শ্রাবণ বিলাপ

আনন জামান 

তখন কয়লা রঙের রাশি রাশি কালো মেঘ ঠেলে পুব আকাশ বাইছে বিহানের বিবর্ণ সূর্য। ঘড়ির কাঁটা ১১টা ছুঁই ছুঁই। মানচিত্রের রেখা বোনা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর শেষ শিথানের আয়োজন চলছে।
আবদুল মান্নান শেখ জবা ঝাড়ের ঘন ছায়ায় মানুষটার শান্তিশিথান কবরের জন্য মাটি খনন করছিল। ভাষাহীন নির্ল্পিত অভিব্যক্তি তার। পাশেই কবরের মাপে বাঁশ কাটছে জনাকয়েক- ভুবন সৃজনের আগে ঈশ্বরের বিষণ্ণতা তাদের চোখে চিবুকে। মান্নান শেখকে কেন্দ্র করে একজন দুজন করে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। মেঘে ঢাকা রোদে উঠানে তাদের ছায়া পড়ে নাই বলে সবকিছু কেমন ভীতিকর- শোকাতুর ঠেকে- ছোট ছোট করে ছাটা মাথা ভরা শাদা চুলের এক বৃদ্ধ তার মাটিতে বিছানো ছায়া পরখ করে- ছায়াহীনতার এক অদ্ভুত ব্যাখ্যা ব্যক্ত করে- “ও শেখের বেটাÑ শরীরের ছায়া সাথে করে নিয়া আসতে পারে নাই তোমার মানুষেরা। গালে হাত ঠেকা মানুষেরা ছিল বারান্দার খামে ঠেস দিয়া বসা, উঠানের নামায়, মাইটালের ঘাটলায়, তিল তিসির চিক্কন সিঁথিপথে, গাঙ্গের পাড়ে, কাশবনে, বালিয়াড়ির আড়ে, খেতের আইলে, আথালের ছায়ায়- লাঙল জোয়াল থামায়া- বিবশ বসা ছিল- আধভাঙা হয়া দাঁড়ায় ছিল- তোমার খুনের রক্তে লাল পশ্চিম আসমানের কাছে নতজানু হয়েছিল তোমার মানুষ। যে যেহানে ছিল ছুটে আসতেছে- শরীরের ছায়াখানিও সাথে আনার ফুরসৎ পায় নাই তোমার মানুষেরা।”
একটি কান্নার মতো ধ্বনি অথবা দীর্ঘশ্বাস উত্থিত হয় মানুষের ভিড় থেকে। কোনো দিকে ভ্রুক্ষেপ নাই মান্নান শেখের- সে কেবল কোদাল চালিয়ে যাচ্ছে- যেন প্রথম মানুষ সৃষ্টি হবার পর থেকে- কিয়ামত অবধি শেখ মান্নান তার শৈশবের সাথী আপামর মানুষের বঙ্গবন্ধুর জন্য গোর খনন করে যাচ্ছে- করতেই থাকবে।
বয়স্ক একজন বলে, “ও মান্নান রাও নাই কা তোর মুখে- গোর থিয়া উঠে আয়- নামতে দে মানুষেরে- ছৌয়াব একলাই নিবি কা- ও খোদা সবকিছু এমন নির্দয় ঠেকে কা- এই ছোট গোরটাতে তো সকলের খনন করার সুবিধা নাই- মানুষটার শোকের বোঝা গাড়ে করে ছুইটা আসতেছে যে মানুষ- তারা গাড়ের বোঝা লাঘব করবে কেমনে? হায়- বুকের দীর্ঘশ্বাস বুক থিয়া নামবে না আর এই জনমে।”
ততক্ষণে বেড়েই চলেছে ভিড়- উঠানের ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করেছে প্রায়। খনন তদারকিতে আসা আবদুর রহমান ভিড়ের ভেতর দিয়ে আসতে আসতেই প্রশ্নটি করে- ঠিক প্রশ্ন নয়- নিজের সাথে নিজের কথা বলার মতো- “আহা রে এত মানুষ আসলো কোথা থেকে- ঘোষণা হয় নাই- টিন পিটিয়ে সংবাদ জারি হয় নাইÑ হাজার হাজার মানুষ জানলো কীভাবে- মানুষটার লাশ আসবার সংবাদ।” সাদা ফিনফিনে চুলের একজন বৃদ্ধ বলে- “কলিজায় টান লাগছে মানুষের- তার মানুষ না- এই মাটির নিমক খাইছে না মানুষ। পথে আসতে আসতে তজুর বাপের কাছে শুনছি কথাটা- বিলে মাছ ধরার টংয়ে বসা ছিল- আচ্যুক দেহে বিলের পানিতে নীল বাদামি বুদবুদ- চিকন কান্নার মতো কোরআন তেলোয়াতের মিহি সুর শুনে সে। বুদবুদের ভেতর থিয়া উইঠা আসে তিন কী চারখান ফিরিস্তা- তর্জুনী আঙ্গুলের সমান গড়ন- ফিনফিনে শাদা ছোট্ট দুই পাখা ঝাঁপটায়া উড়াল দেয় বাঘাইর বিলের পানির উপর- ঐ ফিরিস্তারাই পাড়ায় পাড়ায় উইড়া শেখের বেটার লাশ আসার সংবাদ দিছে।
এই গাঁওতে এমন কোনো মানুষ আছে- যার উঠানের রোদে ছায়া পড়ে নাই তার। সত্তরে ভোটে নাওয়ের বাদাম বেইচা কয়টা পয়সা দিছিলাম তার হাতে- কী যে বকছিলো মানুষটা- বুকের মধ্যে জড়ায় নিয়া কানতেছিল সে। আমি কই- ও মুজিব ছাড়- দম বন্ধ হয়া যাবে। মুজিব চোখ মুছে আর কয়- ‘এত ভালোবাসো কাহা- দমের দাম যদি না দিবার পারি।’ সাত কোটি মানুষের প্রাণে দম দিলা যে মানুষ- তার দম কাইড়া নিল ক্যায়।”
ভীষণ ভারী এক দীর্ঘশ্বাস শ্রুত হয় মানুষের ভিড় থেকে। সহস্র দীর্ঘশ্বাস একসাথে ফেলায় এক বর্ণনাতীত হাহাকার তৈরি হয় আবদুর রহমানের বুকে। সে বৃদ্ধের ফেরেস্তা বিষয়ক গল্পটি বিশ্বাস করতে শুরু করে। রহমান জানে লৌকিক বিবেচনায় ঘটনাটি সত্য হওয়া সম্ভব নয়। যে মানুষটির জন্য মানুষ রোজা রাখে- নফল নামাজ আদায় করে- মানত করে আথালের গবাদি- রাষ্ট্র তার মৃত্যু সংবাদ রেডিওতে প্রচার করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। মানুষটার মৃত্যু শোকমন্থিত শ্রমক্লান্ত অসহায় তজুর পাব বাঘাইর বিলের মাছ প্রহরায় টংয়ে শুয়েÑ ফেরেস্তার ডানার শব্দ শোনার অপেক্ষা করেছিল- হয়তো তা তার রাত্রি জাগরণের ভ্রমÑ সে ফেরেস্তা দেখে নাই- কিংবা দেখতেও পারে- তা নাহলে জানলো কী করে বঙ্গবন্ধুর লাশ আসবে গোপালগঞ্জে।
হঠাৎ একটি সম্মিলিত আর্তনাদে রহমান সম্ভিত ফিরে পায়- কবরের মধ্যে টলে পড়ে গিয়েছিল মান্নান শেখ। তাকে পাড়ে উঠিয়ে চোখে-মুখে পানির ঝাঁপটা দেয়া হয়। সে হাত-পা ছড়িয়ে শূন্য চোখে তাকিয়ে আছে- সদ্য খনন করা কবরের অভিমুখেÑ কথা বলছে প্রায় ফিসফিস করে- “এক সাথে সাতরায়ে পাল্লা দিয়া পাড় হইছি মধুমতির এই পাড় থিয়া ঐ পাড়। চান্দিরবিল, বর্ণির হাওড় দড়িয়ায় কূল, জলির পাড়, বিল কাজুলিয়ায় মাছ ধরছি কত্ত- একবার ঠেলা জালে হইলদ্যা ডোরা কাটা দাগের সাপ উঠলো- আমি ধরলাম গলা টিপা। তুমি দিলা ধমক- ‘ফনা নাই বিষ নাই মারছ ক্যা ওরে- পারলে গোক্ষুরের সাথে বাহাদুরি দেহাস- ছাড়।’
স্বদেশি আন্দোলন কী হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ কী ভাষার লড়াই- দেশ বাঁচানোর সংগ্রাম- তুমি হয়া গেলা দেশের নেতা- হয়া গেলা রাষ্ট্রপতি।
তোমারে দোস্ত বলতে আমার শরম লাগে। ধানমন্ডির বাড়িটায় আমি কাচুমাচু বইসা থাকতাম মেঝেতে- তুমি ডাক দিয়া- তোমার ঠিক পাশে বসাইতা- বলতা ‘আব্বাসের কী খবর? এহনও কী খেজুরের গাছে রসের হাড়ি বান্দে ও, গাঙের খুব পাড় ভাঙছে না- তোর মার কুমড়া ফুলের বড়া যে কী স্বোয়াদ- ভুলতে পারি না। ও হাসুর মা- আমার দোস্তর জন্য কই মাছ রানবা- বেশি কইরা রসুন দিওÑ ওর খুব পছন্দ।’
তোমার চোখে-মুখে তখন খালি গোপালগঞ্জ- আলপাথ খালপথ নদীনালা, হাওড় বাঁওড়, আমনের খেত, ঝিঙার মাচা, পানের বরজ সব গোপালগঞ্জের।
মানুষটা আর কথা কবে না কোনোদিন- তর্জনী উচায়ে পথের নিশানা দিবে না-
ইস্রাফিল ফিরিস্তা কোন আসমানে আছো তুমি- ফুঁ দাও তোমার দিব্য সিঙ্গায়-তছনছ হয়ে যাক ভুমন।”
আবদুর মান্নান শেখের আহাজারিতে আশ্চর্য এক নীরবতা নামে ভিড়টিতে- কেউ যেন আর শ্বাস ফেলছে না। যেন বেহেস্তের নীল শূন্যতা থেকে আদম হাওয়ার পতন হয় নাই মাটিতে- মানুষের বিস্তার হয় নাই তখনও- প্রবাহমান শ্বাস ফেলবার জন্য একটিও ফুসফুস নাই কোথাও। ভিড়টি একসাথে উৎকীর্ণ হয়। মানুষটির কফিন বহনকারী দূরাগত হেলিকপ্টারের ডানার শব্দ শোনে তারা।
সবার আগে সার্কেল ইন্সেপেক্টর আবদুর রহমান দৃশ্যটি থেকে অদৃশ্য হয়- তাকে অনুসরণ করে ভিড়টি।
চলো পাঠক ভিড়টির পদচিহ্ন দেখে দেখে পৌঁছে যাই গিমাডাঙ্গার স্কুল মাঠে, সেখানে এক মহান রাষ্ট্রপতির কফিন অবতীর্ণ হবে- মেঘনীল আসমান থেকে।
হেলিকপ্টারটি যাতে নির্বিঘ্নে নামতে পারে- তার প্রস্তুতি চলছিল সেখানে। লোকাল প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে কেউ কেউ ঝাড়– দিচ্ছিল মাঠ- কেউ কোদাল দিয়ে উঁচু-নিচু মাটি সমান করছিল- কেউ কেউ ঝোপঝাড় কাটছিল- রহমানের ফোর্স হুইসেল বাজিয়ে ভিড়টি বিন্যস্ত করে।
ভিড়টি বাড়ছে কেবল- সমুদ্রে জোয়ার এলে যেমন বাড়ে ঢেউ আর জল। একটুখানি আগের খালি শুকনো জায়গা ভরে যায় ফুসে ওঠা সমুদ্র ফেনায়।
বিষণ্ন রহমান আকাশ নিরীক্ষণ করে- তার বিষণ্ন চোয়ালে একটি দুটি বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে- সে ডান হাতের আঙ্গুলে তা স্পর্শ করলে প্রথমে সে ভাবে- সে কাঁদছিল কি না- তারপর চোখ উঁচিয়ে আকাশে তাকায়- ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছে- রহমান ভাবে- হেলিকপ্টারটি তো এতক্ষণে এসে যাবার কথা- আসছে না কেন? তবে কী মানুষের ভিড় দেখে- সরে গিয়েছে তারা- এক বৃদ্ধা গিমাডাঙ্গার ঘাসের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে যায়- বুক চাপড়িয়ে কাঁদে সে।
বৃদ্ধার বিলাপকে কেন্দ্র করে দাঁড়ায় ভিড়টির একটি অংশ- বঙ্গবন্ধুর আসন্ন মৃত্যু কীভাবে জানান দিয়েছিল বৃদ্ধার শিথানে- প্রবল বিশ্বাসে তাই সে ব্যক্ত করেÑ “আমার ছোট ছাওয়ালাডা মরছে বছর তিরিশেক আগে- কাজুলিয়া বিলে মাছ ধরতে গেছিলো আর ফিরা আসে নাই- তামাম বিল তছনছ কইরা জব্বর শেখে পাইছিলো লাশটা- শত শত শাপলা ফুলের মিঝে পীঠ ভাসায়া ভাইসা ছিল আমার মানিক।
কত আর বয়স ছিল তার- আট কি নয় বছর- গাড়ে এট্টা জন্মদাগ ছিল- তাই নিয়া মানুষের কাছে কত যে গালগল্প করতো- ‘ঝড় বাতাসে আসমান থিয়া জিলকি ঠাট্টা পড়তে ছিল মায়ের উপর- কী করমো- দৌড়ায়ে গিয়া কান্ধে নিলাম ঝিলকি ঠাটা- মাওরে তো আর পুড়তে দিবার পারি না- গাড়টা এট্টু কালো হইছে- আমার মাও তো বাঁচলো।’
ও মুকুল- কাইল শেষ রাইতে স্বপনে দেখছি তোরে- দেহী আসমান ভরা মেঘ- শাদা, খয়েরি, নীলা, গোলাপি মেঘ। মুকুল মেঘের ভেতর খেলতেছে- আর ফিকফিক কইরা হাসতেছে। আমি কই ও মুকুল- মেঘের ভেতর কী করস?
মুকুলে কয়- ‘খেলি- মেঘ ছাইনা ঘরবাড়ি বানাই- নদীনালা খালবিল বানাই- বর্ণির বিল থিয়া বাড়ি ফিরনের পথটাও বানাইছি মা- গোটা এট্টা গাঁও বানামু- তুমি যদি চাও এট্টা শহরও বানাইবার পারি- মেঘ এট্টু বেশি ছানতে অইবো- কষ্ট কিচ্ছু না।’ আমি কই- কোন কারিগরে শিখাইছে তোরে মেঘ ছাইনা গাঁও বানানো যায়। মুকুলে হাসে, কয়- ‘মুজিব ভায়ে শিখাইছে।’ আচ্যুক দেহি- তীর ধনুক উচায়ে জমিনে দাঁড়ায় আছে নমরুদের ছায়া- ছিলা টানটান কইরা ছুইড়া দেয় তীর। আমি কই- ও মুকুল মেঘ থিয়া সরে যা বাপ। তীর ছুড়ছে নমরুদে। গলার রগ ফুলায়ে চিল্লাই- আওয়াজ নাই গলায়। সাই করে তীর বিন্ধে মুকুলের পেটে। শাদা, খয়েরি, নীলা, গোলাপি মেঘ রক্তে লাল হয়ে যায়। দেহি মুকুলের মুখে যন্ত্রণা নাই- সে অবলীলায় পেট থিয়া তীরখানি খুলে উঁচায়ে ধরে আসমানে- তীর নাড়ায়ে আসমানের তারা নাচায় আর কয়- ‘কিচ্ছু হয় নাই গো মা- দেহস না- আমার শ্যামল শরীর কেমন দুধে আলতা বরণ হইতেছে।’
ও মুকুল এতকাল পর স্বপ্নে স্বপ্নে কী জানান দিলি তুই- আমার শেখেরে মারছে যে নমরুদে- তার ক্ষমা নাই হে খোদা।”
বৃদ্ধটি কথা থামিয়ে শোকাবহ তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণকারী অভিযাত্রীর অনুরূপ মাতম জুড়ে দেয়। কান্নার দমকে গাছ থেকে খসে যাওয়া শুকনো পাতার মতো কাঁপছিল তার শীর্ণবুক। কান্নাটি প্রথমে আমনের খেতে বাতাস বয়ে যাওয়ার মতো- গিমাডাঙ্গার ভিড়ের ওপর দিয়ে বয়ে যায় একবার। তারপর কোনো কান্না নাই। নিঃশব্দ উৎকীর্ণ হয়ে থাকে জমায়েত। তখনও আরও মানুষ আসছে চারপাশ থেকে। সহসা তারা একটি হেলিকপ্টারের পাখার গুঞ্জন শুনতে পায়। কান্নাটি ফিরে আসে পুনরায়। মানুষটিকে শেষবারের মতো দেখতে আসা- মানুষদের কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত সকল কথা কেমন কান্নার মতো শোনায়। তারা দারুণ ঘৃণা আর শোকে- ঘাড় কাত করে আকাশের দিকে তাকায়- একজন দুজন করে নয়- একসাথে সমগ্র জমায়েতটি। কী যে তীব্র সে চাহনি- ভাতের বলকের সুগোল ফোঁটার মতো ফুটছিল তাদের চোখগুলো।
ভিড় থেকে উক্ষিত দীর্ঘশ্বাসের ওপর দৃশ্যমান হয় হেলিকপ্টারটি। তবে তারা নিচে নামে নাÑ জমায়েতের মাথার ওপর চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। নামবেই বা কোথায়? গিমাডাঙ্গার মাঠে অগণন মানুষের ভিড়- তাদের আলাদা গড়ন হলেও- একই শোকের ভেতর দিয়ে প্রবাহমান বলে- তাদের ব্যথা প্রকাশের ভাষা একই রকম দেখায়- তারা একসাথে ঘাড় কাত করে তাকিয়ে থাকে আকাশে- যেখানে মেঘনীল আসমান থেকে অবতীর্ণ হবে মানুষটার দিব্য কফিন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply