকরণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ। একই বছর যোগদান করেন বিশ্বশান্তি পরিষদের সভাপতিম-লীর সদস্য হিসেবে প্রাগে অনুষ্ঠিত প্রেসিডিয়াম বৈঠকে।
  • ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শুরু হওয়া আট-দলের মিছিলে জনতার ওপর পুলিশ ও বিডিআর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় ৯ জন নিহত হন।
  • ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর আন্দোলনের জোয়ার ঠেকাতে সারাদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা এবং শেখ হাসিনাকে ধানমন্ডির বাসায় গৃহবন্দি অবস্থায় রাখা হয়। ৪ ডিসেম্বর জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত জনসভায় ভাষণ দেন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯০ সালে অভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদ সরকারকে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন। ১৯৮১ থেকে শুরু করে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার বিরামহীন সংগ্রাম এবং গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে সামরিক স্বৈরশাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি পায় বাংলাদেশ।
  • ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হন।
  • ১৯৯১ সালের ৩ মার্চ শেখ হাসিনা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার জন্য সভানেত্রীর দায়িত্ব থেকে দলের সাধারণ সম্পাদিকার কাছে পদত্যাগপত্র পেশ করলে ৪ মার্চ হাজার হাজার আওয়ামী লীগ কর্মী ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনে সমবেত হয়ে শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। ওইদিন এক জরুরি সভায় মিলিত হয়ে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ শেখ হাসিনাকে পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের দাবি জানায়। ৫ মার্চ দলীয় কর্মীদের চাপে শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করেন। ৮ মার্চ আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় সর্বসম্মতভাবে সংসদীয় দলের নেত্রী নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯১ সালের ২১ মার্চ সরকারিভাবে শেখ হাসিনাকে বিরোধী দলের নেত্রী ঘোষণা করা হয়।
  • ১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সংসদ উপনির্বাচনের সময় সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
  • ১৯৯২ সালের ৭ মার্চ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১০০ সংসদ সদস্য শহিদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা গোলাম আযমকে গণ-আদালতে বিচারের দাবির সঙ্গে একাত্ম ঘোষণা করেন।
  •  ১৯৯২ সালের ১৬ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল করে গোলাম আযমের বিচার করার প্রস্তাব দেন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯২ সালের ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সম্মেলনে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৩ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার সভায় গুলি ও বোমা হামলায় ৫০ জন আহত হন।
  • ১৯৯৩ সালের জুন মাসে ভিয়েনার মানবাধিকারের ওপর দ্বিতীয় বিশ্ব কংগ্রেসের আগমুহূর্তে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এনজিও সম্মেলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন।
  • ১৯৯৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে তিনি অংশগ্রহণ করেন সম্মানিত অতিথি হিসেবে। একই বছর টোকিওতে অনুষ্ঠিত সোশিয়ালিস্ট ইন্টারন্যাশনালের সেমিনারে যোগদান করেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৪ সালে তিনি ‘ইস্টার্ন ভিশন ফেয়ার’-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
  • ১৯৯৪ সালের ১৪ আগস্ট স্বাধীনতার সূতিকাগার জাতির পিতার ধানমন্ডিস্থ ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক বাসভবনটি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তর করে তা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন।
  • ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার ট্রেন অভিযাত্রায় ঈশ্বরদী ও নাটোরে ব্যাপক সন্ত্রাস, গুলি, বোমা হামলা ও তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশসহ আহত হয় শতাধিক।
  • ১৯৯৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ থেকে আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি বিরোধী দলের সদস্যরা একযোগে পদত্যাগ করেন।
  • ১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে।
  • ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
  • ১৯৯৬-২০০১ পাঁচ বছর ছিল স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল সময়। এ সময়কালের মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সাথে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন, ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করাসহ অনেকগুলো খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়। এ-সময় দ্রব্যমূল্য ছিল ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে। কৃষকের জন্য ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ সরবরাহ এবং সেচ সুবিধা সম্প্রদারণের ফলে দেশ প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। প্রথম মুঠোফোন (মোবাইল) প্রযুক্তির বাজার উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং উল্লেখযোগ্য হারে কর সুবিধা প্রদান করা হয়। বেসরকারি খাতে টেলিভিশন চ্যানেল অপারেটর করার অনুমতি প্রদান করে আকাশ সংস্কৃতিকে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। পিতার সাথে মাতার নাম লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়। কম্পিউটার আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাসকরণের দ্বারা সাধারণের হাতে হাতে বিশ্বায়নের মাধ্যম পৌঁছে দেওয়া হয়।
  • ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শেখ হাসিনা তার ভাষণে বলেছিলেন, ‘Bangladesh would work for ensuring world peace and economic and social progress of mankind.
  • ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর সংসদে ইনডেমনিটি বাতিল বিল পাস হয়।
  • ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সাথে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পানিপ্রবাহ ৪২ হাজার কিউসেক থেকে ৮২ হাজার কিউসেকে উন্নীত হয়।
  • ১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান সূচক ‘ডক্টর অব লজ’ উপাধি প্রদান করে।
  • ১৯৯৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এক আলোচনাচক্রে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে প্রথমবারের মতো ‘ক্ষুদ্র ঋণ-সংক্রান্ত বিশ্ব মহাসম্মেলন’-এ কো-চেয়ারপার্সন হিসেবে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৭ সালের ৬ ও ৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি প্রদান করে।
  • ১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই জার্মানির হামবুর্গে ইউনেস্কোর উদ্যোগে আয়োজিত পঞ্চম আন্তর্জাতিক বয়স্ক শিক্ষা সম্মেলনে যোগদান এবং সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৭ সালের ২৫ অক্টোবর গ্রেট ব্রিটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ডক্টর অব লিবারেল আর্টস’ ডিগ্রি প্রদান করে।
  • ১৯৯৭ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ শেখ হাসিনাকে ‘নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭’ প্রদান করে।
  • ১৯৯৭ সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের রোটারি ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে ‘পল হ্যারিস ফেলো’ নির্বাচিত করে এবং ১৯৯৬-৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে।
  • একই বছর লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপ্রধান পদক’-এ ভূষিত হন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৭ সালের ২৮ অক্টোবর লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স-এ ‘ভোট কারচুপি ও সমাধান’ প্রসঙ্গে ভাষণ দেন শেখ হাসিনা। তার এই ভাষণ রাষ্ট্র ও সমাজবিজ্ঞানীদের কাছে বিপুল প্রশংসা অর্জন করে।
  • ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যের এডিনবরায় কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন এবং মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
  • ১৯৯৮ সালের ২৮ জানুয়ারি শান্তি নিকেতনে বিশ্বভারতীর এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক ‘দেশিকোত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
  • ১৯৯৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ির স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ‘শান্তিবাহিনী’ প্রধান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পণ করেন। সেই সাথে ওই বাহিনীর প্রায় ২ হাজার সশস্ত্র সদস্যও গোপন অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে অস্ত্র সমর্পণ করে ফিরে যায় স্বাভাবিক জীবনে। ১৯৯৮ সালের জুন মাসের ভেতর কয়েক দফায় সম্পন্ন হয় এ অস্ত্র সমর্পণের পালা। একই সময়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী প্রায় ৬৫ হাজার চাকমা শরণার্থী মাতৃভূমিতে ফিরে আসে।
  • পাবর্ত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালের ফেলিক্সহুফে বইনি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।
  • ১৯৯৮ সালের ১২ এপ্রিল শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ‘মাদার তেরেসা পদক’ প্রদান করে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ।
  • নরওয়ের রাজধানী অসলোয় অবস্থিত মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালের ‘এম. কে. গান্ধী’ পদক প্রদান করে।
  • ১৯৯৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৪২ লাখ ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে ২ কোটি ১০ লাখ মানুষকে প্রায় ৯ মাস বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিঋণ আদায় এক বছর বন্ধ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৯ সালের ১৫ মে ‘হেগ শান্তি সম্মেলনের শতবার্ষিকী’ অনুষ্ঠানের সমাপনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৯ সালে ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ঋঅঙ) কর্তৃক ‘সেরেস পদক’ লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ১৯৯৯ সালের ২০ অক্টোবর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অসাধারণ অবদানের জন্য ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃক শেখ হাসিনাকে ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
  • ১৯৯৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ উপাধি প্রদান করা হয়।
  • শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে বাঙালি জাতির গর্ব ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
  • ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনাকে (Doctor Honoris Causa) প্রদান করে।
  • ২০০০ সালে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য ম্যাকন ওমেনস কলেজ যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ‘পার্ল এস বাক পদক’ লাভ করেন তিনি।
  • ২০০০ সালে আফ্রো-এসিয়ান ল’ ইয়ার্স ফেডারেশন প্রদত্ত ‘পার্সন অব দ্যা ইয়ার’ নির্বাচিত হন তিনি।
  • ২০০০ সালে মুফতি হান্নান গং তাকে হত্যার চেষ্টা করে কোটালিপাড়ায়।
  • ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ডক্টর অব সায়েন্স’ ডিগ্রি প্রদান করে।
  • ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আবারও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হন।
  • ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনী কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ২০০৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিলভার জুবলি সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘সিভিল সোসাইটি অ্যান্ড গুড গভর্ন্যান্স : দি জার্নালিস্ট রুল’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন দেশরতœ শেখ হাসিনা।
  •  ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে তাকে এবং তার অনুগামীদের হত্যার উদ্দেশ্যে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় সৃষ্টিকর্তার অশেষ মেহেরবাণীতে বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও নারীনেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। কানের পর্দা ফেটে গিয়ে আহত হন শেখ হাসিনা।
  • ২০০৫ সালের জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির স্বপক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপল্স ফ্রেন্ডসশিপ ইউনির্ভাসিটি অব রাশিয়া।
  • ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধী দলের আন্দোলনের মুখে বিএনপি-জামাতের নীলনকশার নির্বাচন বাতিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বঘোষিত প্রধানের পদ থেকে ইয়াজউদ্দিনের পদত্যাগ। জরুরি অবস্থা ঘোষণা। ড. ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বে নতুন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণ। শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে অপসারণের উদ্দেশ্যে মাইনাস টু ফর্মুলা প্রদান।
  • ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ২০০৮ সালের ১১ জুন প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি কারান্তরীণ থাকেন। চিকিৎসা শেষে ৪ ডিসেম্বর স্বদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ২০০৮ সালের ৭ থেকে ৩০ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিঃশর্ত মুক্তিসহ ৬-দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশব্যাপী গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান পরিচালনা ও ১৫ থেকে ৩০ জুন জেলায় জেলায় বর্ধিত সভা অনুষ্ঠানের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
  • ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদের নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৬৪টি আসন লাভ করে।
  • ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কর্মযজ্ঞ শুরু : – বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি। ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার দ-প্রাপ্ত আসামির মৃত্যুদ- কার্যকর। জাতি কলঙ্কমুক্ত। – বিডিআর বিদ্রোহের শান্তিপূর্ণ সমাধান। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ব্যর্থ। – মহাজোট সরকারের প্রথম ও দ্বিতীয় বাজেট বাস্তবায়ন। বিশ্বমন্দা মোকাবিলা। দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা। – কৃষিতে বিপুল ভর্তুকি, ধানের বাম্পার ফলন। সর্বকালের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধির হার ৬.৭ শতাংশে উন্নীত। – নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন। প্রতি বছর বিনামূল্যে বই প্রদান। প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে সফল পাবলিক পরীক্ষার পদ্ধতি প্রচলন। – বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি; লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা। শিল্প-কারখানায় নতুন করে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ প্রদান শুরু। – কর্মসংস্থান ও হতদরিদ্রদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি সম্প্রসারণ। – খোলাবাজারে ৪২ টাকা কেজির চাল জনপ্রতি ৫ কেজি ২৪ টাকা দরে বিতরণ। – যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু। – সফলভাবে ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠান। ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্যের সূচনা। পরপর দুই বছরে বাংলাদেশের দুই তরুণের এভারেস্ট জয়। – উন্নয়নশীল বিশ্বে বাংলাদেশেই প্রথম সোনালি আঁশ পাটের জিন প্রযুক্তির আবিষ্কার। সম্ভাবনার স্বর্ণদুয়ার উন্মোচিত। – বন্ধ পাটকল চালু। শিল্পায়নের নতুন উদ্যোগ গ্রহণ। – গার্মেন্ট শ্রমিকদের পে-স্কেল পুনর্নির্ধারণ। সরকারি কমকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বর্ধিত বেতন স্কেল কার্যকর করা। শিল্প পুলিশ বাহিনী গঠন। শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। – পদ্মাসেতু নির্মাণের কাজ শুরু। ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে একাধিক উড়াল সেতু, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও ক্রাইভার নির্মাণ দ্রুতগতিতে অগ্রসরমান। – বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ভূমিকা পালন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি।
  • ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত ‘ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক, ২০০৯’-এ ভূষিত হন শেখ হাসিনা।
  • ২০০৯ সালে ন্যামের ১৫তম শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।
  • ২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় অনারারি ডক্টরেট প্রদান করে।
  • শিশু মৃত্যুর হ্রাস-সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ কর্তৃক এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ পুরস্কার লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১১ সালে প্যারিসের ডাউফিন ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মর্যাদাপূর্ণ স্বর্ণপদক ও ডিপ্লোমা পুরস্কার প্রদান করে।
  • আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (ITU), সাউথ-সাউথ নিউজ ও জাতিসংঘের আফ্রিকা-সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন কর্তৃক যৌথভাবে প্রদত্ত South-South Awards 2011: Digital Development for Digital Health শীর্ষক পদক লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার John Bercow, MP প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অনবদ্য অবদানের জন্য ‘Global Diversity Award’ প্রদান করেন।
  • ২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে।
  • ২০১২ সালের ১২ জানুয়ানি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ‘ডি-লিট’ ডিগ্রি প্রদান করে ত্রিপুরা সেন্ট্রাল ইউনির্ভাসিটি। শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনা, নেতৃত্বের দূরদৃষ্টি এবং শান্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের স্বীকৃতি স্বরূপ এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
  • ২০১২ সালের ১৪ মার্চ মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইটলসের রায়ে বঙ্গোপসাগরে ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩১ বর্গকিলোমিটারের বেশি সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ২০১২ সালের ১৯ জুন ছোট বোন শেখ রেহানাকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ ও এর ইংরেজি সংস্করণ ‘The Unfinished Memoires’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন শেখ হাসিনা। ৯ জুলাই গ্রন্থটির প্রকাশনা উৎসবে তিনি বলেন, ‘জাতির সম্পদ জাতির হাতে তুলে দিলাম।’
  • ২০১২ সালের ১০ আগস্ট দেশের প্রথম ডিজিটাল কোরআন শরিফ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১২ সালে বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য UNESCO-এর ‘কালচারাল ডাইভারসিটি পদক’ লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১২ সালের ১৪ অক্টোবর টেলিটকের থ্রি-জি প্রযুক্তি উদ্বোধন করেন তিনি।
  • ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর সাধারণ অধিবেশনের সভায় ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ এবং ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব পাস হয়।
  • ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।
  • ২০১৩ সালের ১৬ জুন জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দারিদ্র্য ও অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় বাংলাদেশকে ‘ডিপ্লোমা অ্যাওয়ার্ড’ পদকে ভূষিত করে।
  • ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশি পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহায়তায় বিজ্ঞানী মাকছুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষকের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত হয় যুগান্তকারী এ সফলতা।
  • ২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ সাউথ কো-অপারেশনের ‘সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড, ২০১৩’ পুরস্কার লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী।
  • ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর নির্বাচনকালীন সরকার ‘সর্বদলীয় সরকার’-এর প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।
  • ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার স্বপ্ন-প্রসূত ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক গধহঃযধহ অধিৎফ, ২০১৩ পদকে ভূষিত হয়।
  • ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ।
  • ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ২০১৪ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ গড়ে লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার বিশ্ব রেকর্ড।
  • ২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর নারী ও কন্যাশিশুর সাক্ষরতা ও শিক্ষা প্রসারে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘শান্তির বৃক্ষ’ (ট্রি অব পিস) পুরস্কার তুলে দেন ইউনেস্কোর মহাপরিচালক।
  • ২০১৪ সালের ২১ নভেম্বর জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন ‘ভিশনারি’ পুরস্কার পান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রাজনীতিতে নারী-পুরুষ বৈষম্য কমাতে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ‘উইমেন ইন পার্লামেন্ট (ডব্লিউআইপি) গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড’ পায় বাংলাদেশ।
  • ২০১৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তথ্যপ্রযুক্তিতে অগ্রগতির স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার (আইটিইউ) ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ গ্রহণ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৬ সালে গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সফল অভিযান, শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন জঙ্গি আস্তানা থেকে সশস্ত্র জঙ্গিদের আটক। উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সৃষ্ট জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশের দৃষ্টান্ত স্থাপন।
  • ২০১৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কার প্রদান করে জাতিসংঘ।
  • ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে জননেত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি নির্বাচিত।
  • ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাবি উত্থাপিত হওয়ায় ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ ঘোষণা করা হয় এবং ২০১৭ সালের ২৫ মার্চ রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘গণহত্যা দিবস’ পালিত হয়।
  • ২০১৭ সালের ১২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামে বানৌজা ঈশা খাঁ ঘাঁটিতে ‘নবযাত্রা’ ও ‘জয়যাত্রা’ নামে দুটি সাবমেরিন কমিন করেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৪১টি দেশের পর বাংলাদেশও সাবমেরিন এলিট জাতিভুক্ত হয়।
  • ২০১৭ সালের ১ এপ্রিল দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক শীর্ষ সংসদীয় সংস্থা ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন-আইপিইউ’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আইপিইউ’র ১৩৬তম সম্মেলনে সারাবিশ্বের ১৩২টি দেশের দেড় সহস্রাধিক প্রতিনিধি যোগদান করেন। সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর স্বল্প খরচে উন্নতমানের নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রদানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দান ও তাদের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করায় ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম চ্যানেল ফোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বা ‘মানবতার জননী’ বলে ভূষিত করেন।
  • ২০১৭ সালের ১-৭ নভেম্বর ঢাকায় কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন সিপিএ-এর ৬৩তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাইস প্যাট্রন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
  • ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস’র জরিপে বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০তম ক্ষমতাধর নারী হিসেবে অভিহিত করা হয়।
  • ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর ‘জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল হেরিটেজ রেজিস্টার’ বা ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল’ হিসেবে ঘোষণা করে।
  • ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৭ সালের নভেম্বরে পিপলস অ্যান্ড পলিটিকসের গবেষণা প্রতিবেদনে সৎ সরকারপ্রধান হিসেবে বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিসেবা ফোর-জি সেবা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১৮ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে বাংলাদেশ।
  • ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ‘গ্লোবাল সামিট অন উইমেন’ প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে ‘গ্লোবাল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে।
  • ২০১৮ সালের ১১ মে, শুক্রবার (বাংলাদেশ সময়) দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মহাকাশ কেন্দ্র ‘স্পেস-এক্স’ থেকে নিজস্ব উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট’ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
    হ ২০১৮ সালের ২৬ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মজয়ন্তীতে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের ‘কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লিটারেচার (ডি-লিট)’ প্রদান করে। গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন থেকে জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সম্মাননা প্রদান করে ‘কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়’।
  • ২০১৮ সালের ২৩ জুন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের পুরনো ঠিকানায় দশমতলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক ও সুদৃশ্য নিজস্ব ভবন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে মানবিক ও দায়িত্বশীল নীতির জন্য অনন্য নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল ডিস্টিংকশন অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং অ্যাচিভমেন্ট’ প্রদান করা হয়।
  • ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর হোটেল সোনারগাঁওয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টিকারী বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ২৫৯টি আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এবং ১৪-দলীয় জোটের শরিকরা ৯টি আসনে বিজয় লাভ করে।
  • ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি দেশের ইতিহাসে নজির ও রেকর্ড সৃষ্টি করে চতুর্থবারের মতো এবং টানা তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০১৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ‘ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস, ২০১৯’ গ্রহণ করে তা দেশবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা। ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এ পি জে আবুল কালামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তামিলনাড়– সরকার এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।
  • ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাপক সাফল্য অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন অ্যান্ড ইমউনাইজেশন (জেএভিআই) কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার প্রদান করে।
  • ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ইউনিসেফ ভবনে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃত স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ শীর্ষক সম্মাননা প্রদান করে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।
  • ২০১৯ সালের ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা টানা নবমবার সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদের এমপি পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
  • ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রাণপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’-এর ‘ক্ষণগণনা’ উদ্বোধন করেন।
  • ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশে গ্রন্থমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ভ্রমণবিষয়ক ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০২০ সালের ২০ মার্চ ছোট বোন শেখ রেহানাকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রাণপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই দিন পৃথিবীর দেশে দেশে বাঙালি জাতির মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয়। ইতোমধ্যে ৮ মার্চ দেশে প্রথম বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বছরব্যাপী মুজিববর্ষের কর্মসূচিসহ জনসমাগমপূর্ণ সব ধরনের কর্মসূচি পরিহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং করোনাভাইরাস প্রতিরোধ, আক্রান্তের চিকিৎসার ব্যবস্থা ও ভাইরাসজনিত সৃষ্ট সংকটে দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ব্যাপক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ২০২০ সালের ১২ মার্চ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে মাওয়া হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত নির্মিত দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা।
  • ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষ’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
  • ২০২০ সালের ২ এপ্রিল বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার মোকাবিলায় ৩১-দফা নির্দেশনা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০২০ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘ডেল্টা কাউন্সিল’ গঠিত হয়।
  • ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
  • ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৬৬ হাজার ১৮৯টি পরিবারের হাতে বিনামূল্যে জমি ও ঘরের চাবি তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন ‘মুজিববর্ষে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’।
  • ২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করে বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অগ্রসরমান বাংলাদেশ।
  • ২০২১ সালের ১৭ মার্চ থেকে রাজধানী ঢাকার প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘মুজিববর্ষ’ ও ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘মুজিব চিরন্তন’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় যোগদান করেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
  • ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল উন্নয়নশীল ৮টি মুসলিমপ্রধান দেশের (বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত) জোট ডি-৮-এর সভাপতি নির্বাচিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫ থেকে ৮ এপ্রিল চার দিনব্যাপী ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ডি-৮-এর দশম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রন্থনা : রায়হান কবির, গবেষণা সহকারী, উত্তরণ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply