গণতন্ত্রের বিজয় দিবস: আওয়ামী লীগের দেশব্যাপী সমাবেশ

Spread the love

উত্তরণ প্রতিবেদন: একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দলের বিজয়ের বর্ষপূর্তিতে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ সেøাগানে ঢাকাসহ সারাদেশের রাজপথ দখলে ছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। সমাবেশ, বিজয় র‌্যালি, আনন্দ মিছিলসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়।
এ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, গণতন্ত্রের ধ্বংসের জনকই হচ্ছে বিএনপি। বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না। তবে বিএনপি আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য করলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণতন্ত্রের বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আরও বলেন, ২০০৬ সালে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার তৈরি করে বিএনপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ‘হ্যাঁ-না’ ভোটে নির্বাচিত হয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলেন। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাগুরার উপনির্বাচনে গণতন্ত্র হত্যা করেছিলেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরে ২১ বছর গণতন্ত্র বুটের তলায় পিষে ফেলা হয়েছিল।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে শৃঙ্খলিত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করেছিলেন। শেখ হাসিনা বারবার মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে বিজয়ের জয়গান গেয়েছেন। নব্বইয়ের দশকে শেখ হাসিনা শৃঙ্খলিত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না। বিএনপি আজ নির্বাচন ও আন্দোলনে ব্যর্থ। সে-কারণে এই দিন তাদের জন্য কালো দিবস। আর আওয়ামী লীগ জনগণের ভালোবাসায় বিজয়ী। সে-কারণে আজ আমাদের বিজয় দিবস। ঢাকা দক্ষিণ এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে তুলনামূলক বেশি জনপ্রিয় এবং ক্লিন ইমেজের নেতাদের আমরা দলীয় মনোনয়ন দিয়েছি। তিনি বলেন, অতীতে যাদের রাজনীতির অভিজ্ঞতা নেই তারা এসে ভালো কিছু করতে পারবে না। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, সাবেকমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Leave a Reply